Connect with us

কলকাতা

দেহ নেই শ্মশানে, অথচ খরচের বহর লাখের ঘরে

শৌভিক পাল, কলকাতা: এ যেন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। একেই তো রাজ্যের ট্যাঁকে টাকার অভাব। তার উপর আবার আয়ের থেকে ব্যয় বেশি। কলকাতা পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত কাশী মিত্র শ্মশানঘাট নিয়ে এমনই অভিযোগ উঠে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে অন্যান্য শ্মশানের তুলনায় এখানে মৃতদেহ আসে অনেক কম, অথচ সরকারি খরচ পাহাড়সমান! সরকারি কর্মচারীদের মাসিক বেতন, […]

Published

on

শৌভিক পাল, কলকাতা: এ যেন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। একেই তো রাজ্যের ট্যাঁকে টাকার অভাব। তার উপর আবার আয়ের থেকে ব্যয় বেশি। কলকাতা পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত কাশী মিত্র শ্মশানঘাট নিয়ে এমনই অভিযোগ উঠে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে অন্যান্য শ্মশানের তুলনায় এখানে মৃতদেহ আসে অনেক কম, অথচ সরকারি খরচ পাহাড়সমান!

সরকারি কর্মচারীদের মাসিক বেতন, বেসরকারি সংস্থার নিরাপত্তাকর্মী, বৈদ্যুতিক চুল্লির খরচ হিসাব করলে কাশী মিত্র শ্মশানঘাটের মাসিক খরচের হিসাব দাঁড়ায় প্রায় দেড় লক্ষ টাকা। কিন্তু আয় কয়েক হাজারের ঘরেই রয়ে গেছে।

বাগবাজার সংলগ্ন গঙ্গার পাড়ের খানিকটা অংশ জুড়ে রয়েছে শ্মশানঘাটটি। এখানে একটি মাত্র বৈদ্যুতিক চুল্লি রয়েছে, আর কাঠে দাহকার্য করার জন্য রয়েছে দু’টি চুল্লি। যার মধ্যে একটি সর্বসাধারণের জন্য নয়। সেটি ব্যবহার হয় শোভাবাজার রাজবাড়ির কাজে। মাস খানেক আগে ১২২৮৩২ টাকা ব্যয় করে শ্মশানটির পুনর্নবীকরণের কাজ করেছে পুরসভা। কিন্তু স্থানীয় মানুষের প্রশ্ন, এত খরচ কীসের জন্য? যেখানে আয়ই নেই, সেখানে অহেতুক এই ব্যয়ের প্রয়োজন ছিল কি? প্রশ্নের উত্তরে পুরসভার ১ নম্বর বরোর চেয়ারপার্সন তরুণ সাহা জানান, “নিমতলা ও অন্যান্য শ্মশানঘাটের মতো এখানে অত মৃতদেহ না এলেও মাসিক ১৫০ থেকে ৫০০ মৃতদেহের দাহকার্য সম্পন্ন হয় এখানে।”

টানা এক সপ্তাহ অনুসন্ধান করে অবশ্য যা তথ্য পাওয়া গিয়েছে তার সঙ্গে পুরকর্তার হিসাবের কোনোই মিল পাওয়া যায় না। অনুসন্ধানে দেখা গিয়েছে এক সপ্তাহে দাহ হওয়া মৃতদেহের সংখ্যা দুই অঙ্ক পার হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা এ বিষয়ে একমত হলেও, এই প্রশ্নের উত্তর অবশ্য পাশ কাটিয়ে গিয়েছেন তরুণবাবু।

পুরসভার একটি সূত্র বলছে, কাশী মিত্র শ্মশানে কর্মচারীর সংখ্যা বর্তমানে ছ’ জন, অতিরিক্ত তিন জন নিরাপত্তা কর্মী কাজ করেন। যাঁদের মাসিক বেতন মাথাপিছু ১১৫০০ টাকা। প্রভিডেন্ট ফান্ড ও ইএসআই-এর সুবিধে প্রাপ্ত এই ন’ জন কর্মীর জন্য পুরসভা খরচ করছে মাসিক ১০৩৫০০ টাকা। এ ছাড়াও দিনরাত বৈদ্যুতিক চুল্লির জন্য মোটা অঙ্কের ইলেকট্রিক বিল গুনতে হছে পুরসভাকে।

kashi mitra

শ্মশানের কর্মীদের কাছ থেকে মৃতদেহর পরিসংখ্যান চাইতে গেলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, “সংবাদ মাধ্যমের কাছে আমরা মুখ খুলব না। এই বিষয় কোনো প্রশ্ন করবেন না। এখান থেকে চলে যান।” স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন ওঠে, কী এমন উত্তর লুকিয়ে আছে এখানে?

একটি সূত্রের খবরে জানা যাচ্ছে, বহু দূর থেকে যে সমস্ত মৃতদেহ আসে তাদের অনেকেই অন্য কোনো শ্মশানঘাট থেকে ফেরত এলে এখানে না কি ব্যবস্থা হয়ে যায়।

এলাকার বহু মানুষের দাবি, শ্মশানটির পরিসর বৃদ্ধি করলে অনেক মানুষই সুবিধে পাবেন। কিন্তু পুরসভার কর্তা বলেন, এই এলাকা কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের। গঙ্গার পাড় থাকার জন্য সম্প্রসারণ সম্ভব নয়। শ্মশানের এক পাশের জায়গা জুড়ে রয়েছে বস্তি। সেখানে হাত দিলে সমস্যার মুখে পড়তে হতে পারে পুরসভাকে।

পাশাপাশি নিমতলা মহাশ্মশানের পরিসংখ্যান বলছে, কম-বেশি ৭০টা মৃতদেহ দাহ হয় সেখানে। যার এক ভাগও দেখা যায় না কাশী মিত্র শ্মশানঘাটে।  কাশী মিত্র শ্মশানঘাটের প্রধান ডোম মানিকবাবু জানান, প্রত্যেক মাসের ১৮ তারিখ সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত নিমতলা বন্ধ থাকার জন্য এখানে একটু চাপ থাকে।

হাতে গোনা কয়েকটি মৃতদেহ সৎকারের জন্য সরকারের এত ব্যয়? প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

কলকাতা

ট্যাক্সি চালকের হাতে হেনস্থা মামলায় আলিপুর আদালতে গোপন জবানবন্দি সাংসদ- অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর

শুক্রবার আলিপুর আদালতে গোপন জবানবন্দি দিলেন মিমি চক্রবর্তী।

Published

on

কলকাতা: প্রকাশ্য দিনের আলোয় গত সোমবার হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন সাংসদ এবং অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী (Mimi Chakraborty)। শুক্রবার আলিপুর আদালতে গোপন জবানবন্দি দিলেন তিনি।

সোমবার ভরদুপুরে জনবহুল এলাকায় মিমিকে লক্ষ্য করে কটূক্তি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে এক ট্যাক্সি চালকের বিরুদ্ধে। গড়িয়াহাট থানায় অভিযোগ দায়ের হলে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নিয়ে ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এ দিন জবানবন্দি দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সামনে মিমি চক্রবর্তী বলেন, “আজকে আমার আসাটা খুব দরকার ছিল। তা হলে ও হয়তো ছাড়া পেয়ে যেত। এর পর অন্য কারুর সঙ্গে তো আরও খারাপ কিছু করতে পারে”।

একই সঙ্গে মিমি বলেন, “আমার কলকাতা প্রশাসন কিংবা রাজ্যের বদনাম হোক চাই না। আজ দোষী ছাড়া পেয়ে গেলে আমার শহর আর নিরাপদ থাকবে না। ভবিষ্যতে এ রকম আরও অপ্রীতিকর পরিস্থিকির সম্মুখীন হতে পারেন মহিলারা। তাই এই মামলায় পুলিশি তদন্তে সহযোগিতা করতে আজ নিজে এসে জবানবন্দি করে গেলাম”।

কী ঘটেছিল সে দিন?

গত সোমবার বিকেলে জিম থেকে ফেরার পথে মিমি হেনস্থার শিকার হন। বিকেলে বালিগঞ্জ এবং গড়িয়াহাটের মাঝামাঝি এলাকায় ট্র্যাফিক সিগনালে দাঁড়িয়েছিল মিমির গাড়ি। ঘটনায় প্রকাশ, তখন একটি ট্যাক্সি তাঁর গাড়িকে ওভারটেক করে। মিমি যখন কাচ নামিয়ে দেখতে যান, তখনই তিনি লক্ষ্য করেন, পাশে দাঁড়ানো ট্যাক্সির চালক তাঁর উদ্দেশে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করছে।

বিস্তারিত পড়ুন এখানে: মিমি চক্রবর্তীকে অশ্লীল ইঙ্গিতের অভিযোগে গ্রেফতার ট্যাক্সিচালক

Continue Reading

কলকাতা

কয়েকটি স্টেশনে ই-পাসের সংখ্যা বাড়াচ্ছে কলকাতা মেট্রো

কালীঘাট, টালিগঞ্জ এবং মহাত্মা গান্ধী রোডের মতো কয়েকটি স্টেশনে আরও বেশি সংখ্যায় ই-পাস পাওয়া যাবে।

Published

on

ই-পাস দেখালে তবেই স্টেশনে ঢোকার অনুমতি। সংগৃহীত ছবি

কলকাতা: ‘নিউ নরম্যালে’ ই-পাস বুক করে মেট্রোয় যাতায়াতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে ব্যস্ত সময়ে কয়েকটি স্টেশনে ই-পাসের সংখ্যা বাড়াচ্ছে কলকাতা মেট্রো।

মেট্রো সূত্রে খবর, অ্যাপ নির্মাতা সংস্থা ইতিমধ্যেই নিজেদের সার্ভার থেকে স্লটের সংখ্যা বাড়াচ্ছে। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, মেট্রোয় অফিসে টাইমের স্লটে ই-পাসের সংখ্যা বাড়ানো হবে।

জানা গিয়েছে,কয়েকটি স্টেশন থেকে অথবা স্টেশনের জন্য ই-পাসের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। দক্ষিণ কলকাতার কালীঘাট, টালিগঞ্জ এবং উত্তর কলকাতা মহাত্মা গান্ধী রোডের মতো কয়েকটি স্টেশনে আরও বেশি সংখ্যায় ই-পাস পাওয়া যাবে।

তবে এক ধাক্কায় যে এই সংখ্যা অনেকটাই বাড়ানো হবে, তেমনটাও নয়। কারণ, ই-পাস বুক হল অনেক, কিন্তু যাত্রী কম, তেমন পরিস্থিতি এড়াতে চাইছেন কর্তৃপক্ষ।

এ ব্যাপারে মেট্রো রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক ইন্দ্রাণী বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “আমরা যাত্রীদের কাছে অনুরোধ করব, প্রয়োজন না থাকলে অযথা ই-পাস বুকিং করবেন না। যাঁদের প্রয়োজন তাঁরা ই-পাস পাবে না। এতে প্রকৃত যাত্রীদের যাতায়াতের অসুবিধা তৈরি হবে”।

আরও পড়তে পারেন: প্রবীণ নাগরিকদের জন্য ই-পাস নিয়ম শিথিল করল কলকাতা মেট্রো

গত দু’দিন ধরে অযথা ই-পাস বুকিংয়ের সংখ্যা কমেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থা।

কী ভাবে ই-পাস সংগ্রহ করবেন?

*প্রথমে যেতে হবে pathadisha.com ওয়েবসাইট অথবা অ্যাপে।

*বলা হবে-আপনার নাম লিখুন।

*এর পর জানতে চাওয়া হবে-আপনার যাত্রা শুরুর স্টেশন।

*বেছে নিতে হবে-আপনার গন্তব্য স্টেশন।

*স্থির করতে হবে-আপনার যাত্রার সময়।

*বলা হবে-অনুগ্রহ করে বুকিং পাওয়া যায় কিনা জানতে অপেক্ষা করুন…

*বুক করতে চান কি না, নিশ্চিত করতে হবে।

*ই-পাস চলে এলে তা ডাউনলোড করে নেওয়া যাবে।

মেট্রোয় সফর না করলে অযথা ই-পাস বুক করা উচিত নয়।

জানা গিয়েছে, রেক প্রতি চারশো জন যাত্রী ধরে এবং বিভিন্ন স্টেশনে তাঁদের ওঠানামা করার প্রবণতা বুঝে মেট্রো কর্তৃপক্ষ চাইছেন, করোনা আবহে এক লক্ষের কাছাকাছি যাত্রী পরিবহণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে। সেই কারণে যাত্রীদের ই-পাস বুক করার সংখ্যা এবং বাস্তবে কত জন যাত্রী সফর করছেন, সেই সংখ্যার ফারাক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Continue Reading

কলকাতা

এ বারের পুজোয় কেনাকাটা: তেমন বেচাকেনা আদৌ হবে কি?

এই পরিস্থিতিতে পুজো তো আসছে। আর মোটামুটি পাঁচ সপ্তাহ পরেই পুজো। আর পুজো উপলক্ষ্যে কেনাকাটা তো কিছু করতে হবে, অল্পস্বল্প হলেও।

Published

on

কেনাকাটায় উৎসাহ নেই নতুন প্রজন্মের

শ্রেয়া সাহা

করোনা-আবহে থমকে গিয়েছে মানুষের জীবন। দীর্ঘ প্রায় ছ’ মাস ধরে গৃহবন্দি বেশির ভাগ মানুষ। স্কুল নেই, ফলত বাইরে যেতে মানা ছোটোদের। অন্য দিকে লকডাউনে কাজ হারিয়েছেন বহু মানুষ। ফলে পুজোর আনন্দ অনেকের কাছেই ফিকে হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তবুও এই পরিস্থিতিতে পুজো তো আসছে। আর মোটামুটি পাঁচ সপ্তাহ পরেই পুজো। আর পুজো উপলক্ষ্যে কেনাকাটা তো কিছু করতে হবে, অল্পস্বল্প হলেও। কিন্তু কী ভাবে হবে সেই কেনাকাটা। কনটেনমেন্ট জোন ছাড়া সে ভাবে আর লকডাউন হবে না বলেই মনে হয়। সুতরাং বেশির ভাগ জায়গাতেই দোকানপাট খোলা। কিন্তু সবাই দোকানপাটে ঘুরে ঘুরে দরদাম করে কেনাকাটা করার উৎসাহ বা সাহস পাবেন তো? এ বার তা হলে অফলাইনের চেয়ে অনলাইনে বেশি কেনাকাটা চলবে?

এই সব প্রশ্ন নিয়ে খবর অনলাইন হাজির হয়েছিল সাধারণ মানুষের দরবারে। খবর অনলাইন জানতে চেয়েছিল, এ বার তাঁদের কী পরিকল্পনা? কোন পদ্ধতিতে তাঁরা কেনাকাটা করবেন, অনলাইন নাকি অফলাইন?      

গত মাসে এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছিল, লকডাউনে অফলাইনের তুলনায় অনলাইনেই কেনাকাটায় ভিড় জমিয়েছেন বেশির ভাগ মানুষ। এর প্রধান কারণ  করোনা সংক্রমণের ভয়। কিন্তু খুচরোখাচরা কিছু কেনা আর আশ মিটিয়ে পুজোর বাজার করা, দু’টোর মধ্যে আকাশপাতাল তফাত। পুজোর কেনাকাটার জন্য কি অনলাইনে ভরসা করা যায়?

কথা হচ্ছিল বারাসতের বাসিন্দা সুপ্রিয়া দাশগুপ্তের সঙ্গে। তিনি আইটি সংস্থায় কাজ করেন। কথা বলে বোঝা গেল সুপ্রিয়া দেবী কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত। পুজোর কেনাকাটা করার ব্যাপারে অনলাইনে তাঁর ভরসা নেই। আবার বাইরে বেরিয়ে দোকানে ঘুরে ঘুরে আগের মতো পছন্দসই জিনিস কিনবেন, এই পরিস্থিতিতে সে সাহসও করে উঠতে পারছেন না। তাই এ বার পুজোয় সে ভাবে আর কেনাকাটা করছেন না তিনি, এমনটাই জানালেন।

তাঁর কথায়, “অফিস যাওয়াটা প্রয়োজন। অফিস যেতে রোজ বাইরে বেরোতে হয়। কিন্তু প্রয়োজন না থাকলে বাইরে বেরোই না। তাই এ বারের পুজোয় আলাদা করে বিশেষ ভাবে কিছু কেনার কোনো পরিকল্পনাই নেই।”      

বেহালাবাসী ববি সেনের সঙ্গে কথা বলে বোঝা গেল, দেশের করোনা-পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বেশ কিছুটা চিন্তিত, বিশেষ করে সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে। তাই পুজোয় এ বার কেনাকাটার কী পরিকল্পনা, জানতে চাইতেই ফোনের ও-পার থেকে স্পষ্ট বললেন, “পকেটে টাকাই নেই তো পুজোর পরিকল্পনা।” তাঁর কথায়, “এ বারের পুজোর আনন্দ শুধু বড়োলোকদেরই।”  

পুজোয় কেনাকাটার মধ্যে যে একটা কর্তব্য পালনের ব্যাপার আছে সেটা বোঝা গেল যাদবপুরের গৌরববাবুর সঙ্গে কথা বলে। তিনি মনে করেন, এ বার বাইরে বেরিয়ে কেনাকাটা করাটা ঝুঁকিপূর্ণ। তবে ছোটোদের জন্য তো কিছু কিনতেই হবে। সেই কর্তব্যই করছেন। আর বড়োদের জন্য কেনার কোনো পরিকল্পনা নেই গৌরববাবুর।

