Child-deac-body

কলকাতা: দক্ষিণ কলকাতার হরিদেবপুরের ২১৫, রাজা রামমোহন রায় রোডের পাশে একটি ঘেরা জায়গা থেকে উদ্ধার হল ১৪টি সদ্যোজাত শিশুর মৃতদেহ।

ওই ঘেরা এলাকাটি বর্তমানে একটি নির্মাণকারী সংস্থা ঘিরে রেখেছিল। অব্যবহৃত ওই জায়গাটি ঝোপঝাড়ে ঢেকে রয়েছে দীর্ঘ দিন ধরেই। রবিবার কাজের জন্য সেই জায়গাটি পরিষ্কার করতে গিয়েই একের পর এক প্যাকেটগুলি নজরে আসে। পরিপাটি করে প্যাকেটে মুড়ে রাখা বেশকিছু দেহে পচন ধরে গিয়েছে। কর্মীরা মৃতদেহগুলি দেখার পরই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয় মানুষ এলাকার কাউন্সিলারকে খবর দিতেই এলাকায় চলে আসেন পুলিশ-প্রশাসনের কর্তারা।

ঘটনাস্থলে আসেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমার। তবে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। পুলিশ সূত্রে খবর, এলাকার পার্শ্ববর্তী কোনো নার্সিংহোম বা গর্ভপাত করানোর কেন্দ্র থেকে অবৈধ ভাবে এই সদ্যোজাতের মৃতদেহগুলিকে এখানে জমা করা হয়ে থাকতে পারে। অন্য দিকে মেয়র জানিয়েছেন, তাঁরা খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে আসেন। কী ভাবে দিনের পর দিন এই ঘটনা ঘটে চলেছে, সে ব্যাপারে পুলিশ তদন্ত করছে। তিনি বলেন, প্রাথমিক ভাবে বোঝা যাচ্ছে, দুর্গন্ধ এড়াতে রাসায়নিক ব্যবহার করা হতো।


আরও পড়ুন: শ্যামবাজারে ম্যানহোল থেকে উদ্ধার মৃত শিশুকন্যার দেহ

স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, জায়গাটিতে দুষ্কৃতীদের আনাগোনা ছিলই। কিন্তু ভিতরে ভিতরে যে এমন ভয়ঙ্কর কাণ্ড ঘটে চলেছে, তা ঘূণাক্ষরেও টের পাননি। তাঁদের ধারণা, বহু দিন ধরেই এই কাজ এখানে চলতে পারে। ১৪টি সদ্যোজাতের মৃতদেহ উদ্ধার হলেও এখানে আরও বেশি সংখ্যক মৃতদেহ ফেলা হয়ে থাকতে পারে। অবৈধ গর্ভপাত এর নেপথ্য কারণ হতে পারে বলে তাঁরাও মনে করছেন। তবে পুলিশ ঘটনার তদন্তে একাধিক সূত্র অবলম্বন করে এগোচ্ছে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন