পিয়ংইয়ং: নতুন ভাবে নিষেধাজ্ঞা এবং দেশটাকে সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক আখ্যা দিয়েও দমানো গেল না উত্তর কোরিয়াকে। ফের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করল তারা।  নিজেদের ইতিহাসে সব থেকে দূরগামী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি পরীক্ষা করেই উত্তর কোরিয়ার হুমকি, “পুরো যুক্তরাষ্ট্র এখন আমাদের আয়ত্তে।”

যুক্তরাষ্ট্রের আধিকারিকদের মতে, ১৫ সেপ্টেম্বরের উত্তর কোরিয়ার পরীক্ষা করা এই প্রথম ক্ষেপণাস্ত্রটি, যার নাম হোয়াসং-১৫ উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল সাইন নি অঞ্চল থেকে। ৫২ মিনিট ধরে প্রায় এক হাজার কিলোমিটার উড়ে জাপান সমুদ্রে পড়ে যায় এটি। যে অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্রটি পড়ে, সেখান থেকে জাপানের মূল ভূখণ্ড মাত্র ৩৭০ নটিক্যাল কিলোমিটার।

এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষার পড়ে উত্তর কোরিয়ার সর্বেসর্বা কিম জং উন বলেন, “আমি গর্বের সঙ্গে বলতে চাই যে পরমাণু শক্তির বিচারে আমরা যে লক্ষ্যে পৌঁছোতে চেয়েছিলাম, সেটা অর্জন করেছি।”

এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পরে অন্য বারের থেকে কিছুটা কম আক্রমণাত্মক ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি শুধু বলেন, “এই পরিস্থিতি সামলানো আমাদের কাছে কোনো ব্যাপার না। আমাদের কোনো চিন্তা করতে হবে না।” তবে উত্তর কোরিয়ার ব্যাপারে মার্কিন নীতি যে পালটাবে না সে কথাও বলে দেন ট্রাম্প। তবে মার্কিন বিদেশ সচিব রেক্স টিলেরসন জানিয়ে দেন, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার পথ এখনও খোলা।

পিয়ংইয়ংইয়ের এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার তীব্র নিন্দা করেছে দুই প্রতিবেশী দেশের দুই রাষ্ট্রনেতা, জাপানের শিনজো আবে এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মুন জা ইন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here