জম্মু-কাশ্মীর প্রসঙ্গে ভারত ও পাকিস্তানের কাছে বিশেষ বার্তা রাষ্ট্রপুঞ্জের

0
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীর প্রসঙ্গে ভারত এবং পাকিস্তানের কাছে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ দেখানোর বার্তা এল রাষ্ট্রপুঞ্জের তরফ থেকে। সেই সঙ্গে বলা হয়েছে, দুই দেশের এমন কোনো পদক্ষেপ করা উচিত নয়, যাতে ৩৭০ অনুচ্ছেদ রদ-পরবর্তী জম্মু-কাশ্মীরের পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে। এমনকি শিমলা চুক্তিও মেনে চলার আবেদন করা হয়েছে দুই দেশের কাছে।

রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তোনিও গুয়াতেরেসের বার্তা পড়ে শুনিয়েছেন সংগঠনের মুখপাত্র স্টেফেন ডুজারিক। তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতির ওপরে নজর রাখছেন মহাসচিব। দুই দেশের কাছেই সর্বোচ্চ সংযম বজায় রাখার আবেদন করেছেন তিনি।”

সেই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “মহাসচিব মনে করিয়ে দিয়েছেন ১৯৭২ সালে সই হওয়া শিমলা চুক্তি, যেখানে বলা হয়েছে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মধ্যে দিয়েই কাশ্মীর সমস্যার সমাধান হবে, তা যেন মেনে চলা হয়।” তবে কাশ্মীরের প্রসঙ্গে কোনো তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতার ব্যাপারে কিছু বার্তা দেননি গুয়াতেরেস। শিমলা চুক্তি মনে করিয়ে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, এই সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব শুধুমাত্র দুই দেশের। কারণ ওই চুক্তিতেই বলা ছিল, কাশ্মীর প্রসঙ্গে কোনো তৃতীয় শক্তির মধ্যস্থতা মেনে নেওয়া হবে না।

আরও পড়ুন বন্যার আশঙ্কায় বন্ধ করা হল কোচি বিমানবন্দর, তীব্র আতঙ্কে কেরল

জম্মু-কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতির ব্যাপারে দুই দেশের আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে জানান ডুজারিক। পাশাপাশি রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদেও কাশ্মীর প্রসঙ্গে গুয়াতেরেসের বিবৃতি দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই বলেই জানিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার দু’টি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক এক্কেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে। কার্যত একতরফা ভাবেই ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শিথিল করে দিয়েছে পাকিস্তান। ভারতে ফিরে যেতে বলা হয়েছে রাষ্ট্রদূত অজয় বিসারিয়াকে। যদিও এই ব্যাপারটির তীব্র প্রতিবাদ করেছে ভারত। বিশ্বের কাছে ভারত সম্পর্কে খারাপ বার্তা দেওয়ার জন্যই পাকিস্তান এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিদেশমন্ত্রক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.