বড়িশা ক্লাবে এ বার ‘ভাগের মা’

0

কলকাতা: এ বছর বড়িশা ক্লাবের থিম ‘ভাগের মা’। ’৪৭-এর দেশভাগের স্মৃতি এখনও মন থেকে মুছে যায়নি। সেই স্মৃতি এখনও কুরে কুরে খায় বাঙালিকে। সব হারানোর স্মৃতি, সব কিছু ফেলে আসার স্মৃতি মনের মধ্যে জেগে থাকে অনিবার।

১৯৪৭-এ অগনিত মানুষ ভিটেমাটি হারিয়ে ছিন্নমূল উদ্বাস্তু হয়ে আশ্রয় নেন এ-পার বাংলায়। এমনকি ঢাকার ঢাকেশ্বরী মা-কেও তাঁর ৮০০ বছরের আবাসভূমি ছেড়ে চলে আসতে হয়েছিল কলকাতার কুমোরটুলি অঞ্চলে।

দেশভাগ-পরবর্তী দাঙ্গার সময় সম্ভাব্য আক্রমণ ও লুণ্ঠনের হাত থেকে দেবীকে রক্ষা করতে ঢাকার মূল বিগ্রহটিকে ১৯৪৮-এ অতি গোপনে এবং দ্রুততায় কলকাতায় নিয়ে এসেছিলেন রাজেন্দ্রকিশোর তিওয়ারি (মতান্তরে প্রহ্লাদকিশোর তিওয়ারি) এবং হরিহর চক্রবর্তী। সেই বিগ্রহ এখন রয়েছেন কুমোরটুলি অঞ্চলের দুর্গাচরণ স্ট্রিটে।  

আজ সেই দেশভাগের মতোই আমাদের দেশ অস্থির হয়ে উঠেছে। আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন সবাই। মায়ের মনে শঙ্কা জাগছে, আবার কি ভিটেমাটি ছাড়া হতে হবে? মায়ের কি কোনো দিনই স্থায়ী ঠিকানা হবে না?

মা বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে লরির মধ্যে খাঁচাবন্দি। সঙ্গে ঘর-গেরস্থালির অনেক সামগ্রী। শিল্পী রিন্টু পাল।    

বড়িশা ক্লাবের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, কোভিডবিধি সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশিকা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে। গত বছরের মতো এ বারেও খোলামেলা মণ্ডপ করা হবে। দর্শনার্থীদের বাইরে থেকেই ঠাকুর দেখতে হবে। তাঁরা মণ্ডপে প্রবেশ করতে পারবেন না।

ছবি: রাজীব বসু  

আরও পড়তে পারেন

পুজোর জন্য পশ্চিমবঙ্গে আরও কিছুটা শিথিল হল করোনাজনিত বিধিনিষেধ

হীরকজয়ন্তী বর্ষে লাইব্রেরি বানিয়ে বাবুবাগান শ্রদ্ধা জানাচ্ছে বাংলার মনীষীদের

দুর্গাপুজোর মণ্ডপসজ্জায় ‘রাজনৈতিক ইস্যু’, পুজো কমিটিকে আইনি নোটিশ

নোটিশ পেয়েও জুতো সরাতে নারাজ পুজো কমিটি, আইনি পথেই জবাব

অক্সিজেন প্রকল্প যে কত জরুরি সেই ভাবনাই তুলে ধরা হচ্ছে ৫৬তম বর্ষে তেলেঙ্গাবাগানের পুজোয়

পশ্চিম পুটিয়ারির পল্লি উন্নয়ন সমিতির পুজোয় এ বার ৬০০ বছরের প্রাচীন সৌরা চিত্রকলা

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন