Connect with us

কলকাতা

বিশিষ্ট জ্যোতির্বিজ্ঞানী ড. অমলেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় প্রয়াত

খবরঅনলাইন ডেস্ক: প্রয়াত হলেন বিশিষ্ট জ্যোতির্বিজ্ঞানী (astronomer) এবং নিরলস বিজ্ঞানকর্মী ড. অমলেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (Dr. Amalendu Bandyopadhyay)। সোমবার রাত সাড়ে ৮টায় কলকাতায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০।

পড়াশোনা ও কর্মজীবন

{ "slotId": "6629201461", "unitType": "responsive", "pubId": "pub-3207145692559075", "resize": "auto" }

জন্ম ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, হাওড়া জেলার বাগনানের মুগকল্যাণ গ্রামে। মুগকল্যাণ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন তিনি। ১৯৫২ সালে বারাণসী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত গণিত নিয়ে এমএসসি পাশ করেন। তাঁর বিশেষ পাঠ্য ছিল জ্যোতির্বিজ্ঞান। বিশ্ববিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী জয়ন্তবিষ্ণু নার্লিকারের পিতা বিষ্ণুবাসুদেব নার্লিকার তখন হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিতের অধ্যাপক ছিলেন। তাঁর কাছেই জ্যোতির্বিজ্ঞানের পাঠ নেন অমলেন্দুবাবু। পরে ওঁর কাছ থেকেই অমলেন্দুবাবু জ্যোতির্বিজ্ঞান (astronomy) নিয়ে গবেষণা করার কাজে অনুপ্রেরণা লাভ করেন।

স্নাতকোত্তর পাশ করার পর বারাণসীরই একটি কলেজে চার বছর অধ্যাপনা করেন। তার পর ১৯৫৬ সালে বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহার প্রতিষ্ঠিত অবস্থানিক জ্যোতির্বিজ্ঞান সংক্রান্ত গবেষণাকেন্দ্র ‘নটিক্যাল অ্যালম্যানাক ইউনিট’-এ যোগ দেন। এই কেন্দ্রে ছ’ বছর ধরে গবেষণার কাজ চালিয়ে যান। ১৯৬২ সালে বিমানচালনা সংক্রান্ত আবহাওয়া বিজ্ঞানের গবেষণায় নিযুক্ত হন। ১৯৬৮ সালে ‘নটিক্যাল অ্যালম্যানাক ইউনিট’-এর সব দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

দীর্ঘ ১২ বছরের অক্লান্ত প্রচেষ্টার ফল মেলে। ‘নটিক্যাল অ্যালম্যানাক ইউনিট’ ভারত সরকারের একটি আন্তর্জাতিক অবস্থানিক জ্যোতির্বিজ্ঞান গবেষণার সংস্থায় রূপান্তরিত হয়। ১৯৮০ সালে এর নতুন নাম হয় ‘পজিশনাল অ্যাস্ট্রোনমি সেন্টার’ (Positional Astronomy Centre)। তিনিই এই সংস্থার প্রথম অধিকর্তা হন। ১৯৮৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সরকারি কর্মক্ষেত্র থেকে আনুষ্ঠানিক অবসর নেওয়ার পর ১৯৮৯ সালে এমপি বিড়লা তারামণ্ডলে (MP Birla Planetarium) যোগ দেন।

অমলেন্দুবাবু ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়ন অব প্যারিস’, ‘রয়্যাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি অব লন্ডন’ এবং ‘ব্রিটিশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন অব লন্ডন’-এর নির্বাচিত সদস্যও ছিলেন। পশ্চিমবঙ্গ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ফেলো ছিলেন।      

বিজ্ঞানসাধনা

জ্যোতির্বিজ্ঞানী অমলেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় যত বড়ো পদই অলংকৃত করুন না কেন, যতই খ্যাতিমান হোন না কেন, তিনি আদতে ছিলেন মাটির মানুষ। শুধুমাত্র বিজ্ঞানকর্মী বা ছাত্রছাত্রী নয়, সাধারণ মানুষের সঙ্গে তিনি নির্দ্বিধায় খুব সহজে মিশে যেতেন। আসলে তিনি তাঁর শৈশব-কৈশোরকে কখনও বিস্মৃত হননি। গ্রামবাংলার সঙ্গে ছিল তাঁর নাড়ির টান। তাঁর জীবনযাপন ছিল অতি সাধারণ।

তাঁর জীবনের প্রধান ব্রত ছিল বিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করা, বিজ্ঞানকে সহজ করে সাধারণ মানুষের কাছে নিয়ে যাওয়া। এর জন্যই সারা জীবন নিরলস পরিশ্রম করেছেন তিনি। তিনি জানতেন বিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করতে হলে পৌঁছে যেতে হবে একেবারে তৃণমূল স্তরে। গোড়ার দিকে টেলিস্কোপ হাতে নিয়ে ছুটে যেতেন গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে। পরের দিকে স্লাইড সহযোগে জ্যোতির্বিজ্ঞানের জটিল বিষয়গুলো বোঝানোর চেষ্টা করতেন। অক্লান্ত ভাবে এই কাজ করে গিয়েছেন আজীবন।   

আরেকটি বিষয়ে সদাই সরব ছিলেন অমলেন্দুবাবু। জ্যোতিষশাস্ত্রের নামে কুসংস্কার অপবিজ্ঞানের বিরুদ্ধে ছিলেন সতত মুখর। সহজ সরল ভাষায় জ্যোতিষশাস্ত্রের  ভ্রান্ত দিকগুলো তুলে ধরতেন। তাঁর লেখা বই ‘ইজ অ্যাস্ট্রোলজি আ সায়েন্স’-এর ছত্রে ছত্রে ফুটে উঠেছে জ্যোতিষশাস্ত্রের নামে মিথ্যাচার ভ্রষ্টাচারের কথা। বিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করার প্রয়াসে আরও কিছু বই লিখেছেন তিনি ইংরেজি ও বাংলা ভাষায়। তাঁর ২২৫টিরও বেশি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। জ্যোতির্বিজ্ঞান নিয়ে ইংরেজি ও বাংলা মিলিয়ে আড়াই হাজারেরও বেশি প্রবন্ধ লিখেছেন। দূরদর্শন ও বেতারে অসংখ্য জনপ্রিয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন।

১৯৯৫ সালে ভারত সরকারের কাছ থেকে জাতীয় পুরস্কারে সম্মানিত হন। পশ্চিমবঙ্গ সরকার ২০০১ সালে তাঁকে ‘গোপাল চন্দ্র ভট্টাচার্য’ স্মৃতি পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করেন। ওই বছরই বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডিএসসি ডিগ্রি প্রদান করে।

বর্তমানে তারামণ্ডল নতুন করে সাজানো হয়েছে এবং ২ নভেম্বর ২০১৮ থেকে শুরু হয়েছে নতুন একটি বিশেষ আকর্ষণ – দর্শকদের সামনে হাজির মহাকাশ। এর প্রধান রূপকার তারামণ্ডলের ডিরেক্টর ডঃ দেবীপ্রসাদ দুয়ারি। আর অন্যতম সহায়ক ছিলেন ডঃ অমলেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় ।

এ হেন এক বিজ্ঞানী ও বিজ্ঞানকর্মীর প্রয়াণে বিজ্ঞানজগতে যে অপূরণীয় ক্ষতি হল তাতে সন্দেহ নেই।

Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

কলকাতা

অনলাইনে নয়, পড়ুয়াদের জন্য এই বিকল্প পথই বেছে নিয়েছে গড়িয়া স্টেশনের একটি স্কুল

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ২৭ মার্চ থেকে স্কুল বন্ধ। কবে খুলবে কেউ জানে না। অনেকেই মনে করছেন সেপ্টেম্বরের আগে স্কুল খোলার সম্ভাবনা নেই। আবার তখনও যে করোনার দাপট কমবে, তারও কোনো নিশ্চয়তা নেই। এই পরিস্থিতিতে অনলাইন পড়াশোনা বিকল্প হয়ে উঠেছে।

কিন্তু অনলাইন পড়াশোনার সুবিধা সব জায়গায় তো হয় না। এই যেমন গড়িয়া স্টেশনের কাছে গড়াগাছায় নিউ গ্রিন বাড স্কুল। এই স্কুলের পড়ুয়াদের বেশির ভাগই নিম্নবিত্ত বা নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণির অন্তর্গত। বেশির ভাগ অভিভাবকদের কাছে স্মার্টফোনের সুবিধা নেই। আবার থাকলেও নেটওয়ার্কের সমস্যা রয়েছে, ঘূর্ণিঝড় উম্পুনের পর যেটা আরও বেশি করে মাথাচাড়া দিচ্ছে।

{ "slotId": "6629201461", "unitType": "responsive", "pubId": "pub-3207145692559075", "resize": "auto" }

এই পরিস্থিতিতে অভিনব একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। অনলাইনে পড়ানোর বদলে তাঁরা অভিভাবকদের হাতে তুলে দিচ্ছেন পাঠক্রমে অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন বিষয়ে বাছাই করা প্রশ্ন ও তার উত্তর। প্রয়োজনে স্কুলে বসে বিভিন্ন বিষয় বুঝিয়ে দিচ্ছেন অভিভাবকদের। শুধু তা-ই নয়, অভিভাবকদের কাছ থেকে তাঁদের ফোন নম্বর নিয়ে স্কুলের সময়ের আগে বা পরে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।

শিক্ষিকারা ব্যক্তিগত ভাবে যোগাযোগ করছেন পড়ুয়াদের সঙ্গে। যাদের হোয়াটস অ্যাপ আছে, তাদের কাছে অঙ্কের সমাধান বা অন্য বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর ছবি তুলে হোয়াটস অ্যাপে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। এ ভাবেই অনলাইন পদ্ধতির বিকল্প হিসাবে ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনায় সাহায্য করে যাচ্ছে নিউ গ্রিন বাড স্কুল।

Continue Reading

কলকাতা

কলকাতায় লকডাউনের আওতায় পড়া এলাকাগুলির পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশিত

খবরঅনলাইন ডেস্ক: বুধবার বিকেলে শহর কলকাতার কনটেনমেন্ট জোনের তালিকা প্রকাশ করল রাজ্য সরকার। রাজ্য সরকারের ওয়েবসাইট ‘এগিয়ে বাংলা’য় এর পূর্ণাঙ্গ তালিকা পাওয়া যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটা থেকে এই সব অঞ্চলে কড়া লকডাউন চালু হয়ে যাবে। তবে ইতিমধ্যেই এই সব জায়গা কলকাতা পুলিশের তরফে সিল করে দেওয়া হচ্ছে বলে খবর।

বুধবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দয়াপধ্যায় জানান যে আগামী সাত দিন কনটেনমেন্ট এলাকায় লকডাউন জারি থাকবে। তার পর পরিস্থিতি বুঝে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

{ "slotId": "6629201461", "unitType": "responsive", "pubId": "pub-3207145692559075", "resize": "auto" }

দেখে নিন কনটেনমেন্ট জোনের তালিকা।

**** ১৩ নম্বর ওয়ার্ড

১) উলটোডাঙার ১/২ আরিফ রোড। মূলত বস্তি এলাকা এটি।

২) উলটোডাঙার অধোরচন্দ্র দাস লেনের পুরোটা। এটাও বস্তি অঞ্চল।

৩) দত্তবাগানের জওহরলাল দত্ত লেন। এটাও বস্তি অঞ্চল।

৪) ১৭, উলটোডাঙা মেন রোড (করবাগান)। এটাও বস্তি অঞ্চল।

**** ২৫ নম্বর ওয়ার্ড

গিরীশ পার্ক অঞ্চলে ৩২, ৬৭বি, ৫/৭ বলরাম দে স্ট্রিট। এটা মিশ্রিত অঞ্চল।

**** ২৭ নম্বর ওয়ার্ড

বটতলার ৮সি, ৩এ, ৪/১ডি হরিপাল লেন। এটা মিশ্রিত অঞ্চল।

**** ৩১ নম্বর ওয়ার্ড

১) কাঁকুড়গাছির ২০/১এন মতিলাল বসাক লেন। এটা বস্তি অঞ্চল।

২) খোট্টাবাগানের পি১২ আর সিআইটি স্কিম ৬ এম। এটা আবাসন এলাকা।

**** ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড

১) ফুলবাগানে ৩৪এল আর ৬৪ সুরেন সরকার রোড। এখানে একাধিক আবাসন রয়েছে।

২) জোড়ামন্দির বাজারে তারণকৃষ্ণ নস্কর লেন আর চলপট্টি বাজার। এটা মিশ্রিত অঞ্চল।

**** ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড

আমহার্স্ট স্ট্রিট অঞ্চলে ১৩৮ রাজা রামমোহন সরণি। এটা মিশ্রিত অঞ্চল।

**** ৬০ নম্বর ওয়ার্ড

বেনিয়াপুকুর অঞ্চলে লিন্টন স্ট্রিট (ব্লাড ব্যাংক থেকে বিদ্যাপীঠ স্কুল পর্যন্ত)। এটা মিশ্রিত অঞ্চল।

**** ৬৭ নম্বর ওয়ার্ড

১) কসবায় ৭৬ থেকে ১৫৭, ডঃ জিএস বোস রোড। এটা মিশ্রিত অঞ্চল।

২) কসবায় ৮৫ থেকে ১৫৮ সুইনহো লেন। এটা মিশ্রিত অঞ্চল।

**** ৭০ নম্বর ওয়ার্ড

১) ভবানীপুরে ১৯এ শরৎ বোস রোড। এটা আবাসন এলাকা।

২) ভবানীপুরে চক্রবেড়িয়া রোড (৪৯বি, ৩৬এ, ৪৪, ৮/১বি, ১২এ)। এটা মিশ্রিত অঞ্চল।

**** ৭৪ নম্বর ওয়ার্ড

১) আলিপুরে ৬৪এ, আলিপুর রোড (সত্যম টাওয়ার্স)। এটা আবাসন।

২) আলিপুরে ৫বি জাজেস কোর্ট রোড। এটা আবাসন।

৩) আলিপুরে ১ নম্বর বেলভেডিয়ার রোড। এটা আবাসন।

**** ৯০ নম্বর ওয়ার্ড

ভবানীপুরে ৫৫এ, ডঃ শরৎ ব্যানার্জি রোড।

**** ৯৬ নম্বর ওয়ার্ড

২ নম্বর বিজয়গড়। এটা মিশ্রিত অঞ্চল।

**** ১০৯ নম্বর ওয়ার্ড

১) মুকুন্দপুরে ১৩৮ পূর্বালোক। এটা মিশ্রিত অঞ্চল।

২) অজয়নগর এলাকায় সম্মিলনী পার্ক (মাঙ্গলিক থেকে যুবশক্তি সম্মিলনী ক্লাব)। এটা আবাসন এলাকা।

**** ১২৩ নম্বর ওয়ার্ড

বেহালা শখের বাজারে বৈদ্যপাড়া হাইস্কুল থেকে ৪৬/১ ভুবন মোহন রায় রোড। এটা আবাসন এলাকা।

**** ১২৪ নম্বর ওয়ার্ড

প্রগতি পল্লি অঞ্চলে ৫১ প্রগতি পল্লি থেকে ২৪৫সি এমজি রোড।

Continue Reading

কলকাতা

করোনা প্রতিরোধে মাস্ক-স্যানিটাইজার বিতরণ ‘উই আর দ্য কমন পিপল’-এর

কলকাতা পুরসভার আট নম্বর ওয়ার্ডে এই সব সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

খবরঅনলাইন ডেস্ক: করোনাভাইরাস (coronavirus) প্রতিরোধে ও এ ব্যাপারে সচেতনতা বাড়াতে ‘উই আর দ্য কমন পিপল’ (We are The Common People) উদ্যোগী হয়েছে। এই উদ্যোগেরই অঙ্গ হিসাবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ফেস মাস্ক এবং হ্যান্ড গ্লাভস বিতরণের কর্মসূচি নিয়েছে এই সংগঠন।

সোমবার এঁদের উদ্যোগে কলকাতা পুরসভার আট নম্বর ওয়ার্ডের বাগবাজার অঞ্চলে এই সব সামগ্রী বিতরণ করা হয়। বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন ‘উই আর দ্য কমন পিপল’-এর সম্পাদক শুভজিৎ দত্তগুপ্ত, সংগঠনের সহ-সভাপতি সুদীপ্তা রায়চৌধুরী মুখার্জি, পরশপাথর ব্যান্ডের সংগীতশিল্পী অয়ন বন্দোপাধ্যায় এবং অল ইন্ডিয়া এসবিআই ব্যাঙ্ক অফিসার কনফেডারেশনের সম্পাদক সৌম্য দত্ত।

{ "slotId": "6629201461", "unitType": "responsive", "pubId": "pub-3207145692559075", "resize": "auto" }

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মানুষকে সুরক্ষিত রাখার জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে ৪০০ জনকে স্যানিটাইজার, মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস দেওয়া হল।

ওই অনুষ্ঠানে সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্পাদক শুভজিৎ দত্তগুপ্ত বলেন, “এই জটিল পরিস্থিতিতে আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে এর আগে কলকাতা পুরসভার ৮ এবং  ১০ নম্বর ওয়ার্ডে খাবার, মাস্ক ও রেশনদ্রব্য বিতরণ করেছি। আজ আমরা স্যানিটাইজ করার প্রয়োজনীয় দ্রব্য বিতরণ করলাম।”

এই প্রয়াসে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য এসবিআই ব্যাঙ্ক অফিসার কনফেডারেশন, গ্রন্থকীট এবং অন্য গোলার্ধ সংগঠনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সম্পাদক।

Continue Reading
Advertisement
বিনোদন3 hours ago

চলে গেলেন ‘শোলে’-র ‘সুরমা ভোপালি’ জগদীপ

দেশ6 hours ago

জম্মু-কাশ্মীরে বাবা এবং ভাই-সহ বিজেপি নেতাকে গুলি করে মারল জঙ্গিরা

ঝাড়গ্রাম6 hours ago

টানাপোড়েনের অবসান ঘটিয়ে, সক্রিয় রাজনীতিতে লালগড় আন্দোলনের মুখ ছত্রধর মাহাত

দেশ7 hours ago

৮৯টি অ্যাপ ‘নিষিদ্ধ’ করল ভারতীয় সেনা

বিনোদন7 hours ago

সুশান্ত সিং রাজপুতের আত্মহত্যাকাণ্ডে সলমন খান, করন জোহরের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ আদালতে

দেশ8 hours ago

উজ্জ্বলা যোজনায় বিনামূল্যের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়ার মেয়াদ বাড়ল আরও তিন মাস

রাজ্য8 hours ago

রেকর্ড বৃদ্ধি, রাজ্যে একদিনে আক্রান্ত প্রায় ১০০০

কলকাতা9 hours ago

অনলাইনে নয়, পড়ুয়াদের জন্য এই বিকল্প পথই বেছে নিয়েছে গড়িয়া স্টেশনের একটি স্কুল

কেনাকাটা

কেনাকাটা1 day ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিউ নর্মালে মাস্ক পরাটাই দস্তুর। তা সে ছোটো হোক বা বড়ো। বিরক্ত লাগলেও বড়োরা নিজেরাই নিজেদেরকে বোঝায়।...

কেনাকাটা2 days ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

কেনাকাটা4 days ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

কেনাকাটা1 week ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে...

নজরে