শেকসপিয়র সরণির গাড়ি দুর্ঘটনাকাণ্ডে নতুন তথ্য

0

ওয়েবডেস্ক: শেকসপিয়র সরণি দুর্ঘটনাকাণ্ডে উঠে আসছে একের পর এক তথ্য। গত শুক্রবার রাতে ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুর পর তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, শুধু শেকসপিয়র সরণি-ই নয়, তার আগেও একাধিক সিগন্যাল ভেঙেছিলেন প্রাণঘাতী ওই জাগুয়ার গাড়ির চালক আরসালান পারভেজ।

গত শুক্রবার রাত ১.৫০টা নাগাদ শেক্সপিয়র সরণি থানার উল্টো দিকে লাউডন স্ট্রিটের মোড়ে দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল। আরসালানের জাগুয়ারটি তারামণ্ডলের দিক থেকে কলামন্দিরের দিকে যাচ্ছিল। সেই সময় একটি মার্সিডিজ় বেঞ্চ সেডান গাড়ি যাচ্ছিল পার্ক স্ট্রিট থেকে মিন্টো পার্কের দিকে। লাউডন স্ট্রিটের মোড়ে আরসালানের গাড়িটি তীব্র গতিতে এসে মার্সিডিজ়ের পেটে ধাক্কা মারে। মার্সিডিজ়টি ধাক্কা মারে মোড়ের পুলিশ কিয়স্কে। সেখানেই বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিন বাংলাদেশি নাগরিক। বিস্তারিত পড়ুন: হোটেলে ফেরার জন্য ট্যাক্সির অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিলেন মইনুল-তানিয়া

পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে জানা গিয়েছে, শুধু শেকসপিয়র থানার সামনেই নয়, প্রথম থেকেই বেপরোয়া ভাবে গাড়ি চালাচ্ছিলেন আরসালান। তিনি মিডলটন স্ট্রিট এবং জওহরলাল নেহরু রোডের ক্রসিংয়ে সিগন্যাল ভাঙেন। এমনকী থিয়েটার রোডের সংযোগস্থলেও সিগন্যাল ভাঙেন। সেখান থেকে লাউডন স্ট্রিটের মোড়ে এসে মার্সিডিজটিকে ধাক্কা মারেন। সেখান থেকে হেঁটে বাড়ি ফিরে যান আরসালান। দুর্ঘটনার সময় তাঁর গাড়ির গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ কিমি ছিল বলে জানা গিয়েছে।

এই দুর্ঘটনায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৭৯ (বেপরোয়া ভাবে গাড়ি চালানো), ৪২৭ (সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করা) এবং ৩০৪(২) (অনিচ্ছাকৃত মৃত্যু ঘটানো) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে আরসালানের বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে জানা গিয়েছে, আরসালানকে গ্রেফতারের পর তাঁর বিরুদ্ধে ৩০৪এ ধারায় মামলা হলেও পরে সেটি পরিবর্তন করা হয়। ৩০৪এ অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা হলেও জামিনযোগ্য ছিল। কিন্তু পারভেজকে গ্রেফতারের পর ৩০৪ ধারায় মামলা পরিবর্তন করে। এটি জামিন অযোগ্য ধারা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here