ওয়েবডেস্ক:  খাদ্যাভাব সে দেশে নিয়মিত ঘটনা। আর তার জেরেই শিশু অপুষ্টির হার ক্রমাগতই বেড়ে চলছে দেশ জুড়ে। অগত্যা ভেনিজুয়েলা সরকার চালু করল এক প্রকল্প। ঘরে ঘরে খরগোশের চাষ করতে উৎসাহ দেবে সরকার। আর এই খরগোশেরাই খিদে মেটাবে লক্ষ লক্ষ অভুক্ত প্রাণের। বাড়ির মধ্যেই খরগোশ চাষের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেবেন সরকারি আধিকারিকরা।

প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মুদরো নিজেই সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন ভেনিজুয়েলার বেশ কিছু বন্ড না কেনার নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন ব্যাংকগুলোকে। ট্রাম্প নিজে নাকি সে দেশের সঙ্গে ‘সামরিক সমাধান’-এ বেশি আগ্রহী।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অস্বস্তিদায়ক সম্পর্ক, মুদ্রাস্ফীতি এবং অন্যান্য অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমস্যা ক্রমাগতই গ্রাস করছে ভেনিজুয়েলাকে। শিশু অপুষ্টির মাত্রা সেখানে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে বেশ কিছু আগেই। এ হেন অবস্থায় দেশবাসী, বিশেষ করে, দেশের শিশুদের অপুষ্টির হার কমাতে ঘরে ঘরে খরগোশের চাষকেই ফলপ্রসূ মনে করছেন প্রেসিডেন্ট মুদরো। অবশ্য এই ভাবনার জন্য তাঁকে সমালোচিতও হতে হচ্ছে আকছার। দেশের নগর কৃষিমন্ত্রী ফ্রেডি বার্নাল জানিয়েছেন, “আমাদের সংস্কৃতিতে আমরা খরগোশকে চিরকাল মিষ্টি একটি প্রাণী হিসেবেই দেখে এসেছি। এমন অনেক দেশই আছে, যেখানে নিয়মিত খরগোশ খাওয়া হয়, কিন্তু আমাদের দেশে তেমনটা আগে কখনও হয়নি।”

প্রেসিডেন্টের পরামর্শকে ব্যঙ্গ করে অনেকেই আবার বলছেন, “খরগোশ তো আসলে পোষ্য নয়, উচ্চ প্রোটিনযুক্ত কিলো দুয়েক মাংস”।