Connect with us

কলকাতা

লকডাউনের জেরে দুর্গত, সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল শ্রীরামকৃষ্ণ প্রেমবিহার

sree ramakrishna prema bihar head office

খবর অনলাইন ডেস্ক: কেউ রিকশা চালান, কেউ বা নির্মাণকাজে জোগাড়ের কাজ করেন। কেউ মালবাহকের কাজ করেন, কেউ বা দিনমজুর। কেউ ঠিকে পরিচারিকার কাজ করেন, কেউ বা বাবুর বাড়ি রান্না। করোনাভাইরাসের জেরে দেশ জুড়ে চলছে লকডাউন। আমাদের এই রাজ্যও তার ব্যতিক্রম নয়। রোজকার কাজ হারিয়ে এঁরা এখন দুর্গত। এর পরেও বহু মানুষ আছেন, যাঁদের স্বাভাবিক সময়েই নুন আনতে পান্তা ফুরোয়। এই দুর্গত মানুষগুলির পাশে দাঁড়াল শ্রীরামকৃষ্ণ প্রেমবিহার।

ত্রাণ নেওয়ার জন্য সমর সরণিতে লাইন।

সোমবার সকালে দমদমের সমর সরণিতে (রেডিও গলি) অবস্থিত প্রেমবিহারের সদর দফতর থেকে দুর্গতদের জন্য ত্রাণ বিলি করা হয়। সকাল থেকেই আশেপাশের দুর্গত মানুষজন সমর সরণিতে আসেন। তাঁদের রাস্তার এক ধার বরাবর যথেষ্ট পরিমাণ নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে দাঁড় করানো হয়। গোটা ব্যাপারটি আশ্রমের তরফ থেকে দেখভাল করা হয়। এ ব্যাপারে স্থানীয় থানার পুলিশকর্মীরা নজরদারি চালান।

সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ বণ্টন শুরু হয়। প্রায় ২০০ জন দুর্গত মানুষের প্রত্যেকের হাতে তুলে দেওয়া হয় ২ কিলো চাল, দেড় কিলো আটা, ১ কিলো চিঁড়ে, ২ কিলো আলু, ২০০ মিলি সরষের তেল, ৫০০ গ্রাম নুন, ১ প্যাকেট বিস্কুট, সোয়াবিন ও গুড়।

আশ্রমের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মোটামুটি ঘণ্টা আড়াই ধরে বিলিবণ্টন পর্ব চলে। বেলা ১২টা নাগাদ সব কাজ সুশৃঙ্খল ভাবে সুসম্পন্ন হয়।    

পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর থানার অন্তর্গত কাজলা গ্রামে শ্রীরামকৃষ্ণ প্রেমবিহারের যে শাখা আছে, সেখান থেকেও এ দিন দুর্গতদের জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় তৈজসপত্র বিলি করা হয়।

কাজলা গ্রামে ত্রাণ বণ্টন।

আশেপাশের গ্রামগুলি থেকে দুর্গত মানুষজন এসেছিলেন। এমনই ৩৭৫ জন মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হয় চাল, আটা, আলু, চিঁড়ে, সরষের তেল, নুন, সোয়াবিন, গুড় ও বিস্কুট।

কলকাতা

বৃহস্পতিবার থেকে পুরোনো ভাড়াতেই নামছে বেসরকারি বাস-মিনিবাস

কলকাতা: অবশেষে কাটল জটিলতা। বৃহস্পতিবার থেকেই কলকাতার রাস্তায় নামবে বেসরকারি বাস ও মিনিবাস। আপাতত পুরোনো ভাড়াতেই বাস নামানো হবে বলে জানা গিয়েছে।

সোমবার থেকে শুরু হয়েছে ‘আনলক ১ (Unlock 1)।’ অনেক অফিস খুলে গিয়েছে। সাধারণ মানুষকে রাস্তায় বেরোতে হচ্ছে। কিন্তু বেসরকারি বাস আর মিনিবাসের অভাবে চূড়ান্ত সমস্যায় পড়েন নিত্যযাত্রীরা।

রাস্তায় বাসের সংখ্যা না বাড়লে কোনো ভাবেই যে শারীরিক দূরত্ববিধি মানা সম্ভব নয়, তেমনই জানিয়ে দেন নিত্যযাত্রীরা। এই পরিস্থিতিতেও ভাড়া বাড়ানোর পক্ষে অনড় ছিলেন বেসরকারি বাস-মিনিবাস মালিকেরা।

ভাড়া বাড়ানো সংক্রান্ত বিষয়ে বুধবার মালিকপক্ষ আলোচনায় বসেছিল। ওই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, মানুষের অসুবিধার কথা চিন্তা করে ধীরে ধীরে সব রুটে বাস নামাতে হবে। তবে ভাড়া যে বাড়াতেই হবে, তা-ও স্পষ্ট করে দেওয়া হয় ওই বৈঠকে।

কম যাত্রী নিয়ে চললে ভাড়া না বাড়ানো ছাড়া কোনো উপায় নেই বলে জানিয়েছিলেন বাসমালিকরা। অন্য দিকে রাজ্যও কড়া অবস্থান নিয়ে জানিয়ে দিয়েছিল, এই কঠিন পরিস্থিতিতে কোনো মতেই ভাড়া বাড়ানো যাবে না।

জয়েন্ট কাউন্সিল অব বাস সিন্ডিকেটের পক্ষে তপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমরা এখনই ভাড়া বাড়াচ্ছি না। তবে কাল (বৃহস্পতিবার) থেকে ধীরে ধীরে বাস নামবে। সরকার রেগুলেটরি কমিটি করেছে। তারা ভাড়া বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছে। আমরা এই সিদ্ধান্ত তাদের উপরে ছেড়ে দিচ্ছে।”

বাস-মিনিবাস পথে নামার পর, গণপরিবহণ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে যাবে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে অটো-ট্যাক্সি-ক্যাবে যত আসন, তত যাত্রী নিয়ে যাওয়ার অনুমতিও মিলেছে। চালু হয়েছে জলপথ পরিবহণও। গণপরিবহণ স্বাভাবিক হলে ভিড় অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

পড়তে থাকুন

কলকাতা

বুধবার থেকে শহরে ট্যাক্সি-অটোয় সব আসনেই যাত্রী

খবর অনলাইনডেস্ক: আনলক ১-এর (Unlock 1) নির্দেশিকায় ট্যাক্সি-অটোয় যাত্রী সংখ্যা নিয়ে কোনো বিধিনিষেধ রাখেনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (Ministry of Home Ministry)। সেই নির্দেশ অনুসরণ করে এ বার কলকাতাতেও ট্যাক্সি আর অটোয় সব আসনেই যাত্রী নেওয়া যাবে।

বুধবার থেকে কলকাতা-সহ গোটা রাজ্যে অটো, ট্যাক্সি আর অ্যাপ ক্যাব তাদের সব আসনেই যাত্রী নিতে পারবে। এর ফলে সর্বোচ্চ চার জন করে যাত্রী তুলতে পারবেন চালকরা। এই প্রসঙ্গেই পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সংবাদমাধ্যমে বলেন, “বুধবার থেকে আসনের সমসংখ্যক যাত্রী নিতে পারবে অ্যাপ ক্যাব, ট্যাক্সি ও অটো।”

গত কয়েক দিন দু’জন করে যাত্রী নিচ্ছিল অটো-ট্যাক্সি। এর ফলে দুর্ভোগেও পড়ছিলেন সাধারণ মানুষ। তবে নতুন নির্দেশিকায় সেই দুর্ভোগ কিছুটা কমবে বলেই মনে করা যায়।

মঙ্গলবার দুপুরে কসবা পরিবহণ ভবনে রাজ্য পরিবহণ দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন অনলাইন ক্যাব অপারেটর্স গিল্ডের প্রতিনিধিরা। যাত্রীদের সুবিধার জন্য আরও বেশি করে অ্যাপ ক্যাব পথে নামানো নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে অনলাইন ক্যাব অপারেটর্স গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রনীল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বুধবার থেকে অ্যাপ ক্যাবের চারটি আসনেই যাত্রী পরিবহণ করার অনুমতি মিলেছে।”

তবে অ্যাপ ক্যাবে এখনই পুল সার্ভিস চালু হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন তিনি।

পড়তে থাকুন

কলকাতা

উম্পুন-দুর্গতদের জন্য ডাঃ শশী পাঁজার হাতে ত্রাণ তুলে দিল হরি ঘোষ স্ট্রিট দুর্গোৎসব কমিটি

খবর অনলাইন ডেস্ক: উম্পুনে (Amphan) বিধ্বস্ত অঞ্চলের মানুষের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল হরি ঘোষ স্ট্রিট দুর্গোৎসব কমিটি (Hari Ghosh Street Durgotsav Committee) । সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড়-দুর্গতদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়া হল রাজ্যের মন্ত্রী ডাঃ শশী পাঁজার (Dr. Shashi Panja) হাতে।

এই ত্রাণকাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন উত্তর কলকাতার ১৭নং ওয়ার্ডের সকল দুর্গাপূজা কমিটি। তা ছাড়া কাশী বোস লেন, হরি ঘোষ স্ট্রিট, ভীম ঘোষ লেন, ভীম ঘোষ বাই লেন, কালী মিত্র লেন, শিবু বিশ্বাস লেন, জগদীশ নাথ রায় লেন, বিধান সরণি, রাম নারায়ণ ভট্টাচার্য লেন ও বিডন রো-র অধিবাসীবৃন্দ।

ওই সব এলাকার নাগরিকবৃন্দ স্বেচ্ছায় নিজেদের সাধ্যমতো বস্ত্র এবং খাদ্যসামগ্রী জোগাড় করে ও কিনে এবং তা একত্রিত  শ্যামপুকুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়িকা তথা রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ দফতরের ডাঃ শশী পাঁজার হাতে তুলে দেন।   

যে সব ত্রাণসামগ্রী মাননীয়া মন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে তা হল শাড়ি ৩০০টি, পুরুষদের পোশাক ১৫০টি, বাচ্চাদের পোশাক ১৫০টি, চিঁড়ে ৪৫ কেজি, মুড়ি ৪০০ প্যাকেট (২৫০ গ্রাম করে), গুঁড়ো দুধ ৫০০ প্যাকেট, বিস্কুট ১৪০০ প্যাকেট, কেক ৩৬৫টি, হরলিক্স ২০ প্যাকেট,  ছাতু ৩৭০ প্যাকেট (১০০ গ্রাম করে), ভাজা চিঁড়ে ৫৩ প্যাকেট, হাত ধোয়ার সাবান ৩৫০টি ও বাতাসা ২৫০ গ্রাম।

এ ছাড়াও দুর্গোৎসব কমিটি র তরফে  ভারত সেবাশ্রম সংঘকে ৫০০০ টাকা,  মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ৫০০০ টাকা এবং ফোরাম ফর দুর্গোৎসবের ত্রাণ তহবিলে ৩০০০ টাকার অনুদান পাঠানো হয়েছে। এই কর্মযজ্ঞে শামিল হওয়ার জন্য সমস্ত এলাকাবাসীকে কমিটির তরফে কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।

পড়তে থাকুন

নজরে