কলকাতা: যতটা গর্জাল ততটা বর্ষাল না ঠিক, তবে একেবারে হতাশও করল না কলকাতাবাসীকে। পুরোদমে কালবৈশাখীর স্বাদ না পেলেও দমকা বাতাস এবং ছিটেফোঁটা বৃষ্টিই গরম থেকে স্বস্তি এনে দিল অনেকটা।

মঙ্গলবার কলকাতাকে পাশ কাটিয়ে চলে গিয়েছিল ঝড়, বুধবার দক্ষিণ শহরতলিতে বৃষ্টি হলেও কলকাতার বাকি অংশে কিছুই হয়নি। বৃহস্পতিবার অবশ্য কালবৈশাখীর পরিস্থিতি অনুকূল ছিল কলকাতার জন্য। ছোটোনাগপুর মালভূমি থেকে উৎপত্তি হয়ে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিকে ব্যাপক ঝড়বৃষ্টি দিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টা নাগাদ ঝড় হাজির হয় কলকাতার দোরগোড়ায়। কিন্তু শহরকে পুরোপুরি আঘাত করার আগেই উত্তরাংশকে উড়িয়ে দিয়ে মূল ঝড়টি চলে যায় বাংলাদেশের দিকে, কিন্তু এর প্রভাবে দমকা হাওয়া পুরো শহর জুড়েই হয়েছে। সেই সঙ্গে হয়েছে বৃষ্টি। পরিমাণে কম হলেও, গরমে ওষ্ঠাগত মানুষেরা এই বৃষ্টিতেই স্বস্তি পেয়েছেন।

এ বার অবশ্য কলকাতার ওপর ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা কিছুটা কমবে বলেই ধারণা আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের। আলিপুর আবহাওয়া দফতর, বেসরকারি সংস্থা ওয়েদার আল্টিমা এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত বিদেশি ওয়েবসাইট জানান দিচ্ছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় বাড়বে শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। তাপমাত্রা বাড়লেও চল্লিশ ছোঁয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। অর্থাৎ গত কয়েক বছরের মধ্যে ‘শীতলতম’ গরম এখনও পর্যন্ত বজায় থাকবে কলকাতার জন্য। শহরে ঝড়বৃষ্টি ফিরতে পারে সামনের সপ্তাহের শেষের দিকে।

সোমবার আন্দামানে পৌঁছবে বর্ষা

নির্ধারিত সময়ের দিন পাঁচেক আগেই এবার যাত্রা শুরু করতে চলেছে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। দিল্লির মৌসম ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে যে বর্ষা শুরু হওয়ার সমস্ত সূচক তৈরি হয়ে রয়েছে আন্দামান সাগরে। ইতিমধ্যে আন্দামানে শুরু হয়ে গিয়েছে প্রাক বর্ষার বৃষ্টি। তবে আন্দামানে নির্ধারিত সময়ের পাঁচ দিন আগে বর্ষা পৌঁছলেই যে মূল ভূখণ্ডেও আগেভাগে বর্ষা পৌঁছে যাবে তার কিন্তু কোনো মানে নেই, এমনই জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here