মেট্রোয় মৃত সজলের পরিবারকে এখনই ক্ষতিপূরণ নয়, জানালেন মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক

0
Sajal kanjilal

কলকাতা: ঘটনার তিন দিন বাদে পার্ক স্ট্রিট স্টেশনে দুর্ঘটনায় মৃত সজল কাঞ্জিলালের বাড়িতে গেল মেট্রোর প্রতিনিধি দল। কলকাতা মেট্রোর মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক ইন্দ্রাণী বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ওই প্রতিনিধি দলে ছিলেন চিফ অপারেটিং ম্যানেজারও। সজলের বাড়ির উঠোনে দাঁড়িয়েই ইন্দ্রাণীদেবী জানান, তদন্ত চলছে। কাজেই তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না।

মঙ্গলবার ছিল দুর্ঘটনায় মৃত সজলের শ্রাদ্ধানুষ্ঠান। সজলের পরিবারের দাবি, শ্মশানে দাহ করার সময় মেট্রো কর্তৃপক্ষের আসা সমীচীন ছিল বলে তাঁরা মনে করেন। কিন্তু সে দিন প্রায় মিনিট কুড়ি অপেক্ষা করার পরেও কারো দেখা মেলেনি। এ দিন অবশ্য তাঁর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন মেট্রোর উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। তারা জানায়, কমিশন অব রেলওয়ে সেফটিক তত্ত্বাবধানে ওই দুর্ঘটনার তদন্ত চলছে।

জানা গিয়েছে, মেট্রো প্রতিনিধিদের কাছে পেয়ে সজলের ভাইপোর জন্য চাকরির আবেদন জানানো হয়। কিন্তু তৎক্ষণাৎ সেই আবেদন নাকচ করা হয়। একই সঙ্গে কী ভাবে ওই দুর্ঘটনা ঘটল, তেমন প্রশ্নেরও কোনো সদুত্তর পাননি সজলের পরিবার।

‌এ দিন প্রতিনিধিদল সাফ জানিয়ে দেয়, তদন্তের রিপোর্ট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত তারা ক্ষতিপূরণের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না। কর্তৃপক্ষের এমন বক্তব্য জানার পর ফের বিতর্ক দানা বাঁধে। একাংশের মনে আশঙ্কার সৃষ্টি হয়, তা হলে কি সজলের মৃত্যুর দায় ঝেড়ে ফেলতে পারেন মে‌ট্রো কর্তৃপক্ষ?

প্রসঙ্গত, গত শনিবার সন্ধে ৬.৪০টা নাগাদ পার্কস্ট্রিট মেট্রো স্টেশনের ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় সজলের। দরজায় হাত আটকে যাওয়া যাত্রী সজল কাঞ্জিলালকে টেনে হিঁচড়ে টানেলের মুখ পর্যন্ত নিয়ে যায় চেন্নাই থেকে সম্প্রতি নিয়ে আসা একটি এসি রেক। টানেলে ঢোকার মুখে দেওয়ালে ধাক্কা লেগে বছর ৬৬-র সজলবাবু ছিটকে পড়েন থার্ড রেলে। সেখানেই মৃত্যু। এর পর দিনই তাঁর পরিবারের তরফে মেট্রোর বিরুদ্ধে জোড়া মামলা দায়ের করে কলকাতা পুলিশ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.