খবর অনলাইন ডেস্ক: মঙ্গলবার ছিল বাগদেবীর আরাধনা, আপামর বাঙালির ঘরে মা সরস্বতী পুজো পেলেন নিষ্ঠার সঙ্গে। কুন্দনিকেতনের দেবীও বেশ ধুমধামেই পুজো পেলেন। সমস্ত নিয়মবিধি মেনে পুজো হয়েছে পরিবারে। পুজোয় কোনো খামতি ছিল না বলেই জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। তবে এ বছর অতিরিক্ত ছিল করোনার বিধিনিষেধ।  

সাবর্ণ রায় চৌধুরীদের নাম করলেই তিলোত্তমা কলকাতার নাম এসেই যায়, কারণ কলকাতার বিবর্তনের ইতিহাসে এই পরিবারের অবদান অনস্বীকার্য। দক্ষিণ কলকাতার বড়িশা-সহ বিভিন্ন অঞ্চলে চৌধুরীদের বসবাস রয়েছে। ঢাকুরিয়াতেও রায় চৌধুরী পরিবারের বেশ কিছু সদস্য বহু বছর ধরে রয়েছেন, তাঁরা সাবর্ণদের চণ্ডীবাড়ির সদস্য।

একটি প্রাচীন ছবি। ছবিতে রয়েছেন সুরেশচন্দ্র রায় চৌধুরীর পুত্র পৃথ্বীশ কুমার রায় চৌধুরী, , রমাপতি রায় চৌধুরী। এ ছাড়াও রয়েছেন পৃথ্বীশ কুমারের দুই কন্যা এবং পরিবারের অন্যরা।

সুরেশচন্দ্র রায় চৌধুরীর বংশধরেরা আজও ঢাকুরিয়ার ‘কুন্দনিকেতন’-এ ধুমধাম করে সরস্বতীপুজো করে আসছেন। রায় চৌধুরী পরিবারের চণ্ডীবাড়ির সুরেশচন্দ্র রায় চৌধুরীর পৌত্ররা বর্তমানে ‘কুন্দনিকেতন’-এ বসবাস করেন। লক্ষ্মীপতি রায় চৌধুরীর স্ত্রী ইভা রায় চৌধুরী প্রথম শুরু করেন এই পুজো, যা এ বছরও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করলেন তাঁদের উত্তরসূরিরা।  

প্রতি বছরের মতো এ বারও কালীঘাটের পটুয়াপাড়া থেকে বিগ্রহ আনা হয় সরস্বতীপুজোর তিন দিন আগে। পরিবারের শ্রীধরনারায়ণ পুরো পুজোটা জুড়েই উপস্থিত থাকেন। সকালে দেবীকে নানা রকমের ফল, মিষ্টির নৈবেদ্য নিবেদন করা হয় এবং তার পর দুপুরে দেবীকে অন্নভোগ দেওয়া হয়। সন্ধ্যায় আরতির মাধ্যমে শেষ হয় সে দিনের পুজো। সন্ধ্যায় দেবীকে লুচিভোগ নিবেদন করা হয়।

পরের দিন সকালে চিঁড়েভোগ হয়, সঙ্গে থাকে নানা রকমের মিষ্টান্ন। সন্ধ্যায় বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হয় পরিবারের সরস্বতীপুজো। এ বছর করোনা ভাইরাসের কারণে শারীরিক দূরত্ববিধি মেনেই পুজো সম্পন্ন হল।

আরও পড়ুন: বীরভূমে কড়িধ্যা গ্রামের নন্দীবাড়ির সরস্বতী পদ্মাসনা, পাশে জয়া ও বিজয়া

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন