Connect with us

কলকাতা

দর্জিপাড়া দাঁ বাড়িতে দশমীতে দেবীকে বরণ করেন পুরোহিতমশাই

দাঁ বাড়িতে দেবী অসুরদলনী দশভুজা নন, এখানে তিনি দ্বিভূজা, প্রসন্নবদনা এবং সিংহাসীনা।

Published

on

দাঁ বাড়ির অভয়াদুর্গা।

শুভদীপ রায় চৌধুরী

শুরু হয়ে গেল দেবীপক্ষ। বনেদিবাড়িতে শুরু হয়ে গিয়েছে পুজোর প্রস্তুতি। দিন কয়েকের মধ্যেই ঠাকুরদালান সেজে উঠবে আলোর মালায়। বাংলার কিছু বনেদিবাড়িতে দেবীর অভয়ারূপের পুজো হয়, অর্থাৎ দেবী এখানে সকল ভক্তকে অভয়দান করছেন।

চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের চণ্ডীকে অভয়াচণ্ডী নামেও অভিহিত করা হয়। সেখানে তিনি রণংদেহী নন, তিনি সেখানে বিন্ধ্যবাসিনী কাত্যায়নী। সেই চণ্ডীমঙ্গলে বনের পশুদের যেমন অভয়প্রদান করছেন ঠিক তেমনই কালকেতুকেও বরপ্রদান করছেন। অর্থাৎ সেই অভয়ারূপ থেকেই দুর্গার অভয়ারূপ এসেছে। মা দুর্গার অভয়ারূপের    আরও একটি ব্যাখ্যা রয়েছে। দেবীর হাতে শূলবিদ্ধ হওয়ার সময় তাঁর কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করেন মহিষাসুর। দেবী তাঁকে ক্ষমা করে দিয়ে অভয় দান করেন। সেই থেকে মা দুর্গার অভয়ারূপ।

এই পর্বে কলকাতার এমন এক বনেদিবাড়ির দুর্গাপূজার কথা বলা হবে যেখানে মা পূজিত হন অভয়াদুর্গা রূপে। 

এক দিকে যখন মোঘল রাজশক্তি প্রায় লুপ্ত হতে বসেছে, অপর দিকে ইংরেজ ‘বণিকের মানদণ্ড রাজদণ্ড’ রূপে দেখা দিতে শুরু করেছে, ঠিক সেই সময়ে (১৭৩৪ খ্রিস্টাব্দ) দাঁ বংশের পূর্বপুরুষ দয়ারাম দাঁ বাঁকুড়া জেলার কোতলপুর গ্রামের পৈতৃক বসতি ত্যাগ করে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের আশায় শ্রীধর জিউকে সঙ্গে নিয়ে চলে আসেন কলকাতায়। কলকাতার সুতানুটি অঞ্চলের এক পল্লিতে এসে নিজের বসতবাড়ি তৈরি করেন, পরবর্তীকালে সেই পল্লিটি ‘দর্জিপাড়া’ নামে পরিচিত হয়।

১৭৩৫ সালে দয়ারাম দাঁ বড়োবাজার এলাকায় একটি মশলার দোকানের পত্তন করেন যা ‘দয়ারামের পশারী’ নামেই বিখ্যাত। পরবর্তী কালে দাঁ বংশের উত্তরসুরিরা কয়লার খনি, পাট, মোম, মধু ইত্যাদি ব্যাবসায় শ্রীবৃদ্ধি লাভ করেন ও প্রভূত সম্পত্তির মালিক হন।

১৭৬০ সালে রামনারায়ণ দাঁ মা দুর্গাকে অভয়া রূপে পুজো করতে শুরু করেন। এই অভয়া রূপে পুজো করার পেছনে রয়েছে এক বিশেষ কাহিনি। রামনারায়ণ দাঁ তাঁর একমাত্র কন্যা দুর্গারানির খুবই অল্প বয়সে বিবাহ দিয়েছিলেন। বিবাহের পর প্রথম দিন দুর্গারানি যখন বাপের বাড়িতে এলেন মাঙ্গলিক ক্রিয়াকর্মের (ধুলা পায়ের দিন) জন্য, সে সময়ে তিনি কলেরা রোগে আক্রান্ত হন এবং কিছু দিনের মধ্যেই মারা যান। সেই থেকে দাঁ বংশে ‘ধুলা পায়ের দিন’ নামের মাঙ্গলিক ক্রিয়াটি বন্ধ হয়ে যায় এবং রথযাত্রায় কাঠামোপুজোর পর থেকে মহাপূজা অবধি কোনো কন্যার বিবাহ দেওয়া হয় না।

কন্যার মৃত্যুতে রামনারায়ণ খুবই ভেঙে পড়েন এবং তাঁর স্ত্রীকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য তিনি কন্যা রূপে অভয়াদুর্গার পুজো শুরু করেন। রামনারায়ণ দাঁ দেবীকে মাতৃ রূপে নয় নিজের কন্যা রূপেই পুজো করেছিলেন। তাই দাঁ বাড়িতে দেবী অসুরদলনী দশভুজা নন, এখানে তিনি দ্বিভূজা, প্রসন্নবদনা এবং সিংহাসীনা। অর্থাৎ এই বাড়িতে মহামায়া সিংহবাহিনী নন তিনি এখানে সিংহাসনের ওপর অধিষ্ঠিতা এবং পরম কল্যাণের আধার। তাই তিনি কল্যাণী। তাঁর পায়ে নূপুর এবং তাঁকে ঘিরে রয়েছেন সন্তানেরা, একদম বাড়ির ছেলেমেয়েদের মতন। এই অপূর্ব একচালার অভয়ারূপ দাঁ বাড়ির ঠাকুরদালানকে আরও মহিমান্বিত করে।

দাঁ বাড়িতে কুমারীপুজো।

এই বাড়ির প্রতিমা তৈরি করতেন উত্তর কলকাতার স্বনামধন্য শিল্পী খগেন্দ্রনাথ পালের বংশধরেরা। তবে বর্তমানে কাশীপুর নিবাসী শিল্পী গোবিন্দ দে মূর্তি তৈরি করছেন। প্রাচীন কাল থেকে যে রীতিতে দুর্গাপুজো হত এখনও সেই রীতি মেনেই পুজো হয় এবং পাশাপাশি পারিবারিক কুলদেবতা শ্রীধর জিউয়ের সেবাও হয় নিষ্ঠাসহকারে।

রামনারায়ণ দাঁ মহাশয়ের পৌত্র হরেকৃষ্ণ দাঁ পূর্বপুরুষদের মতনই ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি ছিলেন। তাঁর জীবনে শাক্তি এবং বৈষ্ণবভাবের অপূর্ব সংমিশ্রণ ঘটে। অর্থাৎ তিনি শাক্তধর্মে দীক্ষিত হয়েও বৈষ্ণবধর্মের পৃষ্ঠপোষকতা করতেন। কলকাতার বাসভবনে এক বিরাট গ্রন্থাগারও নির্মাণ করেছিলেন। সেই সময়ে বহু খ্যাতনামা ব্যক্তিবর্গ আসতেন তাঁর গ্রন্থাগারে এবং আলোচনা হত সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক নিয়ে। এই সূত্রে নবদ্বীপ, ভাটপাড়া, শান্তিপুর-সহ বিভিন্ন স্থানের পণ্ডিতমহলে তাঁর সুনাম বৃদ্ধি পায়।

উত্তর কলকাতার এই প্রসিদ্ধ দাঁ বংশের সদস্যরা আজ বহু শাখায় বিভক্ত। দর্জিপাড়া ছাড়াও কাশীপুর, বরানগর, শিবপুর, ঠনঠনিয়া প্রভৃতি জায়গায় দাঁ বংশের সদস্যরা আছেন। ১৯৩৪ সালে অভয়াদুর্গার স্থায়ী দালান-সহ দর্জিপাড়ার পুরোনো বাড়ির কিছু অংশের জমি সিআইটি (ক্যালকাটা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট) নেয় নতুন রাজপথ নির্মাণের জন্য। তাই বর্তমানে অভয়াদুর্গার পুজো দাঁ পরিবারের সকল বাড়িতেই পালা হিসাবে হয়। প্রতি বছরই সেবায়েতদের নিজের বাড়িতে দেবীর পুজো হয়। তবে বর্তমানে ধর্মদাস দাঁ ও স্বরূপচাঁদ দাঁ বংশের সদস্যরা মহাপূজার আয়োজন করে আসছেন গত কয়েক বছর ধরে।

দাঁ বাড়িতে প্রতিপদের দিন দেবীর বোধন হয় এবং তার পর পুজোর চারটি দিন পরিবারের সকল সদস্য এক সঙ্গে নিষ্ঠা সহকারে পুজো করেন মা অভয়ার। সপ্তমীর দিন গঙ্গায় নিয়ে গিয়ে স্নান করানো হয় নবপত্রিকাকে।

বলা বাহুল্য, এই দাঁ বাড়িতেই প্রথম শুরু হয় অভয়াদুর্গার পুজো। এই বাড়িতে পুজোর আচার হিসাবে ধুনোপোড়ানো (মহাষ্টমীর দিন) এবং কুমারীপুজোও অনুষ্ঠিত হয়। এই বাড়িতে পুজোর সময় কোনো অন্নভোগ হয় না। দেবীকে গোটা ফল, গোটা আনাজপত্র, শুকনো চাল ও নানান রকমের মিষ্টান্ন নিবেদন করা হয়। সন্ধ্যাবেলায় লুচিভোগ, মিষ্টি ইত্যাদি নিবেদন করা হয়। মহাষ্টমীর সন্ধিপূজায় প্রায় ২৫ কিলো চালের নৈবেদ্যভোগ নিবেদন করা হয়।

এই বাড়ির পুজোয় কোনো বলিদানের প্রথা নেই। দশমীর দিন সকালে দেবীর  দর্পণ-বিসর্জন হয়। দাঁ বাড়ির একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল এই বাড়িতে দশমীর দিন পুরোহিতমশাই বরণ করেন দেবীকে, বাড়ির মহিলারা এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন না এবং তার পর সকলে মিলে উমা-বিদায়ের আয়োজন করেন। এই ভাবেই বহু প্রাচীন ঐতিহ্য মেনেই আজও পুজো করে আসছেন দর্জিপাড়া দাঁ বাড়ির সদস্যরা। তবে এ বছর করোনা ভাইরাসের কারণে ঘটেই পুজো হবে। এ বছর চোরবাগানের দাঁ বাড়িতে মঙ্গলঘটের মাধ্যমে পুজো পাবেন মা অভয়া।

খবরঅনলাইনে আরও পড়ুন

আজও সব প্রথা মেনেই পূজা হয় ৪০০ বছরেরও বেশি প্রাচীন চিত্তেশ্বরী দুর্গার

Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

কলকাতা

আজ ষষ্ঠী: পঞ্চমীর রাতে অচেনা কলকাতা, মাস্ক পরে প্রতিমাদর্শন

পুজোর গন্ধটুকু উপভোগ করতে সাধারণ মানুষ দূর থেকেই দর্শন করছেন দেবীকে, সঙ্গে রয়েছে স্যানিটাইজার আর মাস্ক।

Published

on

Ekdalia Evergreen
একডালিয়া এভারগ্রিনে মায়ের মুখ।

শুভদীপ রায় চৌধুরী

পুজো শুরু হয়ে গিয়েছে, তবে তিলোত্তমার রাস্তাঘাট কেমন যেন অচেনা। সেই চেনা উৎসবের ছবি কোথাও গিয়ে খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। তাই এ বছর শারদীয়াকে মহোৎসব না বলে শুধুমাত্র উৎসব বলেই আখ্যায়িত করা যুক্তিযুক্ত।

সকলের মনের মধ্যে একটা ভয় কাজ করছে। কারণ করোনাভাইরাস জনিত পরিস্থিতিতে আমরা সবাই এখন নানা বিধিনিষেধের মধ্যে আটকে পড়েছি। তবুও উমা বছরে এই চারটি দিনের জন্য আসেন, তাই পুজোর গন্ধটুকু উপভোগ করতে সাধারণ মানুষ দূর থেকেই দর্শন করছেন দেবীকে, সঙ্গে রয়েছে স্যানিটাইজার আর মাস্ক।

উত্তর কলকাতার মতন দক্ষিণ কলকাতার পুজোমণ্ডপগুলিতেও প্রবেশ করতে গেলে প্রতিটি দর্শনার্থীকে বিভিন্ন সুরক্ষাবিধি মান্য করতে হচ্ছে।

ঢাকুরিয়া বাবুবাগান (Babubagan) সর্বজনীন পুজো কমিটির কোষাধ্যক্ষ এবং এ বছরের শিল্পভাবনার অন্যতম অধ্যাপিকা সুজাতা গুপ্তের সঙ্গে কথা হচ্ছিল। তিনি জানালেন তাঁদের পুজোমণ্ডপেও রয়েছে নানা ধরনের সুরক্ষাবিধি।

বাবুবাগান সর্বজনীন।

এ বছর বাবুবাগান সর্বজনীন তুলে ধরেছে বর্ধমান – রূপসী বাংলার গ্রাম-চিত্র। সেখানে যেমন রয়েছে রবীন্দ্র পাঠশালা তেমনই রয়েছে বাড়ির গৃহবধূদের সন্ধ্যায় প্রদীপ দেওয়ার জন্য তুলসীমঞ্চ। এই গ্রামে আপনি দেখতে পাবেন মহিলারা ধান ভানছেন তেমনই দেখবেন কামারদেরও। অর্থাৎ গ্রামবাংলার সমগ্র চিত্র তুলে ধরেছেন সুজাতা গুপ্ত তাঁর ভাবনার মাধ্যমে।

এ বছর তাঁরা সাধারণ দর্শনার্থীদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে স্যনিটাইজারের ব্যবস্থা করেছেন, রয়েছে থার্মাল স্ক্রিনিংএর ব্যবস্থাও। এ ছাড়া দর্শনার্থীরা এক সঙ্গে প্রবেশ করতে পারবেন না মণ্ডপে। তবে বাবুবাগান কমিটির সদস্যরা আরও বলেন, “মাননীয় কলকাতা হাইকোর্টের রায় মেনেই সুষ্ঠু ভাবে এ বছর তাঁরা পুজো পরিচালনা করছেন।”

বাবুবাগান থেকে চলুন যাওয়া যাক যোধপুর পার্ক ৯৫ পল্লিতে (Jodhpur Park 95 Palli)। এদের সংস্কৃতি বিভাগের সম্পাদক নিমাই মণ্ডলের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, এ বছর তাঁদের থিম ‘লৌকিক’। অর্থাৎ মানুষের পাশে থেকে পুজোর অঙ্গীকার, এমনটাই এ বছরের ভাবনা বলে তিনি জানালেন। এই অসাধারণ পরিকল্পনাটি বাস্তবে রূপদান করেছেন শিল্পী সুশান্ত পাল।

যোধপুর পার্ক ৯৫ পল্লী।

পুজো কমিটির উদ্যোগে এ বছর মণ্ডপের গর্ভগৃহে কোনো সাধারণ দর্শনার্থীকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এ ছাড়াও নিমাইবাবুর হিসেবে, পুজো কমিটির সদস্যরা ৪৫ জন করে প্রবেশ করতে পারবেন। প্রতি দিন সম্পূর্ণ মণ্ডপটি স্যানিটাইজ করা হচ্ছে যাতে ভাইরাসের প্রভাবে কোনো মানুষের কোনো ক্ষতি না হয়।

এ বছর ৯৫ পল্লির দুর্গামণ্ডপে মহাষ্টমীর অঞ্জলি দিতে পারবেন না সাধারণ মানুষ, হবে না সিঁদুরখেলাও। মহামান্য হাইকোর্টের বিচারপতি যা রায় দান করেছেন সেই রায় মেনেই পুজো করবেন বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।

দক্ষিণ কলকাতার অন্যতম অগ্রণী দুর্গাপুজো সিংহী পার্ক (Singhi Park) সর্বজনীনের পুজো। দীর্ঘ ৭৯ বছর ধরে তাঁরা ঐতিহ্যের সঙ্গে পুজো করে আসছেন। সিংহী পার্ক সর্বজনীন পুজোকমিটির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য জয়ন্তবাবু জানালেন, এ বছর তাঁদের পুজোর ৭৯তম বর্ষ।

সিংহী পার্ক।

তিনি বলেন, সিংহী পার্ক সর্বজনীন সব সময় সাবেকিয়ানায় বিশ্বাসী, তাই থিমের চমকানি নেই এখানে। পুজোর প্রতিমাশিল্পী প্রদীপ রুদ্র পাল। সাধারণ দর্শনার্থীদের শস্যশ্যামলা বসুন্ধরার আমেজ উপহার দিতেই সিংহী পার্কের সদস্যরা এ বছর তৈরি।

তবে করোনাভাইরাসের কারণে এ বছর পুজোমণ্ডপের সামনে এক সঙ্গে ২০ জনের বেশি দর্শনার্থীর সমাগম চলবে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাইকে মাস্ক পরেই মণ্ডপে প্রবেশ করতে হবে এবং পুজো কমিটির তরফ থেকে দর্শনার্থীদের মাস্ক, স্যানিটাইজার দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এ বছর চন্দননগরের আলোকসজ্জাও হয়নি পুজোমণ্ডপের সামনে। বিসর্জনের দিন কোনো শোভাযাত্রার আয়োজন থাকছে না। সিংহী পার্ক সর্বজনীন এ বছর সমস্ত রকমের নিয়মবিধি মেনে উমার আরাধনায় মগ্ন হয়েছে।

হিন্দুস্তান পার্ক।

দক্ষিণ কলকাতায় মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত ‘হিন্দুস্তান পার্ক সর্বজনীনে’ এ বছর দশমীর দিন সিঁদুরখেলা হচ্ছে না। পুজো কমিটির সম্পাদিকা বীথি বসুর সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, এ বছর তাঁদের পুজো ৫৮তম বর্ষে পদার্পণ করল। বীথিদেবী জানান, এই পুজো ছ’ বছর ধরে মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে এবং থিমের পুজো হচ্ছে। তার আগে সাবেকি পুজো অনুষ্ঠিত হত হিন্দুস্থান পার্কে।

করোনাভাইরাসের কারণে মানুষ যখন বিপর্যস্ত সেই সময় এক অসাধারণ ভাবনা নিয়ে এসেছে এই পুজো কমিটি। ভাবনাটি হল প্রাণবায়ুকেন্দ্রিক, তাই দু’টি ফুসফুসকে তুলে ধরা হয়েছে। কারণ মানুষের শরীরে এই ফুসফুসের অবদান অনস্বীকার্য, তাই সেই ফুসফুসকেই তুলে ধরেছে হিন্দুস্তান পার্ক (Hindustan Park)।

সাধারণ দর্শনার্থীদের গর্ভগৃহে প্রবেশের অধিকার নেই এবং তাদের শারীরিক দূরত্ববিধি মেনে মাস্ক পরে আসতে হবে। তা ছাড়া কমিটির তরফ থেকেও স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া এই পুজোয় কমিটিতে দু’টি স্টল করা হয়েছে – একটি কোভিড সুরক্ষা স্টল আর অন্যটিতে থাকবেন থাকবেন নার্সেরা। এমনই অভিনব উদ্দ্যোগ নিয়েছেন কমিটির সদস্যারা।

যোধপুর পার্ক সর্বজনীন।

এ ছাড়াও একডালিয়া এভারগ্রিন (Ekdalia Evergreen) থেকে শুরু করে যোধপুর পার্ক (Jodhpur Park) সর্বজনীন, সর্বত্রই রয়েছে বিভিন্ন সুরক্ষাবিধি। একডালিয়া এভারগ্রিনের পুজোয় এ বার গর্ভগৃহে প্রবেশের অধিকার পাচ্ছেন না দর্শনার্থীরা, তেমনই যোধপুর পার্ক সর্বজনীনেও আপনাকে বাইরে থেকেই দর্শন করতে হবে দেবীপ্রতিমা।

খবরঅনলাইনে আরও পড়ুন

পুজো কমিটির আর্জি খারিজ করল হাইকোর্ট, দর্শকহীনই রাখতে হবে মণ্ডপ

Continue Reading

কলকাতা

কোভিডবিধি ভেঙে মাস্ক না পরায় কলকাতায় গ্রেফতার ৩ হাজারের বেশি

১০-২০ অক্টোবর পর্যন্ত কমপক্ষে ৩,৪১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Published

on

প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি

কলকাতা: কোভিড-১৯ বিধিকে অবজ্ঞা এবং মাস্ক না পরার অপরাধে শেষ ১০ দিনে কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেফতার তিন হাজারেরও বেশি!

মহানগরে কড়া নজরদারি চালানোর পাশাপাশি গত ১০-২০ অক্টোবর পর্যন্ত কমপক্ষে ৩,৪১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান কলকাতা পুলিশের এক আধিকারিক। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে মাস্ক না পরার জন্যই এদের গ্রেফতার করা হয় বলে জানান তিনি।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার কাছে ওই পুলিশ আধিকারিক বলেন, “…চলতি মহামারির সময় আমরা মাস্ক পরার জন্য সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত করতে একাধিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি নিয়েছি। কিন্তু কিছু মানুষ এটাকে হালকা ভাবে নিয়ে নিয়ম ভাঙছেন। এখন দুর্গাপুজো, চিকিৎসকেরা সতর্ক করে দিচ্ছেন। এই সময় কোভিডবিধি আরও কঠোর ভাবে মেনে চলার ব্যাপারে পদক্ষেপ নিচ্ছি”।

পরিসংখ্যন অনুযায়ী, এই ১০ দিনের মধ্যে সর্বাধিক গ্রেফতার হয়েছে ১৮ অক্টোবর। ওই দিন ৭৩৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই সংখ্যাটি ছিল ৪৯৫।

নাকা চেকিংয়ের পাশাপাশি পুলিশ বাজার অথবা শপিং মলের মতো অন্য়ান্য জায়গায় থেকেই বিধিভঙ্গকারীদের গ্রেফতার করছে।

ওই পুলিশ আধিকারিক জানান, নিউ মার্কেট, গড়িয়াহাট, লেক মার্কেট-সহ জনবহুল জায়গাগুলিতে কড়া নজরদারি চলছে। মাস্ক না পরলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে সেখান থেকে।

রাজ্যের করোনা পরিস্থিতির আপডেটের জন্য ক্লিক করুন এখানে: খবর অনলাইন

Continue Reading

কলকাতা

আজ পঞ্চমী: দর্শনার্থীদের সুরক্ষায় কলকাতার পুজো-উদ্যোক্তারা নিচ্ছেন নানা ব্যবস্থা

করোনাভাইরাসের কারণে মহোৎসব উদযাপনে নানা রকমের নিষেধাজ্ঞা জারি হলেও পুজোর আনন্দ সম্পূর্ণ ভাবে উপভোগ করতে নেমে পড়েছেন বাঙালিরা।

Published

on

বাগবাজারে মায়ের মুখ।

শুভদীপ রায় চৌধুরী

আজ পঞ্চমী। শুরু হয়ে গিয়েছে শারদীয়া উৎসব। কলকাতার রাজপথ সেজে উঠেছে আলোর মালায়। মহোৎসবের দিনগুলো কলকাতার মানুষ জমিয়ে উপভোগ করতে চাইছেন। কিন্তু প্রশ্ন একটাই – এ বছর কি প্রতিমাকে সামনে থেকে দেখতে পারবেন দর্শনার্থীরা? মহামারির ভয় উপেক্ষা করে তাঁরা কি মণ্ডপে যাবেন?

প্রতি বছরের পুজোর মতন এ বছর পুজোর আমেজ কোথাও হলে একটু আলাদা। প্রতিটি দর্শনার্থীকে সুরক্ষা দিতে এবং পাশাপাশি পুজো কমিটির প্রতিটি সদস্যকে সুরক্ষা দিতে রাখা হয়েছে নানা বিধিনিষেধ।

কলেজ স্কোয়ার।

কোভিডের কারণে উত্তর কলকাতার কলেজ স্কোয়ারের পুজোমণ্ডপ আপাতত সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। উদ্যোক্তারা বলছেন যে, মাননীয় কলকাতা হাইকোর্ট বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন পুজোকে কেন্দ্র করে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এলে তবেই তাঁরা পরবর্তী পদক্ষেপ করবেন।

কলেজ স্কোয়ার পুজো কমিটির সদস্যরা আরও জানান, সাধারণ দর্শনার্থীদের সুরক্ষার জন্য তাঁরা মণ্ডপের প্রবেশদ্বারের সামনেই স্যনিটাইজারের ব্যবস্থা করেছেন এবং প্রতিটি দর্শনার্থীর জন্য মাস্ক পরা আবশ্যক করা হয়েছে। দেবীপ্রতিমা দর্শনেও ভিড় এড়ানোর জন্য কমিটির সদস্যরা সব সময় প্রস্তুত রয়েছেন।

কিন্তু যতক্ষণ না কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসছে ততক্ষণ তাঁরা বাইরের দর্শনার্থীদের জন্য মণ্ডপের দরজা খুলবেন না। এ বছর দেবীপ্রতিমার উচ্চতাও কিছুটা কমানো হয়েছে বলে জানালেন তাঁরা।

আহিরীটোলা সর্বজনীন।

আহিরীটোলা সর্বজনীনে এ বছরের পুজোমণ্ডপ গুজরাতের মধেরা সূর্য মন্দিরের আদলে তৈরি হয়েছে। এই থিমটি বাস্তবায়িত করেছেন শিল্পী শক্তি শর্মায়।

উত্তর কলকাতার বারোয়ারি পুজোর মধ্যে অন্যতম এই আহিরীটোলা সর্বজনীন। তবে এ বছর এই পুজোমণ্ডপেও থাকছে নানা বিধিনিষেধ। পুজোর কমিটির অন্যতম সম্পাদক সঞ্জয় চন্দ্র জানালেন, এ বছর সাধারণ দর্শনার্থীদের মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। তাঁদের দূর থেকেই দেবীপ্রতিমা দর্শন করতে হবে এবং অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। পুজো কমিটির পক্ষ থেকে স্যনিটাইজারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে জানালেন আহিরীটোলা সর্বজনীনের সদস্যরা।

আহিরীটোলা যুবকবৃন্দ।

আহিরীটোলা যুবকবৃন্দের পুজো এ বছর পঞ্চাশ বছরে পদার্পণ করল। পুজো কমিটির সম্পাদক ভোলানাথ গুপ্ত জানালেন, করোনা ভাইরাসের কারণে পুজোর পঞ্চাশ বছরে সুবর্ণজয়ন্তী মহোৎসব তাঁরা করতে পারছেন না। তাই তাঁরা থিমের নাম রেখেছেন ‘পঞ্চাশে পুজো একান্নতে উৎসব’।

আহিরীটোলা যুবকবৃন্দের পুজোয় সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশে বিশেষ ব্যবস্থা থাকছে। মণ্ডপের গর্ভগৃহে এ বছর কোনো সাধারণ দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবেন না। যুবকবৃন্দের মণ্ডপে ঢোকার আগে ডান দিকে তাঁরা দর্শনার্থীদের সুরক্ষার কথা ভেবে স্যনিটাইজারের ব্যবস্থা করেছেন। এক এক বারে ২০ জন করে দর্শনার্থী মূল মণ্ডপের সামনে এসে দেবীকে দর্শন করতে পারবেন। সুরক্ষাবিধি মেনে চলার জন্য পুজোমঞ্চ থেকে সব সময় ঘোষণা করা হবে এবং প্রতিটি মানুষকে মাস্ক পরে আসতে হবে ও সুরক্ষাবিধি মেনে যেতে হবে মণ্ডপের দিকে।

বাগবাজার সর্বজনীন।

বাগবাজার সর্বজনীন থেকে শুরু করে কুমোরটুলি সর্বজনীন, সর্বত্রই দেখা গেল বিভিন্ন সুরক্ষাবিধির ব্যবস্থা। সাধারণ মানুষের কথা ভেবে উদ্যোক্তারা বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। করোনাভাইরাসের কারণে মহোৎসব উদযাপনে নানা রকমের নিষেধাজ্ঞা জারি হলেও পুজোর আনন্দ সম্পূর্ণ ভাবে উপভোগ করতে নেমে পড়েছেন বাঙালিরা।

কুমোরটুলি সর্বজনীন।

খবরঅনলাইনে আরও পড়ুন

দুর্গোৎসব বাংলাদেশে: করোনা কেড়ে নিয়েছে বরদেশ্বরী কালীমন্দিরের দুর্গাপুজোর উৎসব

Continue Reading

Amazon

Advertisement
ক্রিকেট16 mins ago

অস্ট্রেলিয়ায় ৩২ জনের ভারতীয় দল পাঠাতে পারে বিসিসিআই

দেশ24 mins ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ৫৫৮৩৯, সুস্থ ৭৯৪১৫

coronavirus
দেশ26 mins ago

এক দিনে ২৪ হাজার সক্রিয় রোগী কমল ভারতে, দৈনিক সংক্রমণের হার চার শতাংশের নীচে

uddhav thackeray
দেশ1 hour ago

সংঘাত বাড়ল কেন্দ্রের সঙ্গে, সিবিআইকে তদন্তের জন্য সাধারণ সম্মতি প্রত্যাহার করল মহারাষ্ট্র সরকার

রাজ্য2 hours ago

‘সব বাঙালি বাংলাদেশি’, বাঙালি বিরোধী আন্দোলনে উত্তপ্ত মেঘালয়

বিদেশ2 hours ago

ব্রাজিলে মৃত স্বেচ্ছাসেবক টিকা নেয়নি, বন্ধ হচ্ছে না ট্রায়াল

রাজ্য2 hours ago

ষষ্ঠীর সকাল থেকে কলকাতায় ঝোড়ো হাওয়া, উপকূলে বৃষ্টি শুরু

Ekdalia Evergreen
কলকাতা8 hours ago

আজ ষষ্ঠী: পঞ্চমীর রাতে অচেনা কলকাতা, মাস্ক পরে প্রতিমাদর্শন

দেশ24 mins ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ৫৫৮৩৯, সুস্থ ৭৯৪১৫

