সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে থাকা বিচিত্র সব যৌন আচার, ১১টি নমুনা

0
2314

ওয়েব ডেস্ক: পৃথিবীর নানা দেশের খাবার, সংস্কৃতি, ভাষা, লোকাচার নানা রকমের। আর এই বৈচিত্র্যই অন্য দেশের মানুষকে চেনার, তাদের জীবনযাত্রা সম্পর্কে জানার ইচ্ছেটা আমাদের বাড়িয়ে দেয়। সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান দিক হল যৌন আচার বা যৌন রীতি। পৃথিবীর নানা প্রান্তে ছড়িয়ে আছে আমাদের চেনা রীতির বাইরে বেশ কিছু অন্য ধরনের যৌন আচার। সে রকমই কিছু এখানে তুলে ধরা হল পাঠকদের জন্য:

হিমালয় জুড়ে নানা অঞ্চলে মহিলাদের একাধিক স্বামী থাকাটা শুধু বৈধ নয়, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশও বটে। মহিলারা এখানে স্বেচ্ছায় একাধিক বিয়ে করে থাকেন। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে দাঁড়িয়ে এমন ঘটনা নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রমী।

আফ্রিকার ওদাবে আদিবাসী গোষ্ঠীর যৌন রীতিটি বেশ অদ্ভুত। সেজেগুজে পুরুষরা পরস্ত্রীকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেন এখানে। অন্যের স্ত্রীকে আকৃষ্ট করতে এখানে রীতিমতো উৎসব করা হয়, অর্থাৎ পুরো পদ্ধতিটি বৈধ। আমাদের সমাজে কিন্তু বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানো অপরাধের পর্যায়েই পড়ে।

ভারতে এখনও  যৌনশিক্ষাকে স্কুলপাঠ্য করা হবে কিনা, তা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক থাকলেও ছবিটা একেবারে অন্য রকম নিউগিনির পাপুয়াতে। ৬ থেকে ৮ বছরের শিশুদের যৌনসম্পর্কে লিপ্ত হওয়ার রেওয়াজ রয়েছে সেখানে।

একুশ শতাব্দীতেও যখন প্রাক-বিবাহ যৌনতা নিয়ে স্বচ্ছন্দ হয়ে উঠতে পারেনি আমাদের সমাজ, সেখানে বহু বছর আগে থেকে ‘সাময়িক’ যৌনসঙ্গী বাছাইয়ে সম্মতি দেয় ইরান। মহিলা এবং পুরুষ নির্ধারিত সময়ের জন্য এক সঙ্গে থেকে পরস্পরের যৌনজীবন সম্পর্কে বুঝে নিতে পারেন ইরানের নাগরিকরা।

যৌন নাচ, বিবস্ত্র হয়ে ঝর্ণার জলে স্নান করা হাইতির ধর্মীয় আচারের অংশ। প্রতি বছর জুলাই মাসে ভালোবাসার দেবতাকে উৎসর্গ করেই অনুষ্ঠিত হয় এমন আজব যৌন লোকাচার।

পৃথিবীর বাকি সব প্রান্তে হস্তমৈথুন নিয়ে নানা গোপনীয়তা থাকলেও মিশরে তা নয়। মিশরীয় পুরাণে কথিত আছে, সৃষ্টির দেবতা অ্যাটাম তাঁর দুই সন্তান শু এবং তেফনাতের জন্ম দিয়েছিলেন হস্তমৈথুনের মাধ্যমেই।

মঙ্গোলিয়ার রীতিটি বেশ মজাদার। এখানে বয়সে বড়ো মেয়েরা ছেলেদের শেখায় কী ভাবে অন্য মেয়েদের যৌন আনন্দ দিতে হয়। সঙ্গমের সময় মেয়েদের যৌনসুখ ভোগকে এখানে প্রাধান্য দেওয়া হয়। মারকোয়েসাস দ্বীপে আবার ছেলে-মেয়েদের সামনেই সঙ্গমে অভ্যস্ত তাঁদের বাবা মায়েরা।

কম্বোডিয়ার বাবা মায়েরা তাঁদের মেয়ের জন্য তৈরি করে দেন ‘ভালোবাসার ঘর’। সেখানে একাধিক ছেলের সঙ্গে পরিচয়, আলাপ-আলোচনার সুযোগ পায় মেয়েরা। অধিকাংশ সময়ে সেই আলোচনা গড়ায় যৌনসম্পর্কে। এর পর সব দিক ভেবে ঠান্ডা মাথায় নিজের পছন্দের জীবনসঙ্গী বেছে নেন মেয়েরা।

ইন্দোনেশিয়ায় পন উদযাপনের সময় জাভা দ্বীপের পাহাড়ে গিয়ে নিজের জীবনসঙ্গী ছাড়া অন্য কারোর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হওয়ার সুযোগ পায় প্রত্যেকে। সারা বছর জুড়ে পন উদযাপন কালে কেউ যদি টানা সাতবার একই সঙ্গীর সঙ্গে যৌন সংসর্গ করে থাকেন, তবে তাঁর জীবনে ভাগ্য ফিরবে বলে ধরে নেওয়া হয়।

দেশের মধ্যে ছত্তীসগঢ়ের রীতিটিও বেশ আধুনিক। ডিয়ার হর্ন মুরিয়া উপজাতির মধ্যে চল আছে ঘটুলের। এখানে কিশোর কিশোরীরা গান গায়, নাচে, সঙ্গমেও লিপ্ত হয়। মেয়েরা গর্ভধারণ এড়াতে ভেষজ গর্ভ নিরোধক পান করে থাকে। আর তা সত্ত্বেও কোনো ভাবে গর্ভবতী হয়ে পড়লে বাচ্চার দায়িত্ব নেয় গ্রামের লোকেরাই।

(ওপরের সব তথ্যই ইন্টারনেট থেকে পাওয়া। কোনো জনজাতি, বা সংস্কৃতিকে আঘাত করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়।)

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here