kidney

নিজস্ব সংবাদদাতা: শহরে ফের কিডনি চক্রের হদিস পেল কলকাতা পুলিশ৷ উঠল শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের নামও৷ ঘটনায় চার জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷ তাদের আদালতে তোলা হলে আগামী ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে৷ অভিযুক্তদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৩১৫ গ্রাম হেরোইন, ভুয়ো আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড৷

কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান বিশাল গর্গ জানিয়েছেন, অন্যতম অভিযুক্ত আসফাক আহমেদ খিদিরপুরের বাসিন্দা৷ সে কিডনি পাচারচক্রের অন্যতম পাণ্ডা৷ আসফাকই বাকি তিন অভিযুক্ত তেহেরুল ইসলাম, বৈদ্যনাথ বর্মণ ও জ্যোৎস্না বর্মণকে কলকাতায় নিয়ে আসে৷ এরা তিন জনেই উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বাসিন্দা৷ এদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ৷

kidney racket
তেহেরুল ইসলাম, বৈদ্যনাথ বর্মণ, জ্যোৎস্না বর্মণ আসফাক আহমেদ

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৪ তারিখ এরা হাওড়া-রাজেন্দ্রনগর-পটনা এক্সপ্রেসে কলকাতায় আসে৷ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এদের উপর নজরদারি চালায় পুলিশ৷ হাওড়া স্টেশনে নেমে এরা বাইপাস ধরে মুকুন্দপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে যাচ্ছিল৷ এই হাসপাতালে এর আগেও এসেছে তারা নানা পরীক্ষার জন্য৷ সেই সময় তাদের গ্রেফতার করা হয়৷

কিডনি পাচারের ঘটনায় ৮ থেকে ১০ লক্ষ পর্যন্ত টাকা নেওয়া হত বলে জানা গিয়েছে৷ তবে ডোনাররা পেতেন তিন বা চার লক্ষ টাকার মতো৷ বাকিটা অন্যরা ভাগ করে নিত৷ এই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৄপক্ষ ও চিকিৎসকদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷ আসফাককে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, এই বছরেই সে বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে পাঁচশোটির মতো কিডনি এই ভাবে বিক্রি করিয়েছে৷ এই তথ্য সত্যি কিনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷

কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান জানিয়েছেন, এই সংক্রান্ত বিস্তারিত রিপোর্ট দু’ একদিনের মধ্যেই স্বাস্থ্য দফতরের কাছে পাঠানো হবে৷ তার পর স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি৷

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here