বডোদরা : দেশটা স্বাধীন হয়েছিল ১৯৪৯ সালে। ভারত স্বাধীন হওয়ার বছর দুয়েক পরে। অথচ বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে এখন টক্কর দিচ্ছে জাপানের সঙ্গে। শিক্ষাব্যবস্থাতেও পাল্লা দিচ্ছে প্রথম বিশ্বের যে কোনো দেশের সঙ্গে। শিক্ষাক্ষেত্রে চিনের পরিকাঠামোর তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে ভারত, বললেন নোবেলজয়ী বেঙ্কটরমন রামকৃষ্ণন।

ভারতীয় বংশোদ্ভুত নোবেলজয়ী সংবাদমাধ্যমকে জানান, “বেজিং কিংবা সাংহাই-এর মতো শহরগুলোতে  শিক্ষার পরিকাঠামোর অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটেছে শেষ কয়েক বছরে। সেই তুলনায় এখনও অনেক পিছিয়ে রয়েছে ভারত। বিদেশ থেকে নোবেলজয়ী অধ্যাপকদের দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অধ্যাপনার জন্য আনতে হলে যেটুকু পরিকাঠামো থাকা দরকার, সেটুকুও নেই এদেশে”। তবে উচ্চশিক্ষায় এবং চাকরির ক্ষেত্রে মগজ চালানের অভিযোগ সব সময়ই ছিল ভারতীয়দের বিরুদ্ধে। বেঙ্কটরমন অবশ্য এই প্রসঙ্গে আশার আলো দেখালেন। বললেন, আজকাল অনেকেই বিদেশে গবেষণার পর হাজার অসুবিধা সত্ত্বেও ফিরে আসার চেষ্টা করছেন দেশে। ভারতের জন্য এটা নিঃসন্দেহে ইতিবাচক।

কেন্দ্রের বিমুদ্রাকরণের নীতিকে সমর্থন করে তিনি বলেন, অর্থনীতি ক্যাশলেস হলে দুর্নীতিও কমতে বাধ্য।  দেশের উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে মৌলিক গবেষণার কাজের ওপর জোর দেওয়ার কথাও বলেন নোবেলজয়ী এই রসায়নবিদ। তাঁর মত, “একই সঙ্গে সরকারের যেমন উচিত বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে বিনিয়োগে উদ্যোগী হওয়া, তেমনি দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির দিকে নজর রাখাটাও জরুরি। তবে রাতারাতি এই পরিবর্তন সম্ভব নয়।” 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here