binding rakhi at old age home
বৃদ্ধাশ্রমে রাখি পরানো। নিজস্ব চিত্র।

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাখিপূর্ণিমার দিনটা নিয়ে অনেক পুরাণ লৌকিক ঐতিহাসিক কাহিনি আমরা কম বেশি অনেকেই জানি। কিন্তু এ বারে গল্প বলব একটু অন্য রকমের। অনাথাশ্রম আর বৃদ্ধাশ্রমের নিঃসঙ্গ কিছু মানুষের, যারা প্রতি বছর অপেক্ষায় থাকে রাখির দিনটার জন্য। অপেক্ষায় থাকে একদল আনন্দের ফেরিওয়ালার আসার প্রত্যাশায়। যারা আসে, রাখি পরায়, মিষ্টি খাওয়ায়, উপহার দেয়। আনন্দ করে তাদের নিয়ে।

'few dreamer' at adyapith
আদ্যাপীঠে ‘ফিউ ড্রিমার’। নিজস্ব চিত্র।

আর এই আনন্দের ফেরিওয়ালারা হলেন এক দল স্বপ্নসন্ধানী। যাদের নাম ফিউ ড্রিমার। ফিউ ড্রিমার হল একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। অন্যদের থেকে একটু আলাদা ভাবে স্বপ্ন দেখে তারা।

সেইমতোই রাখিপূর্ণিমার দিনে অনাথ শিশু আর বৃদ্ধাশ্রমের সম্বলহীন মানুষদের রাখি পরিয়ে দিনটি উদযাপন করে তারা। এই কর্মকাণ্ড চলছে প্রায় ছয় বছর ধরে।

at old age care unit
বৃদ্ধাশ্রমে। নিজস্ব চিত্র।

ব্যতিক্রম নেই এ বছরেও। আদ্যাপীঠের প্রায় ১৫০ জন শিশুকে রাখি পরালেন সংস্থার সদস্যরা। বাদ যায়নি সংস্থার খুদে সদস্যরাও। সঙ্গে শিশুদের হাতে তুলে দেওয়া হল চকোলেট, মিষ্টি, খাতা, পেনসিল, রঙ, বইয়ের ব্যাগ, টিফিনবাক্স, সংস্থার সদস্যদের নিজে হাতে তৈরি কেক। পরিয়ে দেওয়া হল সংস্থার শিশুদের ছোট্টো ছোট্টো হাতে তৈরি উলের রাখি।

এ পর তাঁরা পৌঁছে যান আনন্দ নিকেতন বৃদ্ধাশ্রমে। সেখানেও তাঁরা বয়স্ক-বয়স্কাদের হাতে পরিয়ে দেন রাখি। উপহার দেন নতুন লুঙ্গি, নাইটি, মিষ্টি, কেক, বিস্কুট-সহ নানান জিনিস।

সংস্থার পক্ষ থেকে মুনমুন নন্দী জানান, এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছে রাখির দিনটিকে মিলন-বন্ধন বা মৈত্রী-বন্ধনের দিন হিসেবে পালন করার প্রচেষ্টা।

এটি এক প্রকার পাশে থাকার অঙ্গীকার। সেইমতোই গোটা উদ্যোগ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন