কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে শহরে দুই প্রৌঢ়ের আত্মহত্যা, এক প্রৌঢ়ার রহস্যমৃত্যু

মাত্র কয়েকঘণ্টার ব্যবধানে এই তিনটে মৃত্যু শহরকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে।

0
Suicide
প্রতীকী ছবি

কলকাতা: প্রবীণ নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে কলকাতা পুলিশ। এরই মধ্যে আবার বয়স্ক নাগরিকদের মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল কলকাতা শহরে। মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে শহরে আত্মহত্যা করলেন দুই প্রৌঢ়। তার আগের রাতে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল এক প্রৌঢ়ার।

শুক্রবার সকালে অল্প সময়ের ব্যবধানে কলকাতার দুই অঞ্চলে আত্মহত্যা করেন ওই দুই ব্যক্তি। প্রথম ঘটনাটি ঘটে হরিদেবপুর থানার অন্তর্গত এমজি রোডের এক আবাসনে। সকাল সাড়ে সাতটার কিছু পরে একটি অভিজাত আবাসনের চার নম্বর টাওয়ারের আটতলা থেকে ঝাঁপ দেন বছর চুয়ান্নর প্রমোদ জালান। যদিও প্রতিবেশীদের অনেকে মনে করছেন, ঝাঁপ নয়, আটতলা থেকে তিনি কোনো ভাবে নীচে পড়ে গিয়েছেন। ওই অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে এমআর বাঙুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেছেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হরিদেবপুর থানার পুলিশ।

আরও পড়ুন কলকাতার দুটো উড়ালপুল বিপজ্জনক, ভারী যান চলাচল বন্ধের নির্দেশ

অপর ঘটনাটি ঠিক এর এক ঘণ্টার মধ্যে। ঘটনাস্থল দক্ষিণ বেহালা রোডের আনন্দনগরের একটি আবাসন৷ ওই বহুতলেরও আটতলা থেকে ঝাঁপ দেন নগেন চন্দ্র ভাওয়াল নামে পঞ্চাশোর্ধ এক প্রৌঢ়৷ তাঁকে উদ্ধার করে বিদ্যাসাগর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন৷ কী কারণে মৃত্য হল, তা জানতে তদন্তে নেমেছে ঠাকুরপুকুর থানার পুলিশ।

অন্য দিকে বৃহস্পতিবার রাত ন’টা নাগাদ যাদবপুর থামার বিজয়গড়ে নিজের বাড়ি থেকে গলায় শাড়ির ফাঁস দেওয়া অবস্থায় উদ্ধার করা হয় বছর সাতান্নর মায়া দত্তর দেহ। পরিবারের সদস্যরাই তাঁকে উদ্ধার করে এমআর বাঙুর হাসপাতালে নিয়ে যান বলে খবর। যদিও তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। পরিজনদের দাবি অনেক দিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন এই প্রৌঢ়া। মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে এই তিনটে মৃত্যু শহরকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে।

------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.