আটক করা মার্কিন দ্রোন আমেরিকাকে ফেরত দিল চিন

0

ওয়াশিংটন: ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ১৭ ডিসেম্বর টুইট করেছিলেন, “চোরাই মালটা চিনই রেখে দিক”। কিন্তু বাস্তবে চিনের হাত থেকে আটক হওয়া দ্রোনটি ফেরত পেয়ে আমেরিকা বলেছে, দক্ষিণ চিন সাগরের গভীরে ডুবে ওই দ্রোনটির সামুদ্রিক তথ্য সংগ্রহের ঘটনাটি আন্তর্জাতিক বিধির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তারা এই বিষয়টি তদন্ত করে দেখবে। পাশাপাশি বলে রেখেছে, তারা আন্তর্জাতিক আইন মেনে “দক্ষিণ চিন সাগরে বিমান ওড়াবে, জাহাজ চালাবে এবং অন্যান্য কাজকর্ম চালিয়ে যাবে”।

অন্যদিকে চিনও আটক করা দ্রোনটি আমেরিকাকে ফিরিয়ে দিয়ে সরকারি বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘হস্তান্তর’ প্রক্রিয়া ‘চিন ও আমেরিকা, দু’পক্ষের পক্ষে বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে”। গত ১৫ ডিসেম্বর দক্ষিণ চিন সাগরের যে জায়গা থেকে চিন সেটিকে আটক করেছিল, তার কাছেই সুবিক উপসাগরের ৯২ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে দ্রোনটি মার্কিন কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেয় তারা।

গত ১৫ ডিসেম্বর চিন দ্রোনটি আটক করার পর থেকেই দুনিয়ার দুই মহাশক্তির মধ্যে সম্পর্ক খারাপ হতে থাকে। আমেরিকা বলে, সামুদ্রিক তথ্য, জলে লবণের ভাগ, তাপমাত্রা, আবহাওয়ার স্বচ্ছতা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের জন্যই সেটিকে ওখানে রাখা হয়েছিল। তারা দ্রোনটি ফেরৎ চায় এবং কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা শুরু করে। এর মধ্যেই চিনকে দ্রোনটি রেখে দিতে বলে টুইট করেন ট্রাম্প। চিন বলে, ট্রাম্প মোটেই ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতো আচরণ করছেন না।

দ্রোন আটকের ঘটনা সরকারি ভাবে জানানোর একদিন আগেই চিন ঘোষণা করেছিল, বিতর্কিত দক্ষিণ চিন সাগরে তাদের তৈরি কৃত্রিম দ্বীপে তারা অস্ত্র ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে।

গত জুলাই মাসে, হেগের আন্তর্জাতিক আদালত জানিয়ে দিয়েছিল, দক্ষিণ চিন সাগরের অধিকার কেবল মাত্র ফিলিপিনসের, চিনের সেখানে কোনো “ঐতিহাসিক অধিকার” থাকতে পারে না। চিন অবশ্য সেই রায়কে যথাযথ বলে মেনে নেয়নি। তারা বলেছিল, ওই রায়ে সাগরে তাদের “আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব এবং জাহাজ চালানোর অধিকার” কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্থ হবে না।

------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.