তাঁর কথায়, “এ বারে কিছু কেনার নেই। বাইরে যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। বাড়ির ছোটোদের জন্য শুধু একটা করে জামা কিনেছি। বড়োদের আর কী! ভ্যাকসিন না আসা পর্যন্ত সংক্রমণের ভয়ে রয়ে যাচ্ছে।”   

তরুণ প্রজন্মের ছেলেমেয়েরাও এ বার পুজোয় কেনাকাটা নিয়ে খুব একটা উৎসাহ পাচ্ছেন না। প্রথম বর্ষের পড়ুয়া আকাশের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, এ বারের পুজোয় কেনাকাটার পরিকল্পনা কী? আকাশ স্পষ্ট বলে দিলেন, “মাস্ক কিনেছি, স্যানিটাইজার কিনেছি। এ বার ভ্যাকসিন এলে ওটা কিনতে হবে। এটাই আমার পুজোর কেনাকাটা।”

তবে সবাই যে খুব নেগেটিভ ভাবছেন তা নয়। অনলাইন না অফলাইন, কেনাকাটার জন্য কোন মাধ্যম ভালো লাগে, জানতে চাইতেই দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া গড়িয়ার অন্বেষা সাহা স্পষ্ট বললেন, “আমার অনলাইনে কেনাকাটা করতে একেবারেই ভালো লাগে না।”

তবে মাঝে একদিন কিছু কেনাকাটা করতে দোকানে গিয়েছিলেন অন্বেষা। কিন্তু কালেকশন দেখে হতাশ হয়েছেন। তাঁর কথায়, “দোকানেও তেমন কোনো ভালো কালেকশন নেই। সব পুরোনো ড্রেস।” মন ভরেনি অন্বেষার।

সকলের সঙ্গে কথা বলে বোঝা গেল, এ বারের পরিস্থিতি নিয়ে প্রায় সকলেরই মনের মধ্যে রয়েছে দ্বিধা, সংশয়, হতাশা এবং কিছুটা আতঙ্কও। এ বারের পুজোয় কেনাকাটা সে ভাবে যে জমবে না, তা স্পষ্ট – অনলাইন অফলাইন তো দূরস্থান।     

Continue Reading
Advertisement
press conference by hindu mahajot
দুর্গা পার্বণ8 hours ago

দুর্গোৎসব বাংলাদেশে: সাংবাদিক বৈঠক ও মানববন্ধন করে ৩ দিন ছুটির দাবি

বিদেশ9 hours ago

টিকটক, উইচ্যাট নিয়ে কঠোর সিদ্ধান্ত আমেরিকার

coronavirus
রাজ্য9 hours ago

কলকাতা ও পড়শি জেলায় কোভিড পরিস্থিতি স্থিতিশীল, বেশি উদ্বেগ এখন পশ্চিম মেদিনীপুরকে ঘিরে

দেশ10 hours ago

সোমবার থেকে স্কুল খোলা বাধ্যতামূলক নয়, দেখে নিন কোন রাজ্য কী সিদ্ধান্ত নিল?

দেশ10 hours ago

ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শনে বিএসএফ-এর ডিজি রাকেশ আস্থানা

Durgapur Rain
পশ্চিম বর্ধমান11 hours ago

রেকর্ড বর্ষণে বিপর্যস্ত পশ্চিমাঞ্চলের তিন জেলা, জমা জলে নাজেহাল দুর্গাপুর

ভ্রমণ11 hours ago

৬ মাস বন্ধ থাকার পর খুলছে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত চিড়িয়াখানা ও জঙ্গল পর্যটন

Shreyas Iyer
ক্রিকেট11 hours ago

আইপিএলের অন্যতম সেরা বোলিং লাইনআপ কি দিল্লি ক্যাপিটাল্‌সের?

দেশ20 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ৯৬৪২৪, সুস্থ ৮৭৮৭২

অরন্ধন
ব্র্ত-উৎসব3 days ago

অরন্ধনে নানা বিধ পদ রান্না করে নিবেদন করা হয় মা মনসাকে

covid in kolkata
কলকাতা2 days ago

আগস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৫ দিনে কলকাতায় কমেছে নতুন কোভিডরোগীর সংখ্যা

শিল্প-বাণিজ্য15 hours ago

এসবিআই এটিএমে টাকা তোলার নিয়ম বদলে গেল! দেখে নিন ওটিপি-ভিত্তিক পদ্ধতির খুঁটিনাটি বিষয়

Covid situation kolkata
দেশ3 days ago

সক্রিয় কোভিডরোগীর নিরিখে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থান কেরল, ওড়িশা, অসমেরও নীচে

Muthaiah Muralidaran
ক্রিকেট2 days ago

মাঁকড়ীয় আউটের বিকল্প বাতলে দিলেন মুতাইয়া মুরলীধরন

কলকাতা2 days ago

রবীন্দ্র সরোবরে করা যাবে না ছটপুজো, খারিজ কেএমডিএর আবেদন

Parliament
দেশ2 days ago

নতুন সংসদ ভবন নির্মাণের বরাত পেল টাটা

কেনাকাটা

কেনাকাটা2 days ago

ঘরের জায়গা বাঁচাতে চান? এই জিনিসগুলি খুবই কাজে লাগবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ঘরের মধ্যে অল্প জায়গায় সব জিনিস অগোছালো হয়ে থাকে। এই নিয়ে বারে বারেই নিজেদের মধ্যে ঝগড়া লেগে...

কেনাকাটা1 week ago

রান্নাঘরের জনপ্রিয় কয়েকটি জরুরি সামগ্রী, আপনার কাছেও আছে তো?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রান্নাঘরের এমন কিছু সামগ্রী আছে যেগুলি থাকলে কাজ করাও যেমন সহজ হয়ে যায়, তেমন সময়ও অনেক কম খরচ...

কেনাকাটা1 week ago

ওজন কমাতে ও রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়াতে গ্রিন টি

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ওজন কমাতে, ত্বকের জেল্লা বাড়াতে ও করোনা আবহে যেটি সব থেকে বেশি দরকার সেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা...

কেনাকাটা2 weeks ago

ইউটিউব চ্যানেল করবেন? এই ৮টি সামগ্রী খুবই কাজের

বহু মানুষকে স্বাবলম্বী করতে ইউটিউব খুব বড়ো একটি প্ল্যাটফর্ম।

কেনাকাটা3 weeks ago

ঘর সাজানোর ও ব্যবহারের জন্য সেরামিকের ১৯টি দারুণ আইটেম, দাম সাধ্যের মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ঘর সাজাতে কার না ভালো লাগে। কিন্তু তার জন্য বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এ দোকান সে দোকান ঘুরে উপযুক্ত...

কেনাকাটা4 weeks ago

শোওয়ার ঘরকে আরও আরামদায়ক করবে এই ৮টি সামগ্রী

খবর অনলাইন ডেস্ক : সারা দিনের কাজের পরে ঘুমের জায়গাটা পরিপাটি হলে সকল ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। সুন্দর মনোরম পরিবেশে...

kitchen kitchen
কেনাকাটা1 month ago

রান্নাঘরের এই ৮টি জিনিস কাজ অনেক সহজ করে দেবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আজকাল রান্নাঘরের প্রত্যেকটি কাজ সহজ করার জন্য অনেক উন্নত ব্যবস্থা এসে গিয়েছে। তা হলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কষ্ট...

care care
কেনাকাটা1 month ago

চুল ও ত্বকের বিশেষ যত্নের জন্য ১০০০ টাকার মধ্যে এই জিনিসগুলি ঘরে রাখা খুবই ভালো

খবরঅনলাইন ডেস্ক : পার্লার গিয়ে ত্বকের যত্ন নেওয়ার সময় অনেকেরই নেই। সেই ক্ষেত্রে বাড়িতে ঘরোয়া পদ্ধতি অনেকেই অবলম্বন করেন। বাড়িতে...

কেনাকাটা1 month ago

ঘর ও রান্নাঘরের সরঞ্জাম কিনতে চান? অ্যামাজন প্রাইম ডিলে রয়েছে ৫০% পর্যন্ত ছাড়

খবরঅনলাইন ডেস্ক : অ্যামাজন প্রাইম ডিলে রয়েছে ঘর আর রান্না ঘরের একাধিক সামগ্রিতে প্রচুর ছাড়। এই সেলে পাওয়া যাচ্ছে ওয়াটার...

কেনাকাটা1 month ago

এই ১০টির মধ্যে আপনার প্রয়োজনীয় প্রোডাক্টটি প্রাইম ডে সেলে কিনতে পারেন

খবরঅনলাইন ডেস্ক : চলছে অ্যামাজনের প্রাইমডে সেল। প্রচুর সামগ্রীর ওপর রয়েছে অনেক ছাড়। ৬ ও ৭  তারিখ চলবে এই সেল।...

নজরে