Majherhat

কলকাতা: মাঝেরহাট সেতুর একাংশ ভেঙে পড়ার পরই শুরু হয়ে গেল রাজনৈতিক তরজা। মঙ্গলবার সেতুটির একাংশ ভেঙে পড়ার পরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দার্জিলিংয়ে জানান, এ মুহূর্তে তিনি অগ্রাধিকার দিতে যান উদ্ধারকাজ এবং আহতদের চিকিৎসায়। এ ব্যাপারে তাঁর সরকার যাবতীয় উদ্যোগ নিয়েছে। যদিও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে রাজ্য সরকারে উদাসীনতাকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করা হয়।

এ দিন বামফন্ট চেয়ারম্যান  বিমান বসু বলেন, “এটা একটা দু:খজনক ঘটনা। কী ভাবে এই ঘটনা ঘটল তা তদন্ত করে দেখা হোক। দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বেশি। এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করছি”।

অন্য দিকে রাজ্য সরকারকে রীতি মতো তুলোধনা করেছেন বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। তিনি বলেন, “সরকার জানত মাঝেরহাট সেতুর অবস্থা খারাপ। কিন্তু ‘সিন্ডিকেট সরকার’ সে দিকে নজর দেয়নি। সাধারণ মানুষের সমস্যা নিয়ে মাথা ঘামানোর তাদের সময় নেই”।

একই ভাবে আর এক বিজেপি সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় একাধিক সেতুর হাল বেহাল হয়ে পড়ে আছে। যত দ্রুত সম্ভব এগুলির মেরামতির কাজ করা হোক”।

এ দিন মমতা বলেন, “কোনো এক জনের মৃত্যুও দু:খজনক। আমরা মর্মাহত। আমি দার্জিলিংয়ে আছি। আজই ফিরতে চাইছি। কিন্তু কোনো বিমান নেই। আগামী কাল (বুধবার) যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কলকাতায় ফিরব”।

পাশাপাশি তিনি বলেন, “আমরা প্রথমেই গুরুত্ব দিতে চাই উদ্ধারকাজে। আহতদের চিকিৎসায় কোনো খামতি থাকবে না। এর পরে আমরা যথাযথ তদন্ত করব”।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন