বেজিং: ১২ হাজার কিলোমিটার অর্থাৎ প্রায় সাড়ে সাত হাজার মাইলের বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম রেল পথের ফিরতি লাইন চালু হল। শনিবার ট্রেনটি লন্ডন থেকে চিনে এসে পৌঁছলো। এই পথ অতিক্রম করতে সময় লাগল ২০ দিন। এপ্রিলের ১০ তারিখে ট্রেনটির যাত্রা শুরু হয় লন্ডন থেকে। ফ্রান্স, বেলজিয়াম, জার্মানি, পোল্যান্ড, বেলারুশ, রশিয়া, কাজাখাস্তান হয়ে চিনের ঝেজিয়াং প্রদেশের ইউ পশ্চিম রেল স্টেশনে এসে পৌঁছয় ট্রেন। ট্রেনটি ওষুধপত্র, মদ, শিশুখাদ্য, যন্ত্রপাতি বোঝাই ছিল। উদ্দেশ্য পশ্চিম ইউরোপের সঙ্গে চিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক শক্তিশালী করাই এই রেল লাইনের উদ্দেশ্য। এই উদ্দেশ্যে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই এই স্টেশন থেকেই লন্ডনের দিকে প্রথম ট্রেন পাঠিয়েছিল চিন।

এই পথকে ‘নয়া সিল্ক রুট’ বলে আগেই জানিয়েছেন চিনের প্রেসিডেন্ট জি জিনপিং। ২০১৩ সালেই এই ‘এক অঞ্চল, এক পথ’ (ওয়ান বেল্ট ওয়ান রুট) প্রকল্পের নকশা ছকে ফেলা হয়। এর পর কোটি কোটি টাকা খরচ করে প্রস্তুত করা হয় এই রেল পথ।

আরও পড়ুন : চালু হল চিন-লন্ডন ট্রেন: ১২০০০ কিলোমিটার, ১৮ দিন

চিনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, প্রথম যাত্রায় নির্ধারিত সময়ের থেকে ২ দিন বেশি লেগেছে।

এই রেল পথে পণ্য পরিবহনে বিমানের থেকে খরচ অনেক কম আর জাহাজের থেকে সময় কম লাগে প্রায় ৩০ দিন। যদিও জাহাজের থেকে ট্রেনের পণ্য পরিবহণক্ষমতা অনেকটাই কম।

ফলে এই রেলপথ বাণিজ্যের জন্য কতটা লাভজনক, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিশেষজ্ঞ মহলে। যদিও কারও কারও মতে, লাভ-ক্ষতির হিসেব করতে হবে দীর্ঘ মেয়াদে।

প্রসঙ্গত, এই রেলপথটি ট্রান্স সাইবেরিয়ান রেল পথের থেকে বড়ো। কিন্তু ২০১৪ সালে চালু হওয়া চিন-মাদ্রিদ রেলপথের থেকে প্রায় ১০০০ কিলোমিটার ছোটো।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here