Connect with us

কলকাতা

সিঁথিকাণ্ডে নাটকীয় মোড়! উধাও একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী

Asura bibi

কলকাতা: সিঁথি থানায় পুলিশ হেফাজতে ব্যবসায়ী রাজকুমার সাউয়ের মৃত্যুর ঘটনায় নয়া মোড়। জানা গিয়েছে, রহস্যজনক ভাবে উধাও হয়ে গিয়েছেন ঘটনার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী আসুরাবিবি।

নির্মীয়মান একটি বহুতলের সামগ্রী চুরির অভিযোগের তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথম আটক করে আসুরাবিবিকে। পেশায় তিনি কাগজকুড়ানি। দাবি করা হয়, তাঁর বয়ানের ভিত্তিতেই আটক করা হয় ছাঁট লোহার ব্যবসায়ী রাজকুমারকে। তিনি পাইকপাড়া এলাকার বাসিন্দা। রাজা মণীন্দ্র রোডে পুরনো রাজকুমার লোহা এবং কাগজ কেনাবেচার ব্যবসা করতেন। তিনি চোরাই জিনিস কিনেছেন, এমন অভিযোগেই তাঁকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। গত সোমবার তাঁর মৃত্যুর পরেও সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে আসুরাবিবি দাবি করেন, তাঁকে জোর করে মিথ্যে বলিয়েছিল পুলিশ।

পুলিশের দাবি, ব্যবসায়ী আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন। পুলিশের জেরার মুখে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। তবে আসুরাবিবি জানান, তাঁর সমানেই মারধর করা হয় ব্যবসায়ীকে। এমনকী তাঁকেও চড় মারা হয়। তিনি যে অন্ত‌ঃসত্ত্বা, সে কথা পুলিশকে জানানো সত্ত্বেও তাঁর সঙ্গে নির্দয় আচরণ করা হয়।

মৃতের পরিবারের দাবি, আসুরাবিবি তাঁদের জানিয়েছিলেন, থানায় জেরার সময় দোষ স্বীকার করানোর জন্য ইলেক্ট্রিকের শক দেওয়া হয় ব্যবসায়ীকে। এ ব্যাপারে ব্যবসায়ীর ভাই রাকেশ সাউ দাবি করেছেন, এসআই সৌমেন্দ্রনাথ দাস এবং আরও দুই অফিসার অরিন্দম দাস এবং চিন্ময় মোহান্ত তাঁর দাদার মৃত্যুর জন্য দায়ী।

লালবাজার জানিয়েছে, অভিযুক্ত তিন পুলিশ আধিকারিককে ‘ক্লোজ’ করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৬৬ (কারও ক্ষতিসাধনে সরকারি কর্মীর নির্দেশ অমান্য), ১৬৬এ (সরকারি কর্মীর আইনি নির্দেশ অমান্য), ৩৩০ (স্বীকারোক্তি আদায়ে আহত করা), ৩৪২ (অন্যায় ভাবে আটকে রাখা), ৩৪৮ (স্বীকারোক্তি আদায়ে আটক), ৩০৪ (অনিচ্ছাকৃত মৃত্যু ঘটানো) এবং ৩৪ (একই উদ্দেশে অপরাধ) ধারায় মামলা রুজু করে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন: কলকাতায় আগুন লাগল লোকাল ট্রেনে, তীব্র আতঙ্ক

একই সঙ্গে ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে মানবাধিকার কমিশন। গত মঙ্গলবার সকালেই ওই ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করার আবেদন করেন মৃতের প্রতিবেশী এক আইনজীবী। শুনানিতে হাইকোর্ট জানায়, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নির্দেশিকা মেনে মৃতদেহের ময়নাতদন্তের ভিডিওগ্রাফি করার নির্দেশ দেয়।

Continue Reading
Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

কলকাতা

উম্পুন-দুর্গতদের জন্য ডাঃ শশী পাঁজার হাতে ত্রাণ তুলে দিল হরি ঘোষ স্ট্রিট দুর্গোৎসব কমিটি

খবর অনলাইন ডেস্ক: উম্পুনে (Amphan) বিধ্বস্ত অঞ্চলের মানুষের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল হরি ঘোষ স্ট্রিট দুর্গোৎসব কমিটি (Hari Ghosh Street Durgotsav Committee) । সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড়-দুর্গতদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়া হল রাজ্যের মন্ত্রী ডাঃ শশী পাঁজার (Dr. Shashi Panja) হাতে।

এই ত্রাণকাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন উত্তর কলকাতার ১৭নং ওয়ার্ডের সকল দুর্গাপূজা কমিটি। তা ছাড়া কাশী বোস লেন, হরি ঘোষ স্ট্রিট, ভীম ঘোষ লেন, ভীম ঘোষ বাই লেন, কালী মিত্র লেন, শিবু বিশ্বাস লেন, জগদীশ নাথ রায় লেন, বিধান সরণি, রাম নারায়ণ ভট্টাচার্য লেন ও বিডন রো-র অধিবাসীবৃন্দ।

ওই সব এলাকার নাগরিকবৃন্দ স্বেচ্ছায় নিজেদের সাধ্যমতো বস্ত্র এবং খাদ্যসামগ্রী জোগাড় করে ও কিনে এবং তা একত্রিত  শ্যামপুকুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়িকা তথা রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ দফতরের ডাঃ শশী পাঁজার হাতে তুলে দেন।   

যে সব ত্রাণসামগ্রী মাননীয়া মন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে তা হল শাড়ি ৩০০টি, পুরুষদের পোশাক ১৫০টি, বাচ্চাদের পোশাক ১৫০টি, চিঁড়ে ৪৫ কেজি, মুড়ি ৪০০ প্যাকেট (২৫০ গ্রাম করে), গুঁড়ো দুধ ৫০০ প্যাকেট, বিস্কুট ১৪০০ প্যাকেট, কেক ৩৬৫টি, হরলিক্স ২০ প্যাকেট,  ছাতু ৩৭০ প্যাকেট (১০০ গ্রাম করে), ভাজা চিঁড়ে ৫৩ প্যাকেট, হাত ধোয়ার সাবান ৩৫০টি ও বাতাসা ২৫০ গ্রাম।

এ ছাড়াও দুর্গোৎসব কমিটি র তরফে  ভারত সেবাশ্রম সংঘকে ৫০০০ টাকা,  মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ৫০০০ টাকা এবং ফোরাম ফর দুর্গোৎসবের ত্রাণ তহবিলে ৩০০০ টাকার অনুদান পাঠানো হয়েছে। এই কর্মযজ্ঞে শামিল হওয়ার জন্য সমস্ত এলাকাবাসীকে কমিটির তরফে কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।

Continue Reading

কলকাতা

দু’মাস বন্ধ থাকার পর চালু হচ্ছে কলকাতা আর হাওড়ার মধ্যে ফেরি পরিষেবা

খবর অনলাইনডেস্ক: দু’ মাসেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকার পর সোমবার থেকেই কলকাতা আর হাওড়ার মধ্যে ফেরি পরিষেবা শুরু হচ্ছে। রাজ্য পরিবহণ নিগম ও হুগলি নদী জলপথ পরিবহণ সমবায় সমিতির তরফে চালানো হবে লঞ্চ।

সরকারি ভাবে লকডাউন (Lockdown) জারি থাকলেও সাধারণ মানুষকে বেরোতে হচ্ছে। অফিস খুলে যাচ্ছে। এ দিকে তুলনায় গণপরিবহণ কম। রাস্তায় বেরিয়ে নাকাল হচ্ছেন যাত্রীরা।

ট্রেন বা মেট্রো কবে চলবে কোনো ঠিক নেই। এই পরিস্থিতিতেই এ বার ফেরি পরিষেবা শুরুর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তবে কোরোনা সংক্রমণ ঠেকাতে বেশ কিছু নিয়মকানুন জারি করা হচ্ছে। শারীরিক দূরত্ববিধি বজায় রাখার জন্য ভেসেলের যাত্রী ক্ষমতার ৪০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে চালানো হবে লঞ্চগুলিকে ।

পাশাপাশি লঞ্চে ওঠার ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে মাস্ক। কেউ মাস্ক না পরে থাকলে তাকে লঞ্চে উঠতে দেওয়া হবে না বলেও জানানো হয়েছে।

হাওড়া-বাগবাজার, হাওড়া-চাঁদপাল ঘাট, নাজিরগঞ্জ-মেটিয়াব্রুজ এবং নুরপুর-গাদিয়াড়ার মধ্যে ফেরি চালাচল শুরুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। প্রতিটি রুটে এক ঘণ্টা অন্তর লঞ্চ চালানো হবে। সকাল আটটা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভেসেল চলবে। কর্মীরা থাকবেন সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত।

Continue Reading

কলকাতা

সোমবার থেকে খুলছে নিউমার্কেট-সহ আরও ৪৫ পুরবাজার

কলকাতা: আগামী সোমবার ১ জুন থেকে খুলে যাবে নিউমার্কেট-সহ (New Market) কলকাতার আরও ৪৫টি পুরবাজার।

তবে শর্তসাপেক্ষে এই বাজারগুলি খোলা যাবে। পুরসভার নির্দেশ, বাজার খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত। তার পরেই বাজারের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে।

মার্চের শেষ সপ্তাহে লকডাউন (Lockdown) শুরু হওয়ার পর থেকেই বন্ধ হয়ে যায় কলকাতা সব বাজার আর শপিং মল। বাজারগুলির অন্তর্গত নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হলেও বাকি সব দোকান বন্ধই রাখা হয়। দীর্ঘদিন দোকান বন্ধ থাকায় মাথায় হাত ওঠে ব্যবসায়ীদের।

এরই মধ্যে গত ১৮ মে একটি নির্দেশিকায় কলকাতাকে করোনার আবহে ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’ জোনে ভাগ করা হয়। ‘এ’ জোন, অর্থাৎ সংক্রমিত জোনে কোনো দোকান খোলা যাবে না। ‘বি’ অর্থাৎ বাফার জোনে একটি বাজারের মধ্যে থাকা নন-এসেনশিয়াল দোকানের ২৫ শতাংশ খোলা যাবে। আর ‘সি’, অর্থাৎ ক্লিন জোনে খোলা যাবে সব দোকান।

পুরসভা সূত্রের খবর, পুর বাজারগুলি আপাতত ‘ক্লিন জোনে’ রয়েছে বলে খবর। তবে যদি দেখা যায় বিশেষ কোনো বাজারের কাছে করোনা সংক্রমণের খবর মিলেছে, তা হলে সেই বাজার আবার বন্ধ করে দেওয়া হবে।

নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, বাজারে নিয়মিত জীবাণুনাশক ছড়াতে হবে। বড়ো দোকানে পাঁচ জন ও ছোটো দোকা‌নে দু’জনের বেশি ক্রেতাকে দাঁড়াতে দেওয়া হবে না। দোকানদার ও কর্মীদের অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। রাখতে হবে হ্যান্ড স্যানিটাইজ়ার।

এই বাজারগুলির খোলার ফলে ব্যবসায়ীরা যে কিছুটা হাঁফ ছেড়ে বাঁচবেন তা বলাই বাহুল্য।

Continue Reading

ট্রেন্ড্রিং