খবর অনলাইন ডেস্ক: ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভিড ভ্যাকসিনকে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিল না মার্কিন এফডিএ (US FDA)। ভারতীয় সংস্থার তৈরি কোভ্যাক্সিনকে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন (EUA) দিতে অস্বীকার করেছে আমেরিকার খাদ্য ও ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

ভারত বায়োটেকের মার্কিন অংশীদার ওকুজেন এই ভ্যাকসিনের জরুরি ব্যবহারের অনুমোদনের জন্য আবেদন জানিয়েছিল এফডিএ-র কাছে। ভারত বায়োটেকের মতে, ইউএসএফডিএ আগেই জানিয়েছিল কোনো কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের জন্য নতুন করে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হবে না।

Loading videos...

সেখানে বর্তমানে যে ভ্যাকসিনগুলি ব্যবহৃত হচ্ছে, তাতে করোনা মহামারির প্রকোপ হ্রাস পাচ্ছে। বৃহৎ অংশের জনগোষ্ঠীকে সেই ভ্যাকসিনগুলিই দেওয়া হচ্ছে। ফলে নতুন করে কোনো ভ্যাকসিনের অনুমোদন দেওয়া হবে না বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছিল এফডিএ।

এমন পরিস্থিতিতে কোভ্যাক্সিনের জন্য মার্কিন অনুমোদন পেতে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে ওকুজেন বলেছে, তারা এফডিএর পরামর্শ অনুযায়ী কোভ্যাক্সিনের জন্য বিএলএল (BLA) জমা দেবে। বিএলএ হল এফডিএ-র “সম্পূর্ণ অনুমোদন” সিস্টেম, যার আওতায় ওষুধ এবং ভ্যাকসিন অনুমোদিত হয়।

ভারত বায়োটেক বলেছে, তাদের মার্কিন অংশীদার সংস্থা ওকুজেন এফডিএ-র কাছ থেকে কোভ্যাক্সিনের জন্য বায়োলজিক্স লাইসেন্স অ্যাপ্লিকেশন বা বিএলএ জমা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাতে সমর্থন রয়েছে ভারতীয় সংস্থাটির। সমস্ত আবেদনকারীকেই বিএলএ পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। যাবতীয় মানদণ্ড পূরণ করতে পারলেই অনুমোদন মিলতে পারে। এ ক্ষেত্রে ভ্যাকসিনের অতিরিক্ত ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের তথ্যও জমা করতে হবে।

ভারত বায়োটেক আরও জানিয়েছে, বর্তমানে ১৪টি দেশে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছে কোভ্যাক্সিন। পাশাপাশি ৫০টিরও বেশি দেশে এই প্রক্রিয়া চলছে। তা ছাড়া ভারত বা অন্য কোনো উন্নয়নশীল দেশে তৈরি কোনো ভ্যাকসিনই এখনও পর্যন্ত এফডিএ-র সম্পূর্ণ অনুমোদন পায়নি। ফলে কোভ্যাক্সিন ছাড়পত্র পেলে, সেটা ভারত বায়োটেকের কাছে একটা বড়ো সাফল্য হিসেবেই বিবেচিত হবে।

আরও পড়তে পারেন: কোভিশিল্ডের দ্বিগুণ, বিদেশি স্পুটনিক ভি-র থেকেও বেশি কোভ্যাক্সিনের দাম, কেন?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.