বেজিং: সপ্তাহের গোড়ার দিকে মারা গেল ‘পান পান’। সে ছিল দুনিয়ার সবচেয়ে প্রবীণ পুরুষ পান্ডা। তার বয়স হয়েছিল ৩১ বছর। চিনা কনজারভেশন অ্যন্ড রিসার্চ সেন্টারের বিশেষজ্ঞদের মতে, পান্ডাদের এই বয়স মানুষের ১০০ বছরের সমান।   

‘পান পান’-কে পান্ডা সমাজের ঠাকুরদা বলা হত। বর্তমানে তার বংশধরের সংখ্য প্রায় ১৩০। তারা ছড়িয়ে আছে বিশ্বের বিভিন্ন চিড়িয়াখানায়। ‘পান পান’ নিজে থাকত চিনের দক্ষিণ পশ্চিমের সিচুয়ান প্রদেশে। জীবনের একটা লম্বা সময় সে থেকেছে চিনা কনজারভেশন অ্যন্ড রিসার্চ সেন্টারের দুজিয়াংয়ান শাখায়।

১৯৮৫ সালে ‘পান পান’ জন্মায়। তার পর মাত্র ২ মাস বয়সে তাকে নিয়ে আসা হয় সিচুয়ানে। ১৯৯১ সালে সে প্রথম বাবা হয়। গত বছর থেকেই ক্যান্সারে ভুগছিল ‘পান পান’। অবশেষে হার মানতে হল তাকে। শেষ তিন দিন অসার অবস্থায় পড়ে থাকত দেখা গেছে তাকে। চোখের সামনেই তার মৃত্যু। কিন্তু তা সত্ত্বেও তার দেহ ময়না তদন্তে পাঠানো হয়।

গত অক্টোবরে সবচেয়ে প্রবীণ মেয়ে পান্ডা ‘জিয়া জিয়া’ মারা গেছে।

এই পাণ্ডারা লুপ্তপ্রায় প্রজাতি সংরক্ষণের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। আগে এদের ‘এনডেনজার্ড’ হিসেবে পরিচিতি ছিল। কিন্তু গত এক দশকে এদের সংখ্যা ১৬% বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার এখন পান্ডাদের ‘ভালনারেবল’ শাখা হিসেবে চিহ্নিত করছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here