গান স্যালুটে শেষ বিদায়। ছবি: রাজীব বসু।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশ বার তোপধ্বনি করে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ শ্রদ্ধা জানানো হল লোকসভার প্রাক্তন অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কে। সোমবার সকাল সাড়ে আটটায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।

গত শুক্রবার শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে তাঁকে দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভেন্টিলেশনে থাকাকালীন তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। সোমনাথবাবুর মাল্টিঅর্গ্যান ফেলিওর হয়েছিল বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

এর আগে ৪০ দিন ধরে হাসপাতালে থাকার পর গত ১ আগস্ট বাড়ি ফেরেন তিনি। গত মঙ্গলবার ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন সোমনাথবাবু। তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। সোমনাথবাবু তাঁর চক্ষু এবং দেহ দান করে গিয়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন। ছবি: রাজীব বসু।

এ দিন সোমনাথবাবুর দেহ হাসপাতাল থেকে প্রথমে হাইকোর্টে যায়। সেখান থেকে তাঁর দেহ যায় বিধানসভায়। সেখানে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ আরও অনেকে। এসএসকেএমে দেহদান করা হবে।

১৯২৯ সালে অসমের তেজপুরে জন্ম হয় সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের। ১৯৬৮-তে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন। ১৯৭১ সালে তিনি প্রথমবার লোকসভার সদস্য হন। দশ বারের সাংসদ সোমনাথবাবু জীবনে একবারই নির্বাচনে হারেন- ১৯৮৪ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে।

টুইট করে শোকপ্রকাশ করেছেন রাহুল গান্ধী

শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

বিশিষ্ট প্রবীণ রাজনীতিবিদ, আইনজীবী ও লোকসভার প্রাক্তন অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “তাঁর প্রয়াণ রাজনৈতিক জগতে এক অপূরণীয় ক্ষতি। আমি প্রয়াত শ্রীচট্টোপাধ্যায়ের আত্মীয় পরিজনসহ তাঁর অনুরাগীদের আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।”

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন