Child-dead-body
এই জায়গাতেই মিলেছে প্যাকেটগুলি। ছবি: এনডিটিভি থেকে

কলকাতা: দক্ষিণ কলকাতার হরিদেবপুরে ২১৫, রাজা রামমোহন রোডের টিনে ঘেরা জায়গা থেকে উদ্ধার হওয়া ১৪টি প্যাকেটে কী আছে?

এই প্রশ্নের একাধিক উত্তরে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছিল। কলকাতার মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যান। তিনি সংবাদ মাধ্যমের কাছে বলেন, “ওই ১৪টি প্যাকেটে রয়েছে সদ্যোজাত শিশুর মৃতদেহ”। দুর্গন্ধ ছড়ানোর কারণে স্থানীয় মানুষেরও একই দাবি। একই সঙ্গে মেয়র জানিয়েছিলেন, “মৃতদেহগুলি থেকে যাতে দুর্গন্ধ বেশি দূর ছড়াতে না পারে সে জন্য রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছিল”।

অন্য দিকে কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমার ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের পর কোনো মন্তব্য করতে চাননি। তিনি তদন্তের আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পর পুলিশ সূত্রে দাবি করা হয়েছিল, “ওই প্যাকেটগুলিতে সদ্যোজাতের মৃতদেহ নয়, রয়েছে ভ্রূণ।”

এর পরই প্যাকেটগুলিকে বাঙুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সূত্রের খবর, সেখানে পরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানান, “ওই প্যাকেটগুলিতে মৃতদেহ বা ভ্রূণ নয়, রয়েছে চিকিৎসাজনিত বর্জ্য।” এমনকি দাবি করা হয়েছে, “ওই ১৪টি প্যাকেটে কোনো দেহাংশের হদিশ মেলেনি।”


আরও পড়ুন: হরিদেবপুরে উদ্ধার প্যাকেটবন্দি ১৪টি সদ্যোজাতের মৃতদেহ, ঘটনাস্থলে মেয়র, পুলিশ কমিশনার

রবিবার দুপুর থেকে হরিদেবপুরের রাজা রামমোহন রায় রোড এলাকায় রয়েছে টানটান উত্তেজনা। ইতিমধ্যেই পুলিশ ওই জায়গায় নির্মাণকারী সংস্থার বিরুদ্ধে স্বত:প্রণোদিত হয়ে মামলা রুজু করেছে। পাশাপাশি নিরাপত্তারক্ষীহীন ওই জায়গাটির সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন