sahamarmi

ওয়েবডেস্ক: অন্যান্য বছরের মতো এ বারও ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে পড়ল গড়িয়া স্টেশন সংলগ্ন অঞ্চলের দুঃস্থ শিশুরা। ‘সহমর্মী’র হাত ধরে। এটাই যে তাদের বার্ষিক উৎসব। এই দিনটার জন্যই তারা বছরভর অপেক্ষা করে থাকে।

মহাষষ্ঠীর সকালে প্রবল গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়া উপেক্ষা করেই ‘সহমর্মী’ যথারীতি পুজো পরিক্রমায় বেরিয়েছিল আনন্দ-বঞ্চিত সুখ-বঞ্চিত ৪৩টি শিশুকে নিয়ে। এই দলে সব থেকে ছোটো শিশুটি টিনা। তাঁর বয়স সবে তিন ছুঁয়েছে। এই শিশুদের ঠিকঠাক দেখভালের জন্য ছিলেন সহমর্মীর পক্ষ থেকে দশজন স্বেচ্ছাসেবক। সকাল ন’টা নাগাদ যাত্রা শুরু। সঙ্গে ছিল বিস্কুট, কোল্ড ড্রিঙ্কস এবং ক্যান্ডি। টুকটাক খেতে খেতেই চলল ঠাকুর দেখা।

সহমর্মীর প্রথম গন্তব্য ছিল বোসপুকুর। সেখান থেকে একডালিয়া, সিংহীপার্ক, বালিগঞ্জ কালচারাল, সমাজসেবী, হিন্দুস্তান পার্ক, ত্রিধারা সম্মিলনী, দেশপ্রিয় পার্ক, মুদিয়ালি হয়ে শিবমন্দিরে শেষ হয়ে পুজো সফর। ঠাকুর দেখার মধ্যেই রবীন্দ্র সরোবর সংলগ্ন একটি পার্কে বসে মধ্যাহ্নভোজনের পালাও হয়। মধ্যাহ্নভোজনে ছিল মিক্সেড ফ্রায়েড রাইস, চিলি ফিশ, চিকেন মাঞ্চুরিয়ান এবং সন্দেশ।

sahamarmi 1

এর কয়েক দিন আগে অবশ্য আরও এক বাৎসরিক উৎসব সেরে ফেলেছিল তারা। মহালয়ার সকালে এলাকার দুঃস্থ ছেলেমেয়েদের জামাকাপড় বিতরণ করা হয়। ‘সহমর্মী’র দেওয়া সেই নতুন পোশাক পরেই পুজো পরিক্রমায় পা মেলাল শিশুরা।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন