Connect with us

কলকাতা

প্রকাশ্য ধর্মান্তকরণ ধর্মতলায়, সাংবাদিকদের পেটাল হিন্দু সংহতি মঞ্চ

কলকাতা: প্রকাশ্যসভায় হিন্দু সংহতি মঞ্চের ধর্মান্তকরণ প্রক্রিয়া নিয়ে ধু্ন্ধুমার কাণ্ড ঘটে গেল খোদ কলকাতার বুকে ধর্মতলায়। বুধবার ওই অনুষ্ঠানের খবর করতে যাওয়া সাংবাদিকদের পড়তে হল মঞ্চের সদস্যদের আক্রমণের মুখে। প্রথমে তর্কাতর্কি থেকে শুরু হয় হাতাহাতি। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ‘মঞ্চের মারমুখী গুন্ডাবাহিনী সাংবাদিকদের উপর আচমকা ঝাঁপিয়ে পড়ে, ভেঙে দেওয়া হয় চিত্র সাংবাদিকদের ক্যামেরা। এক সাংবাদিক তো আহত হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।’

ওই সভায় এক পরিবারকে দেখিয়ে দাবি করা হয়, তাঁরা হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করলেন। এর পরই কয়েক জন সাংবাদিক ওই পরিবারের সম্পর্কে জানতে চান। কিন্তু তাঁদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া দূরে থাক, এক দল মঞ্চ সমর্থক উত্তেজিত হয়ে গালিগালাজ করতে শুরু করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই বদলে যায় পরিস্থিতি। বিতণ্ডা চরম আকার নেয়।

একদিকে কলকাতা পুলিশের উপস্থিতি অন্য দিকে সংহতি মঞ্চের প্রধান তপন ঘোষের উপস্থিতিতে এই ধরনের ঘটনায় স্তম্ভিত বিশিষ্টজনেরা।

এমন কী গোপনীয়তা ঢাকার জন্য মঞ্চের কর্মীরা সাংবাদিকদের উপর আঘাত হানলেন, সে বিষয়ে তদন্ত করে দেখার দাবি তুলেছেন সমাজের বিশিষ্টরা। পুলিশই বা কেন ঘটনার সময় উপস্থিত থেকে নিষ্ক্রিয় রইল, সে বিষয়ও খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে বলে তাঁরা মনে করেন।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই ঘটনা খুবই নিন্দনীয়। গোটা ঘটনার তদন্ত করে দেখা হবে।

সর্বশেষ পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, সংগঠনের প্রধান তপন ঘোষকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: সংবাদ মাধ্যমের উপর হিন্দু সংহতি মঞ্চের ক্ষোভ আজকের নয়!

পড়তে থাকুন
Advertisement
মন্তব্যের জন্য ক্লিক করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

কলকাতা

উম্পুন-দুর্গতদের জন্য ডাঃ শশী পাঁজার হাতে ত্রাণ তুলে দিল হরি ঘোষ স্ট্রিট দুর্গোৎসব কমিটি

খবর অনলাইন ডেস্ক: উম্পুনে (Amphan) বিধ্বস্ত অঞ্চলের মানুষের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল হরি ঘোষ স্ট্রিট দুর্গোৎসব কমিটি (Hari Ghosh Street Durgotsav Committee) । সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড়-দুর্গতদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়া হল রাজ্যের মন্ত্রী ডাঃ শশী পাঁজার (Dr. Shashi Panja) হাতে।

এই ত্রাণকাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন উত্তর কলকাতার ১৭নং ওয়ার্ডের সকল দুর্গাপূজা কমিটি। তা ছাড়া কাশী বোস লেন, হরি ঘোষ স্ট্রিট, ভীম ঘোষ লেন, ভীম ঘোষ বাই লেন, কালী মিত্র লেন, শিবু বিশ্বাস লেন, জগদীশ নাথ রায় লেন, বিধান সরণি, রাম নারায়ণ ভট্টাচার্য লেন ও বিডন রো-র অধিবাসীবৃন্দ।

ওই সব এলাকার নাগরিকবৃন্দ স্বেচ্ছায় নিজেদের সাধ্যমতো বস্ত্র এবং খাদ্যসামগ্রী জোগাড় করে ও কিনে এবং তা একত্রিত  শ্যামপুকুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়িকা তথা রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ দফতরের ডাঃ শশী পাঁজার হাতে তুলে দেন।   

যে সব ত্রাণসামগ্রী মাননীয়া মন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে তা হল শাড়ি ৩০০টি, পুরুষদের পোশাক ১৫০টি, বাচ্চাদের পোশাক ১৫০টি, চিঁড়ে ৪৫ কেজি, মুড়ি ৪০০ প্যাকেট (২৫০ গ্রাম করে), গুঁড়ো দুধ ৫০০ প্যাকেট, বিস্কুট ১৪০০ প্যাকেট, কেক ৩৬৫টি, হরলিক্স ২০ প্যাকেট,  ছাতু ৩৭০ প্যাকেট (১০০ গ্রাম করে), ভাজা চিঁড়ে ৫৩ প্যাকেট, হাত ধোয়ার সাবান ৩৫০টি ও বাতাসা ২৫০ গ্রাম।

এ ছাড়াও দুর্গোৎসব কমিটি র তরফে  ভারত সেবাশ্রম সংঘকে ৫০০০ টাকা,  মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ৫০০০ টাকা এবং ফোরাম ফর দুর্গোৎসবের ত্রাণ তহবিলে ৩০০০ টাকার অনুদান পাঠানো হয়েছে। এই কর্মযজ্ঞে শামিল হওয়ার জন্য সমস্ত এলাকাবাসীকে কমিটির তরফে কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।

পড়তে থাকুন

কলকাতা

দু’মাস বন্ধ থাকার পর চালু হচ্ছে কলকাতা আর হাওড়ার মধ্যে ফেরি পরিষেবা

খবর অনলাইনডেস্ক: দু’ মাসেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকার পর সোমবার থেকেই কলকাতা আর হাওড়ার মধ্যে ফেরি পরিষেবা শুরু হচ্ছে। রাজ্য পরিবহণ নিগম ও হুগলি নদী জলপথ পরিবহণ সমবায় সমিতির তরফে চালানো হবে লঞ্চ।

সরকারি ভাবে লকডাউন (Lockdown) জারি থাকলেও সাধারণ মানুষকে বেরোতে হচ্ছে। অফিস খুলে যাচ্ছে। এ দিকে তুলনায় গণপরিবহণ কম। রাস্তায় বেরিয়ে নাকাল হচ্ছেন যাত্রীরা।

ট্রেন বা মেট্রো কবে চলবে কোনো ঠিক নেই। এই পরিস্থিতিতেই এ বার ফেরি পরিষেবা শুরুর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তবে কোরোনা সংক্রমণ ঠেকাতে বেশ কিছু নিয়মকানুন জারি করা হচ্ছে। শারীরিক দূরত্ববিধি বজায় রাখার জন্য ভেসেলের যাত্রী ক্ষমতার ৪০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে চালানো হবে লঞ্চগুলিকে ।

পাশাপাশি লঞ্চে ওঠার ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে মাস্ক। কেউ মাস্ক না পরে থাকলে তাকে লঞ্চে উঠতে দেওয়া হবে না বলেও জানানো হয়েছে।

হাওড়া-বাগবাজার, হাওড়া-চাঁদপাল ঘাট, নাজিরগঞ্জ-মেটিয়াব্রুজ এবং নুরপুর-গাদিয়াড়ার মধ্যে ফেরি চালাচল শুরুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। প্রতিটি রুটে এক ঘণ্টা অন্তর লঞ্চ চালানো হবে। সকাল আটটা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভেসেল চলবে। কর্মীরা থাকবেন সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত।

পড়তে থাকুন

কলকাতা

সোমবার থেকে খুলছে নিউমার্কেট-সহ আরও ৪৫ পুরবাজার

কলকাতা: আগামী সোমবার ১ জুন থেকে খুলে যাবে নিউমার্কেট-সহ (New Market) কলকাতার আরও ৪৫টি পুরবাজার।

তবে শর্তসাপেক্ষে এই বাজারগুলি খোলা যাবে। পুরসভার নির্দেশ, বাজার খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত। তার পরেই বাজারের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে।

মার্চের শেষ সপ্তাহে লকডাউন (Lockdown) শুরু হওয়ার পর থেকেই বন্ধ হয়ে যায় কলকাতা সব বাজার আর শপিং মল। বাজারগুলির অন্তর্গত নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হলেও বাকি সব দোকান বন্ধই রাখা হয়। দীর্ঘদিন দোকান বন্ধ থাকায় মাথায় হাত ওঠে ব্যবসায়ীদের।

এরই মধ্যে গত ১৮ মে একটি নির্দেশিকায় কলকাতাকে করোনার আবহে ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’ জোনে ভাগ করা হয়। ‘এ’ জোন, অর্থাৎ সংক্রমিত জোনে কোনো দোকান খোলা যাবে না। ‘বি’ অর্থাৎ বাফার জোনে একটি বাজারের মধ্যে থাকা নন-এসেনশিয়াল দোকানের ২৫ শতাংশ খোলা যাবে। আর ‘সি’, অর্থাৎ ক্লিন জোনে খোলা যাবে সব দোকান।

পুরসভা সূত্রের খবর, পুর বাজারগুলি আপাতত ‘ক্লিন জোনে’ রয়েছে বলে খবর। তবে যদি দেখা যায় বিশেষ কোনো বাজারের কাছে করোনা সংক্রমণের খবর মিলেছে, তা হলে সেই বাজার আবার বন্ধ করে দেওয়া হবে।

নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, বাজারে নিয়মিত জীবাণুনাশক ছড়াতে হবে। বড়ো দোকানে পাঁচ জন ও ছোটো দোকা‌নে দু’জনের বেশি ক্রেতাকে দাঁড়াতে দেওয়া হবে না। দোকানদার ও কর্মীদের অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। রাখতে হবে হ্যান্ড স্যানিটাইজ়ার।

এই বাজারগুলির খোলার ফলে ব্যবসায়ীরা যে কিছুটা হাঁফ ছেড়ে বাঁচবেন তা বলাই বাহুল্য।

পড়তে থাকুন

নজরে