Connect with us

কলকাতা

উম্পুন-দুর্গতদের পাশে নিউটাউনের বাসিন্দারা, পাঠালেন ত্রাণের সামগ্রী

খবর অনলাইনডেস্ক: রাজারহাট-নিউটাউনের বাসিন্দাদের নিয়ে ফেসবুকে একটি গ্রুপ (New Town Forum and News) রয়েছে। সেই গ্রুপের উদ্যোগে সুন্দরবনের (Sunderbans) প্রত্যন্ত গ্রামে পৌঁছে গেল কিছু ত্রাণসামগ্রী। আগামী সপ্তাহে আরও এ রকম শিবির করার পরিকল্পনা করা হয়েছে এই গ্রুপের তরফে।

গত বুধবার, ২০ মে দক্ষিণ ২৪ পরগণার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে তাণ্ডব চালিয়েছে ঘূর্ণিঝড় উম্পুন (Cyclone Amphan)। কলকাতাতেই ঝড়ের যা প্রভাব ছিল, তাতে ভালোমতোই বোঝা গিয়েছিল যে দক্ষিণ ২৪ পরগণার (South 24 Parganas) সমুদ্রতীরবর্তী অঞ্চলে তার প্রভাব কতটা পড়েছে।

সুন্দরবনের গ্রামগুলিতে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতিরও আশঙ্কা করা হচ্ছিল। তাই আর চুপ থাকতে পারেননি সমরেশ দাস এবং আরও কয়েক জন। ত্রাণসামগ্রীর ব্যাপারে অঞ্চলের বাসিন্দা তথা ওই গ্রুপের সদস্যদের কাছেই আবেদন করেন তাঁরা। ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই তুমুল সাড়া পেয়ে যান। সুন্দরবনের পাশে দাঁড়ানোর জন্য একজোট হয় নিউটাউন।

এই সব ত্রাণসামগ্রী নিয়েই রবিবার সুন্দরবনের ছোটো মোল্লখালি গ্রামে পৌঁছে যান সমরেশবাবু এবং তাঁর দলের আরও ন’ জন। গদখালি থেকে লঞ্চে পৌঁছোতে হয় এই গ্রামে। দেড় হাজার মানুষের হাতে ছাতু, মুড়ি, চিঁড়ে, গুড়, বিস্কুট, জল ইত্যাদি তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি জামাকাপড়ও দেওয়া হয় দুর্গত মানুষদের।

সুন্দরবনের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে সমরেশবাবু বলেন, “ওই দিকে ঝড় যে খুব তাণ্ডব চালিয়েছে তা কিন্তু নয়। বাড়িঘর, গাছপালা ভেঙে পড়ার দৃশ্য খুব একটা নেই। কিন্তু প্রচুর বাঁধ ভেঙেছে। এর ফলে সমুদ্রের নোনা জল ঢুকে পড়েছে চাষের জমিতে। কৃষির ভবিষ্যৎ অন্ধকারে।”

ঘূর্ণিঝড় উম্পুনের গতিপথে সুন্দরবন সরাসরি ছিল না। ঝড়টি বকখালি আর সাগরদ্বীপের মাঝখানে ল্যান্ডফল করে কলকাতার দিকে এগিয়ে আসে। মূলত সুন্দরবনকে পাশ কাটিয়েই ঝড়টি বেরিয়ে যায়।

সমরেশবাবুদের আশঙ্কা সাগরদ্বীপ, লোথিয়ান প্রভৃতি দ্বীপে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই বেশি। সেই কারণে আগামী শুক্র-শনিবার এই সব অঞ্চলে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

কলকাতা

দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই বা কলকাতা নয়, বেঙ্গালুরু আর হায়দরাবাদের করোনা-পরিস্থিতি এখন চিন্তার কারণ

এর মধ্যে বেঙ্গালুরুতে আবার সুস্থতার হার দেশের সব শহরের মধ্যে কম

খবরঅনলাইন ডেস্ক: দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই বা কলকাতার থেকেও স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কাছে এখন বেশি চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে দক্ষিণের দুই বড়ো শহর বেঙ্গালুরু আর হায়দরাবাদ। এর মধ্যে বেঙ্গালুরুতে আবার সুস্থতার হার দেশের সব শহরের মধ্যে কম।

এই ছয় শহরে করোনা পরিস্থিতির হালহকিকত

গত তিন দিনে বেঙ্গালুরু আর হায়দরাবাদে করোনা-আক্রান্ত রোগী বেড়েছে যথাক্রমে ১৫.৭ শতাংশ আর ১৫.২ শতাংশ হারে।

তুলনামূলক ভাবে এই সময়ের মধ্যে দিল্লিতে রোগী বেড়েছে ২.৬ শতাংশ হারে, চেন্নাইয়ে ২.৯ শতাংশ আর মুম্বইয়ে ১ শতাংশ। কলকাতায় রোগী বেড়েছে ৭.৬৭ শতাংশ হারে।

আবার এই ছয় শহরের মধ্যে বেঙ্গালুরুতে সুস্থতার হার এখন সবার থেকে কম (১৪.৭ শতাংশ)। বেঙ্গালুরুর থেকে সুস্থতার হারে অনেক এগিয়ে দিল্লি (৭১.৭ শতাংশ), চেন্নাই (৬২ শতাংশ), মুম্বই (৬৬.১ শতাংশ), কলকাতা (৬১.৫ শতাংশ) আর হায়দরাবাদ (৫৭.৪ শতাংশ)।

তবে বেঙ্গালুরু আর হায়দরাবাদে বাকি শহরগুলির থেকে মৃত্যুর হার অনেক কম। এটাই যা স্বস্তিতে রাখছে দুই রাজ্যের প্রশাসনকে।

অব্যবস্থার অভিযোগ বেঙ্গালুরুতে

আক্রান্তের সংখ্যা যত বাড়ছে বেঙ্গালুরুতে অব্যবস্থার অভিযোগ উঠছে। এনডিটিভিকে এক করোনা-আক্রান্ত মহিলা বলেন, অ্যাম্বুলেন্সের জন্য তাঁকে আট ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে নিজের বাড়িতে। এই সময়ে তিনি যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন করলেও তাঁর থেকে তাঁর স্বামী আর ছেলেরও সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা থেকে যেত।

যদিও করোনার চিকিৎসায় কোনো রকম অসুবিধা কারও হবে না বলে শহরবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদিউরাপ্পা।

নমুনা পরীক্ষায় বিস্তর ফারাক কর্নাটক-তেলঙ্গানায়

নমুনা পরীক্ষার হিসেবে যদি করোনা-পরিস্থিতির বিচার করা হয়, তা হলে দেখা যাবে তেলঙ্গানার পরিস্থিতি সব থেকে খারাপ। এই রাজ্যে এখন মোট ১ লক্ষ ২২ হাজার ২১৮টি নমুনার মধ্যে পজিটিভ এসেছে ২৫,৭৩৩টি নমুনা। অর্থাৎ নমুনা পজিটিভের হার রয়েছে ২১.০৫ শতাংশ।

অন্য দিকে ৭ লক্ষ ২২ হাজার ৩০৫টি নমুনার মধ্যে কর্নাটকে পজিটিভ হয়েছে ২৫,৩১৭টি নমুনা। অর্থাৎ কর্নাটকে নমুনা পজিটিভের হার রয়েছে ৩.৫০ শতাংশ।

Continue Reading

কলকাতা

কলকাতায় এখন ১৮টি কনটেনমেন্ট জোন, ১৮৭২টি আইসোলেশন ইউনিট, ফারাকটা কোথায়?

কলকাতা: কিছু দিন আগেও কলকাতায় ১৫০০-এর বেশি কনটেনমেন্ট জোন ছিল। আচমকা সেটা কমে গিয়ে ১৮ হয়ে গিয়েছে। আসলে কনটেনমেন্ট জোনের সংজ্ঞা বদলে যাওয়ায় এমনটা হয়েছে বলে জানাচ্ছে কলকাতা পুরসভা (KMC)।

পুরসভার মতে, এখন থেকে শহরের কোনো লেন বা গলিতে অনেকে সংক্রমিত হলে সেই রাস্তাটি বন্ধ করে কনটেনমেন্ট জোন করা হবে। অন্য দিকে দু’-একটি করোনা সংক্রমণ হলে সংশ্লিষ্ট বাড়িটিকে আইসোলেশন ইউনিট বলা হবে।

শহরের কনটেনমেন্ট জোন

একটি নির্দিষ্ট এলাকায় অনেকে সংক্রমিত হয়েছেন এমন ১৮টি এলাকা চিহ্নিত হয়েছে শহর কলকাতায়। এই সব জায়গা এখন থেকে কলকাতা পুলিশের কড়া নজরদারিতে থাকবে বলে জানানো হয়েছে। পুরসভা থেকেই বাড়িতে বাড়িতে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী দিয়ে আসা হবে।

***** শহরের ১৮টি কনটেনমেন্ট জোনের চারটে রয়েছে ভবানীপুরে – জাস্টিস মাধবচন্দ্র রোড, এলগিন রোড, শরৎ বোস রোড আর চক্রবেড়িয়া রোডে।

***** আলিপুরে রয়েছে দু’টি জায়গা – সত্যম টাওয়ার আর জাজেস কোর্ট রোডে।

***** পন্ডিতিয়া রোড।

***** টালিগঞ্জের গল্‌ফ ক্লাব রোড।

***** ইন্দ্রপুরী স্টুডিওর কাছে টলি পার্ক অ্যাপার্টমেন্ট।

***** মুকুন্দপুরের পূর্বালোক।

***** গড়িয়াহাটের ডোভার টেরেস আর ডোভার লেন।

***** শরৎ ব্যানার্জি রোড।

***** বাগবাজারের মরাঠা ডিচ লেন ও মরাঠা ডিচ সরণি।

***** কাঁকুড়গাছির সিআইটি স্কিম ৭ আর মতিলাল বসাক লেন।

***** উলটোডাঙার আরিফ রোড আর অধরচন্দ্র দাস লেন।

মুখ্য প্রশাসকের বক্তব্য

এই প্রসঙ্গেই কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, “কনটেনমেন্ট জোনে আরও কড়াকড়ির জন্যই নতুন এই মাপকাঠি আনা হয়েছে। এই এলাকার বাইরে সাধারণ মানুষ নিজের কাজকর্ম স্বাভাবিক ছন্দেই করুন, সেটা আমরা চাই।”

গত কয়েক দিনে শহরে নমুনা পরীক্ষা অনেক বাড়ানো হয়েছে বলে জানান ফিরহাদ। সংক্রমিত এলাকাগুলি থেকে পুরসভার স্বাস্থ্যকর্মীরা বাসিন্দাদের লালারসের নমুনা সংগ্রহ করছেন। আর সে কারণেই গত কয়েক দিনে কলকাতায় করোনা-সংক্রমিতের সংখ্যা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।

তবে কলকাতার কাছে স্বস্তির খবর এই জেলা, আনলক পর্বে, দেশের অন্য বড়ো শহরে যে হারে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, সে রকম পরিস্থিতি কলকাতায় এখনও নেই।

Continue Reading

কলকাতা

শর্ট সার্কিট থেকে আগুন, বেহালায় পুড়ে মৃত্যু মা-মেয়ের

খবরঅনলাইন ডেস্ক: শর্ট সার্কিট থেকে আগুন। আর সেই আগুনে পুড়ে মৃত্যু হল মা-মেয়ের। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার দুপুরে, কলকাতার (Kolkata) বেহালা (Behala) অঞ্চলে। মায়ের নাম সোমা মিত্র (৬৮) এবং মেয়ের নাম কাকলি মিত্র (৪২)। বাড়ির আর দু’ জন বাসিন্দা রক্ষা পেয়েছেন।

দমকলের এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “ওই দুই মহিলা দোতলা বাড়ির দ্বিতীয় তলে আটকা পড়ে গিয়েছিলেন। সেখানেই তাঁদের পুড়ে মৃত্যু হয়। আগুন নিভে যাওয়ার পরে তাঁদের দগ্ধ দেহ উদ্ধার করা হয়।”

স্থানীয় অধিবাসীরা জানান, সাড়ে ১২টা নাগাদ তাঁরা একটা প্রচণ্ড জোর আওয়াজ শুনতে পান। তার পরেই আগুন লেগে যায়।

অগ্নি নির্বাপণ বিভাগের প্রাথমিক অনুসন্ধান থেকে জানা যায়, শর্ট সার্কিট (short circuit) থেকে আগুন লেগে থাকতে পারে। গোটা ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।

বাড়িতে পাঁচ জন থাকতেন। বাড়ির অন্য দুই আগুনের পরে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। আর ঘটনাটার সময় বাড়ির পঞ্চম বাসিন্দা বাড়ির বাইরে ছিলেন বলে জানা যায়।

Continue Reading
Advertisement
দেশ33 mins ago

বিতর্ক বাঁধলেও ‘পতঞ্জলির করোনা ওষুধ’ অনলাইনে খোঁজের তালিকার শীর্ষস্থানে

অনুষ্ঠান1 hour ago

৮০-র পরেও নতুন অভিজ্ঞতার ‘শ্যামা’য় তিনি অভিভূত, বললেন সত্তরোর্ধ্ব নৃত্যশিল্পী পলি গুহ

drama
অনুষ্ঠান1 hour ago

শ্যামা ও বজ্রসেন চরিত্রের ফ্ল্যাশব্যাক, সম্পূর্ণ নতুন ভাবনা ‘শ্যামা’ নৃত্যনাট্যে

দেশ2 hours ago

অত্যাবশ্যক পণ্য তালিকা থেকে বাতিল মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার

বিদেশ3 hours ago

ভারতের পর আমেরিকায় চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ হওয়ার পথে

dhoni
ক্রিকেট5 hours ago

জন্মদিনে ফিরে দেখা মহেন্দ্র সিংহ ধোনির ম্যাচ জেতানো তিনটে সেরা ইনিংস

কলকাতা6 hours ago

দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই বা কলকাতা নয়, বেঙ্গালুরু আর হায়দরাবাদের করোনা-পরিস্থিতি এখন চিন্তার কারণ

দেশ7 hours ago

নতুন আক্রান্তের সংখ্যায় উল্লেখযোগ্য পতন, বাড়ল সুস্থতার হার

কেনাকাটা

কেনাকাটা22 hours ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

কেনাকাটা2 days ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

DIY DIY
কেনাকাটা7 days ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে...

smartphone smartphone
কেনাকাটা1 week ago

লকডাউনের মধ্যে ফোন খারাপ? রইল ৫ হাজারের মধ্যে স্মার্টফোনের হদিশ

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে ঘরে বসে যতটা কাজ সারা যায় ততটাই ভালো। তাই মোবাইল ফোন খারাপ...

নজরে