দেশ2 days ago

আজ থেকে ৩৯২টি উৎসব স্পেশাল ট্রেন, দেখে নিন পূর্ণাঙ্গ তালিকা

দেশ2 days ago

কোভিড মহামারিতে বিহার ভোটে খরচের ঊর্ধ্বসীমা বাড়ল ১০ শতাংশ

দুর্গা পার্বণ3 days ago

পুজোয় রোজই বৃষ্টি, ষষ্ঠী থেকে অষ্টমী সম্ভাবনা ভারী বর্ষণের

durga
রাজ্য3 days ago

রাজ্যের সব পুজো প্যান্ডেল ‘নো এন্ট্রি জোন’, ঐতিহাসিক রায় কলকাতা হাইকোর্টের

রাজ্য13 hours ago

প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছেন নরেন্দ্র মোদী, আদর্শ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: বিমল গুরুং

বিনোদন3 days ago

কয়েক দিনের মধ্যেই সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে হাঁটানোর চেষ্টা করা হবে, জানালেন ডাক্তার

প্রবন্ধ2 days ago

‘গায়কদের গায়ক’ অখিলবন্ধু ঘোষ: শতবর্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি

কেনাকাটা

কেনাকাটা2 weeks ago

মেয়েদের কুর্তার নতুন কালেকশন, দাম ২৯৯ থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক: পুজো উপলক্ষ্যে নতুন নতুন কুর্তির কালেকশন রয়েছে অ্যামাজনে। দাম মোটামুটি নাগালের মধ্যে। তেমনই কয়েকটি রইল এখানে। প্রতিবেদন...

কেনাকাটা3 weeks ago

‘এরশা’-র আরও ১০টি শাড়ি, পুজো কালেকশন

খবর অনলাইন ডেস্ক : সামনেই পুজো আর পুজোর জন্য নতুন নতুন শাড়ির সম্ভার নিয়ে হাজর রয়েছে এরশা। এরসার শাড়ি পাওয়া...

কেনাকাটা3 weeks ago

‘এরশা’-র পুজো কালেকশনের ১০টি সেরা শাড়ি

খবর অনলাইন ডেস্ক : পুজো কালেকশনে হ্যান্ডলুম শাড়ির সম্ভার রয়েছে ‘এরশা’-র। রইল তাদের বেশ কয়েকটি শাড়ির কালেকশন অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন...

কেনাকাটা3 weeks ago

পুজো কালেকশনের ৮টি ব্যাগ, দাম ২১৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : এই বছরের পুজো মানে শুধুই পুজো নয়। এ হল নিউ নর্মাল পুজো। অর্থাৎ খালি আনন্দ করলে...

কেনাকাটা3 weeks ago

পছন্দসই নতুন ধরনের গয়নার কালেকশন, দাম ১৪৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : পুজোর সময় পোশাকের সঙ্গে মানানসই গয়না পরতে কার না মন চায়। তার জন্য নতুন গয়না কেনার...

কেনাকাটা4 weeks ago

নতুন কালেকশনের ১০টি জুতো, ১৯৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : পুজো এসে গিয়েছে। কেনাকাটি করে ফেলার এটিই সঠিক সময়। সে জামা হোক বা জুতো। তাই দেরি...

কেনাকাটা4 weeks ago

পুজো কালেকশনে ৬০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে চোখ ধাঁধানো ১০টি শাড়ি

খবর অনলাইন ডেস্ক: পুজোর কালেকশনের নতুন ধরনের কিছু শাড়ি যদি নাগালের মধ্যে পাওয়া যায় তা হলে মন্দ হয় না। তাও...

কেনাকাটা4 weeks ago

মহিলাদের পোশাকের পুজোর ১০টি কালেকশন, দাম ৮০০ টাকার মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : পুজো তো এসে গেল। অন্যান্য বছরের মতো না হলেও পুজো তো পুজোই। তাই কিছু হলেও তো নতুন...

কেনাকাটা1 month ago

সংসারের খুঁটিনাটি সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এই জিনিসগুলির তুলনা নেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিজের ও ঘরের প্রয়োজনে এমন অনেক কিছুই থাকে যেগুলি না থাকলে প্রতি দিনের জীবনে বেশ কিছু সমস্যার...

কেনাকাটা1 month ago

ঘরের জায়গা বাঁচাতে চান? এই জিনিসগুলি খুবই কাজে লাগবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ঘরের মধ্যে অল্প জায়গায় সব জিনিস অগোছালো হয়ে থাকে। এই নিয়ে বারে বারেই নিজেদের মধ্যে ঝগড়া লেগে...

নজরে