কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে বসার চেয়ারও পেলেন না রাজ্যপাল!

0
jagdeep dhankar
ফাইল ছবি

কলকাতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে অস্বস্তিতে পড়লেন রাজ্যপাল জগদীপ ধানখড়। বুধবার আচমকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে তিনি দেখা পাননি উপাচার্য, সহ-উপাচার্য এমনকী রেজিস্ট্রারেরও। কার্যত বসার জন্য তাঁকে চেয়ার এগিয়ে দেওয়ার জন্যও কেউ ছিলেন না সেখানে। পুরো ঘটনায় ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল এমনও মন্তব্য করেন, এই ঘটনায় তাঁকে পরিকল্পনামাফিক অপমান করা হয়েছে।

এ দিন দুপুরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে যান রাজ্যপাল। সাংবিধানিক নিয়মানুযায়ী, তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য। কিন্তু তাঁকে স্বাগত জানানোর জন্য সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পদাধিকারীদের কাউকে দেখা যায়নি। ফলে তাঁর বসার জন্য চেয়ার এগিয়ে দেওয়ার মতোও কেউ ছিলেন না। বাধ্য হয়ে তিনি নিরাপত্তারক্ষীর চেয়ারে বসেই চা পান করেন।

এমনিতে বুধবার নির্ধারিত সেনেট বৈঠকের কথা ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেই মোতাবেক রাজ্যপালকে চিঠি দিয়ে ৪ ডিসেম্বর সেনেট বৈঠকের সম্মতি চেয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু ঠিক আগের দিন সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দেবাশিস দাস আচমকা বিভাগীয় প্রধানদের জানিয়ে দেন, অনিবার্য কারণে বৈঠক স্থগিত রাখা হয়েছে। নিয়মানুযায়ী, ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করার কথা ছিল রাজ্যপালের।

পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সেনেট বৈঠক বাতিলের কথা জানানো হয়েছিল রাজ্যপালকে। এই সিদ্ধান্ত জানার পরই তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে রাজভবনে ডেকে পাঠান। কিন্তু তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো প্রতিনিধি রাজভবনে যাননি। সে ক্ষেত্রে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে শিক্ষা দফতরের আপত্তি নিয়েও সরব হন ধানখড়।

[ আরও পড়ুন: অনুপম হাজরাকে গ্রেফতারের চেষ্টা করতেই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের ]

বুধবার নির্ধারিত ওই বৈঠক বাতিল হলেও রাজ্যপাল দাবি করেছেন, তিনি যে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবেন, সে কথা আগেই জানিয়েছিলেন। তবে বৈঠক বাতিল হওয়ার পরেও তিনি কেন আচমকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলেন, সে বিষয়ে একটা প্রশ্ন রয়েই গেল!

------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.