লন্ডন: তাদের বলা হয় পাশ্চাত্য দর্শনের জনক। তাদের সম্পর্কে না জানলে পাঠক্রম অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তাঁরা প্লেটো, ডেস্কার্টেস আর এমানুয়েল কান্ট। কিন্তু সাদা হওয়ার ‘দোষে’ তাঁদের পাঠক্রম থেকে তাদের সরিয়ে দেওয়ার দাবি উঠল লন্ডনেরই একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

এখানকার ওরিয়েন্টাল স্কুল অফ আফ্রিকান স্টাডিসের (এসওএএস) ছাত্র সংসদ থেকে দাবি উঠেছে তাদের পাঠক্রমে অধিকাংশ দার্শনিকই আফ্রিকা আর এশিয়াজাত হওয়া উচিত। তাঁদের দাবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপনিবেশিক আচরণ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্যই এ রকম দাবি করা হচ্ছে।

এই দাবি যাঁরা করছেন তাঁরা জোর পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে দেওয়া ব্রিটিশ সরকারের নির্দেশিকায়। সেখানে জানানো হয়েছে, পড়ুয়াদের দাবি মানতে হবে, সেটা যত অল্প সংখ্যক পড়ুয়ার দাবিই হোক না কেন। ব্রিটিশ সরকারের নতুন শিক্ষানীতি অনুযায়ী পড়ুয়াদের সন্তুষ্ট করাতেই সব থেকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়। কিন্তু সমালোচকদের মতে, এর ফলে শিক্ষার মান পড়ে যেতে পারে।

ছাত্র সাংসদের এই দাবির বিরোধিতা করে বাকিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য স্যার অ্যান্থনি শেলডন বলেছেন, “এ রকম ভাবে ইতিহাস পালটানো যায় না। বিশ্ব যে রকম ছিল আমাদের সেটাই মানতে হবে, নতুন ভাবে ইতিহাসকে লেখা যায় না।”

ছাত্র সাংসদের দাবিকে হাস্যকর আখ্যা দিয়ে তার তীব্র বিরোধিতা করেছেন এসওএএসের ধর্ম ও দর্শন বিভাগের অধ্যাপিকা এরিকা হান্টার।       

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here