shaoli mitra

ওয়েবডেস্ক: রবিবার সংবাদমাধ্যমে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল তাঁর বিবৃতি। পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির সভাপতি পদ থেকে সরে আসতে চান বলে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছিলেন বর্ষীয়ান কিংবদন্তি নাট্যব্যক্তিত্ব ও লেখিকা শাঁওলি মিত্র। তাঁর সেই ঘোষণার পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতে মুখ খুললেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। জানালেন, শাঁওলি মিত্র পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির সভাপতি পদ থেকে শাঁওলি সরে আসুন, এটা রাজ্য সরকার চায় না!

শাঁওলি মিত্র তাঁর বিবৃতিতে জানিয়েছিলেন, ২০১২ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বছর চারেক তিনি আকাদেমিতে স্বাধীন ভাবে কাজ করার সুবিধা পেয়েছিলেন। কিন্তু ২০১৬ থেকেই সমস্যার সূত্রপাত। নানা ভাবে বাধা দেওয়া হতে থাকে তাঁর কাজে। প্রবাদপ্রতিম নাট্যব্যক্তিত্ব তৃপ্তি মিত্র এবং শম্ভু মিত্রর কন্যা আরও জানিয়েছেন যে সরকারি হস্তক্ষেপে তাঁর কাজ করার ক্ষমতা প্রায় বন্ধই হয়ে যায়। এ নিয়ে প্রতিকার চেয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠিও দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু, তাঁর সেই চিঠির প্রত্যুত্তর মেলেনি।

আরও পড়ুন: স্বাধীন ভাবে কাজের পরিকাঠামো নেই, বাংলা অকাদেমির সভাপতি পদে শাঁওলি মিত্রর ইস্তফার সিদ্ধান্ত

“আমি কাজটা ভালোবেসে করতাম! সেটাই যখন আর করতে পারছি না, তখন আর থেকে লাভ কী”, অভিমানী সুর ধরা পড়েছিল শাঁওলি মিত্রর স্বরে।

পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির সভাপতির এই প্রকাশ্য বিবৃতির পরে কিন্তু সরকারি প্রতিক্রিয়া মিলেছে। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে সরকার শাঁওলির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করছে না। বরং, যাতে তাঁর স্বাধীন ভাবে কাজ করতে কোনো অসুবিধা না হয়, সে দিকে সব রকম সাহায্য করা হবে।

“উনি যে রকম কাজ করছেন, সে রকমই করবেন! মুখ্যমন্ত্রী ওঁর অসুবিধা দূর করে দিয়েছেন তো”, দাবি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের!

যদিও শিক্ষামন্ত্রীর এই বিবৃতি শাঁওলির অভিমান ভাঙাতে পারছে না। “আগে সরকার থেকে প্রস্তাব আসুক, তার পরে বিষয়টি নিয়ে ভাবব”, সাফ জানিয়েছেন তিনি।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন