kolkata student killed in bus accident

কলকাতা: বাস দুর্ঘটনায় মৃত চিংড়িঘাটার দুই ছাত্রের পরিবারকে দু’লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস দিল রাজ্য সরকার। পাশপাশি জানানো হয়েছে, যান জট এড়াতে গোপালনগর থেকে হাজরা এবং উল্টোডাঙা থেকে মানিকতলা দু’টি উড়ালপুলও নির্মাণ করা হবে।

শনিবার সকাল সোয়া এগারোটা নাগাদ ওই দুর্ঘটনা ঘটার পর থেকেই কার্যত রণক্ষেত্রের আকার নেয় চিংড়িঘাটা এলাকা। উত্তেজিত জনতা তিনটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়। পুলিশের সঙ্গে জনতার খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। যা নিয়ন্ত্রণে নামাতে হয় অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনীকেও।

ইএম বাইপাস অবরোধ করে জনতা। তারা দাবি করতে শুরু করে, অবরোধ তুলতে হলে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীকে আসতে হবে।

এর পরই এলাকা পরিদর্শনে আসেন স্থানীয় বিধায়ক সুজিত বসু। তিনি জনতার সঙ্গে কথা বলে শান্ত হওয়ার আহ্বান জানান। সেখান থেকেই তিনি চলে যান মৃত ছাত্রদের বাড়িতে। কথা বলেন শোকার্ত পরিবারের সঙ্গে।

সুজিতবাবু ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে বলেন, এই ঘটনা খুবই মর্মান্তিক। এলাকায় যানবাহনের নিয়ন্ত্রণে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। বিশ্বজিৎ ভুঁইয়া ও সঞ্জয় বনি নামের যে দুই ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের পরিবারের কথা নিয়েও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

কিন্তু সুজিতবাবু এলাকা ছাড়তেই ফের অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে চিংড়িঘাটা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে পুলিশ লাঠি চালায় এবং কাঁদানে গ্যাসের সাহায্য নেয়। বেশ কিছুক্ষণের তদারকিতে পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি আয়ত্তে নিয়ে আসেন।

বিকালে নবান্নের তরফে জানানো হয়, মৃত ছাত্রদের পরিবার পিছু দু’লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। তবে এই অর্থের পরিমাণ আরও বাড়ানো যায় কি না, তা নিয়েও চিন্তা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, অভিযুক্ত বাস চালককে পুলিশ গ্রেফতার করে এবং তাঁর লাইসেন্স বাতিল করা হয়।

 

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন