alipore zoo
এ ভাবেই নোংরা করা হয় আলিপুর চিড়িয়াখানা।

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: দক্ষিণেশ্বর স্কাইওয়াকের পর এ বার আলিপুর চিড়িয়াখানা। সিদ্ধান্ত হয়েছে, আলিপুর চিড়িয়াখানা নোংরা করলে এ বার থেকে দিতে হবে জরিমানা। শুধু তা-ই নয়, যিনি নোংরা করবেন তাঁকেই ওই নোংরা পরিষ্কার করতে হবে। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে বলেছে, দোষীদের চিহ্নিত করতে বিশেষ নজরদারি চালানো হবে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্বোধন করে যাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আবিষ্কার করা হয় যত্রতত্র পান ও গুটখার পিক ফেলে নোংরা করা হয়েছে স্কাইওয়াককে। কোথাও কোথাও ফেলা হয়েছে আবর্জনাও। মন্দিরে আসা কিছু দর্শনার্থীর কাণ্ড এই সব। তখনই সিদ্ধান্ত হয়, স্কাইওয়াক নোংরা করলে আর্থিক জরিমানা করা হবে।

আরও পড়ুন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ফের যৌন হেনস্তার অভিযোগ

দক্ষিণেশ্বরের স্কাইওয়াকের অভিজ্ঞতা থেকেই শিক্ষা নিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। চিড়িয়াখানা সূত্রে জানা গিয়েছে, টিকিট কাউন্টার ও সাপের এনক্লোজারের আশাপাশই নোংরা করা হয় সব চেয়ে বেশি। তা ছাড়া, চিড়িয়াখানায় চোখ মেললেই দেখা যায়, যেখানে সেখানে পড়ে রয়েছে জলের বোতল, চিপস ও বিভিন্ন খাবারের প্যাকেট। আর পান ও গুটখার পিক তো যত্রতত্র। পরিবেশ নোংরা করা রুখতে চিড়িয়াখানায় শুধু আর্থিক জরিমানা দিলেই হবে না, দোষী ব্যক্তিকে সেই নোংরা পরিষ্কারও করে দিতে হবে।

পরিবেশ রক্ষা করতে বিশেষ নজরদারিরও ব্যবস্থা হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হল, যে অসংখ্য মানুষ চিড়িয়াখানা ঘুরতে আসেন, তাঁদের ওপর কি নজরদারি চালানো সম্ভব? তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালে চিড়িয়াখানা ঘুরতে এসেছিলেন ৩৬ লক্ষেরও বেশি মানুষ। ২০১৮ সালে সেই সংখ্যাটা ইতিমধ্যেই ছাড়িয়ে গিয়েছে। চিড়িয়াখানার অধিকর্তা আশিস কুমার সামন্ত অবশ্য জানান, “কিছু মানুষ গুটখা, খৈনি খেয়ে থুতু ফেলে পরিবেশ নষ্ট করেন। তাই টিকিট কাউন্টার-সহ বিভিন্ন জায়গায় আমরা নজরদারি বাড়াচ্ছি। এ বছর থেকে ফাইনেরও ব্যবস্থা হচ্ছে। আর ধরতে পারলে ওঁদের দিয়েই পরিষ্কার করানো হবে।”

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here