Connect with us

কলকাতা

সাবর্ণ সংগ্রহশালাকে ফরাসি সরকারের প্রশংসাপত্র

খবর অনলাইন ডেস্ক: ভারত-ফ্রান্স সম্পর্কের ঐতিহ্য ও ইতিহাস সাধারণ মানুষের কাছে সঠিক ভাবে তুলে ধরা এবং দু’ দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার জন্য সাবর্ণ সংগ্রহশালার ভূমিকার প্রশংসা করল ফ্রান্স। শুধু তা-ই নয়, সাবর্ণ সংগ্রহশালাকে একটি প্রশংসাপত্রও দেওয়া হল ফরাসি সরকারের তরফ থেকে।

উল্লেখ্য, প্রতি বছরের মতো এ বছরেও ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে সাবর্ণ রায় চৌধুরী পরিবার পরিষদ আন্তর্জাতিক ইতিহাস ও ঐতিহ্য উৎসবের আয়োজন করে। এ বার ছিল পঞ্চদশ বৎসরের উৎসব। এই উৎসবে থিম কান্ট্রি ছিল ফ্রান্স। উৎসবে ছিল ফ্রান্স নিয়ে বিশেষ গ্যালারি। এ ছাড়াও ফরাসি সরকারের সহযোগিতায় ভারত-ফ্রান্স সম্পর্কের নানা অজানা ইতিহাসও উৎসব থেকে জানা যায়।

ফরাসি সরকারের প্রশংসাপত্র।

ফ্রান্সের কলকাতাস্থিত কনসাল জেনারেল ভার্জিনি কোর্টিভ্যাল উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সাবর্ণদের উৎসবে তাঁর দেশকে থিম কান্ট্রি করার জন্য তিনি আনন্দ প্রকাশ করেন।  

ফরাসি সরকারের কাছ থেকে প্রশংসাপত্রও পাওয়া প্রসঙ্গে সাবর্ণ রায় চৌধুরী পরিবার পরিষদের তরফে সম্পাদক ও মুখপাত্র দেবর্ষি রায় চৌধুরী বলেন, “এর আগে সরকারি ভাবে নেপাল ও ভুটান সাবর্ণ সংগ্রহশালার ভূমিকাকে স্বীকৃতি জানিয়েছে। এ বার ফ্রান্স জানাল। এটা আমাদের কাছে একটা বড়ো প্রাপ্তি।”

ইতিহাস উৎসবের প্রদর্শনীতে যে যত্ন সহকারে ফ্রান্সের ঐতিহ্য এবং ভারতের সঙ্গে কয়েক শতাব্দী জুড়ে বহমান সম্পর্কের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে, তার জন্য ফরাসি সরকারের পত্রে ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে। এর জন্য ভার্জিনি কোর্টিভ্যাল সাবর্ণ সংগ্রহশালা কর্তৃপক্ষকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

কলকাতা

শর্ট সার্কিট থেকে আগুন, বেহালায় পুড়ে মৃত্যু মা-মেয়ের

খবরঅনলাইন ডেস্ক: শর্ট সার্কিট থেকে আগুন। আর সেই আগুনে পুড়ে মৃত্যু হল মা-মেয়ের। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার দুপুরে, কলকাতার (Kolkata) বেহালা (Behala) অঞ্চলে। মায়ের নাম সোমা মিত্র (৬৮) এবং মেয়ের নাম কাকলি মিত্র (৪২)। বাড়ির আর দু’ জন বাসিন্দা রক্ষা পেয়েছেন।

দমকলের এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “ওই দুই মহিলা দোতলা বাড়ির দ্বিতীয় তলে আটকা পড়ে গিয়েছিলেন। সেখানেই তাঁদের পুড়ে মৃত্যু হয়। আগুন নিভে যাওয়ার পরে তাঁদের দগ্ধ দেহ উদ্ধার করা হয়।”

স্থানীয় অধিবাসীরা জানান, সাড়ে ১২টা নাগাদ তাঁরা একটা প্রচণ্ড জোর আওয়াজ শুনতে পান। তার পরেই আগুন লেগে যায়।

অগ্নি নির্বাপণ বিভাগের প্রাথমিক অনুসন্ধান থেকে জানা যায়, শর্ট সার্কিট (short circuit) থেকে আগুন লেগে থাকতে পারে। গোটা ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।

বাড়িতে পাঁচ জন থাকতেন। বাড়ির অন্য দুই আগুনের পরে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। আর ঘটনাটার সময় বাড়ির পঞ্চম বাসিন্দা বাড়ির বাইরে ছিলেন বলে জানা যায়।

Continue Reading

কলকাতা

কলকাতায় অতিসংক্রমিত ১৬টি অঞ্চলকে পুরোপুরি সিল করে দেওয়ার প্রস্তুতি

কলকাতা: দেশের অন্য বড়ো শহরের থেকে কলকাতায় (Kolkata) করোনা-সংক্রমণ কিছুটা কম। কিন্তু গত কয়েক দিনে সেই সংখ্যাটাও দ্রুত গতিতে বাড়ছে। এই সপ্তাহেই দৈনিক দু’শো জন করে গড়ে মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন কলকাতায়।

এ বার আর ঝুঁকি না নিয়ে অতিসংক্রমিত এলাকাগুলিতে ফের কড়া নজরদারি শুরু করতে চলেছে কলকাতা পৌরনিগম (Kolkata Municipal Corporation)। ইতিমধ্যেই কলকাতা পৌরনিগমের স্বাস্থ্য বিভাগ একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতরের কাছে ।

সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে কলকাতার ১৬টি জায়গা অতিসংক্রমিত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সেখানে নতুন করে কড়া বিধিনিষেধ চালু করতে বলা হয়েছে।

লকডাউনের (Lockdown) প্রথম ধাপে যে ধরনের কড়াকড়ি করা হয়েছিল, অতি সংক্রমিত এলাকাগুলিতে সেই ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অতীন ঘোষ৷ উল্লেখযোগ্য ভাবে, শহরের বস্তিগুলোর থেকে বহুতলে করোনা এখন অনেক বেশি ছড়াচ্ছে। কেন এমনটা হচ্ছে?

অতীনবাবুর কথায়, একটি বাড়িতে একজন সদস্য আক্রান্ত হলে বাড়ির ভিতরে শারীরিক দূরত্বের নিয়মকানুন পালন করা হচ্ছে না। ফলে যে বাড়িতে আক্রান্ত এক জন ছিল সেখানে কিছু দিনের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে তিন-চার জন হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে করোনা সংক্রমণের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে আবাসন, বহুতল ও বাড়িগুলিতে ।

কনটেনমেন্ট জোন নিয়ে নতুন পরিকল্পনা করেছে পৌরনিগম। এত দিন পর্যন্ত শুধু রোগীর বাড়ি অথবা বহুতলের নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটগুলিকে সিল করে দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, এখন থেকে শুধু বাড়ি নয়, বাড়ির সামনে রাস্তাও সিল করে দেওয়া হবে। চলবে কড়া নজরদারি।

পৌরনিগমের তরফে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে শহরে অতি মাত্রায় সংক্রমিত এলাকাগুলি রয়েছে কাশীপুর, উল্টোডাঙা, শ্যামপুকুর, বাগবাজার, মানিকতলা, বেলগাছিয়া, বেলেঘাটা, বিডন স্ট্রিট, গিরিশ পার্ক, বিবেকানন্দ রোড, রামমোহন সরণি, কলেজ স্ট্রিট, তপসিয়া, মনোহরপুকুর রোড, গড়িয়াহাট রোড, এজেসি বোস রোডে।

এই সব এলাকা পুরোদমে সিল করে দিয়ে আবার প্রথম দফায় লকডাউনের কড়াকড়ি আরোপ করা হবে।

Continue Reading

কলকাতা

রোগীর অভুক্ত পরিজনদের খাবার বিলোন ‘হসপিটালম্যান’ পার্থ

অর্ণব দত্ত

বছর আড়াই আগে সরকারি হাসপাতালে কিছু দিনের জন্য ভর্তি ছিলেন পার্থ কর রায়চৌধুরী (Partha Kar Roychowdhury)। তখনই চোখ খুলে গিয়েছিল। কাছ থেকে দেখেছিলেন দারিদ্র্য আর অনাহার। হাসপাতালে ভর্তি রোগীর পরিজনদের একটা বড়ো অংশই জেলাগুলির বাসিন্দা। আপনজনের চিকিৎসা করাতে এসে কলকাতার হাসপাতাল-চত্বরে রাত কাটাতে হয় ওঁদের অনেককেই। কারণ হোটেলে থাকাখাওয়ার খরচ বহন করার সঙ্গতি নেই। অনেক সময় রোগীর ওষুধপত্রের খরচ জোগাতে হয় সর্বস্ব বেচেবুচে। কেউ কেউ জমিজমাও বাঁধা দেন। 

পরিজনকে কলকাতায় চিকিৎসা করাতে নিয়ে এসে নিজের খাওয়ার খরচটা বাঁচলে ও টাকাটা সাশ্রয় হবে। তাই স্রেফ জল খেয়ে হাসপাতাল চত্বরে ঘুমিয়ে পড়েন অভাবী মানুষগুলো।

পার্থবাবু বললেন, এই করুণ অভিজ্ঞতা আমার মনটা পালটে দিল। সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর ভাবলাম, ওদের জন্য কিছু একটা করতে হবে। টাকার অভাবে কেন উপোসি থাকবে মানুষ?

যেমন ভাবা, তেমন কাজ। কালীঘাটের বাসিন্দা পার্থবাবু এলাকার খাবারের দোকানদারের কাছে আর্জি জানালেন হোটেলের বেঁচে যাওয়া খাবার তিনি সংগ্রহ করতে চান। সেই সঙ্গে খোলসা করলেন নিজের উদ্দেশ্যও।

লকডাউন শুরু হওয়ার পরেও কিছু দিন ভাত খাইয়েছিলেন পার্থবাবু।

এর পর অনেকেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। শুধুমাত্র হোটেলই নয়, এলাকায় বিয়েবাড়ি, শ্রাদ্ধ কিংবা অন্য কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানের বাড়তি খাবার জোগাড় করেন পার্থবাবু। উদ্বৃত্ত সেই খাবারই রাতের খাবার হিসেবে পরিবেশন করেন দরিদ্র রোগীর সঙ্গে আসা হাসপাতাল চত্বরে অপেক্ষমান মানুষগুলোকে।

দক্ষিণ কলকাতার চিত্তরঞ্জন ক্যানসার হাসপাতাল, পিজি এবং শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে প্রায় আড়াই বছর হল এ ভাবে সমাজসেবা চালাচ্ছেন। মানবসেবার ক্ষেত্র হিসেবে বেছে নিয়েছেন হাসপাতাল চত্বরকেই। এখন সকলে তাঁকে এক ডাকে ‘হসপিটালম্যান’ (‘Hospital Man’) নামে চেনে।

লকডাউন পর্বে ‘হসপিটালম্যান’-এর বাঁধা রুটিনে কিছু পরিবর্তন হয়েছে। এখন দিনে রোগীর পরিজনদের শুকনো খাবারের প্যাকেট বিলি করেন। কারণটা সহজেই অনুমেয়। লকডাউনে টানা বন্ধ ছিল রেস্তোরাঁগুলি। তা ছাড়া সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোও সারা হচ্ছে নমো নমো করে।

লকডাউনে প্রতি দিন মুড়ি, কলা, বিস্কুট, গুড় – এ ধরনের শুকনো খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন। পার্থবাবুর কথায়, “আর কত দিন চালাতে পারব জানি না। আর্থিক সম্বল তলানিতে এসে ঠেকেছে।” 

এখন দিচ্ছেন মুড়ি-কলা-বিস্কুট-গুড়।

পেশায় একজন পুলকার ব্যবসায়ী তিনি। বয়স ৫১। বিবাহিত। স্ত্রী-পুত্র নিয়ে সংসার। এ ছাড়া বৃদ্ধ বাবা-মাও রয়েছেন। পার্থবাবু জানালেন, শহরের তিনটি হাসপাতাল চত্বরে খাবার বিলিবাবদ খরচ পড়ছে দৈনিক ১৬০০ টাকা। এ সত্ত্বেও পরিবারের সকলে চান প্রেরণাদায়ক এই কাজটি যেন পার্থবাবু চালিয়ে যান।

প্রতি দিন অন্তত দেড় শতাধিক মানুষ তাঁর হাত থেকে খাবার পাচ্ছেন। নিজের গাড়িতে চাপিয়ে হাসপাতালগুলোতে খাবার নিয়ে যান। শীতগ্রীষ্মবর্ষা একই রুটিন। 

লকডাউনে স্থানীয় রিকশাওয়ালাদের করুণ অবস্থার কথা জানতে পেরে তাঁদের পাশেও দাঁড়িয়েছেন পার্থবাবু। লকডাউন পর্বে রিকশাওয়ালাদের অনেকেই অনাহারে দিন কাটাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে রাসবিহারী রিকশা স্ট্যান্ড, কেওড়াতলা রিকশা স্ট্যান্ডে বিতরণ করছেন খাদ্যসামগ্রী।

তীর্থপতি ইনস্টিটিউশনের ছাত্র পার্থ ছিলেন এলাকার নামকরা ক্রিকেটার। অভিনয় করতেও ভালবাসেন। 

কলকাতার হাসপাতালে গ্রামাঞ্চল থেকে আসা অধিকাংশ মানুষজনই হতদরিদ্র। নুন আনতে পান্তা ফুরানোর দশা তাদের। ওদের অনাহারের জ্বালা উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন কালীঘাটের ছেলে পার্থ। সমাজসেবার কাজের শুরুয়াতের আগে এ-ও টের পেয়েছিলেন, ‘ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়’।

Continue Reading
Advertisement
ক্রিকেট2 hours ago

শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার কুশল মেন্ডিস গ্রেফতার

modi and trump
বিদেশ2 hours ago

‘ভারতকে ভালোবাসে আমেরিকা’, স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা বিনিময়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প

শিক্ষা ও কেরিয়ার3 hours ago

সিবিএসই ২০২০: ফলাফল বেরোলে কী ভাবে মার্কশিট এবং সার্টিফিকেট পাওয়া যাবে?

দেশ3 hours ago

উত্তরপ্রদেশে ৮ পুলিশ হত্যা: ‘ভেতরের’ ভূমিকা নিয়ে পুলিশের তদন্ত, স্টেশন অফিসার সাসপেন্ড

দেশ4 hours ago

এই প্রথম ভারতে এক দিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৪ হাজারের বেশি

দেশ5 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২৪৮৫০, সুস্থ ৯৩৮১

Nitish Kumar
দেশ5 hours ago

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার করোনা নেগেটিভ

রবিবারের পড়া6 hours ago

রবিবারের পড়া: ভারতীয় ক্রিকেট-বিপ্লবের দুই কারিগর

নজরে