Bagri-Market

কলকাতা: গত শনিবার রাত পৌনে তিনটেয় আগুন লাগার পরেও সমানে দাউদাউ করে জ্বলছে বাগরি মার্কেটের সেই বিল্ডিং (বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত)। অথচ প্রথমেই আগুন নেভানোর জন্য চলে এসেছিল দমকলের ৩০টা ইঞ্জিন। এসেছে হাইড্রোলিক ল্যাডার, গ্যাস কাটার। গতকাল রাত থেকেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ। তবুও কেন আয়ত্তের মধ্যে আসছে না আগুনের লেলিহান শিখা?

স্থানীয় মানুষের দাবি, আগুনের ব্যপ্তির কথা ভেবে সেনাবাহিনীকে নামানো উচিত। এই জায়গার আগুন নেভাতে হলে ফায়ার ব্রিগেড যথেষ্ট নয়। আদতে ক্যানিং স্ট্রিটেক ঘিঞ্জি এলাকায় দমকলের গাড়ি চলাচল ততটা সহজ ব্যাপার নয়। রাস্তা এতটাই সংকীর্ণ যে দমকলের একটা জলবাহী গাড়ি ঢুকলে দ্বিতীয়টিকে অপেক্ষা করতে হবে সেটি না বের হওয়া পর্যন্ত। এ ছাড়া রয়েছে ৭১, নম্বর ক্যানিং স্ট্রিটের চরিত্রগত কারণ।

রবিবার বিকেল ৫টা নাগাদ ১৪ ঘণ্টা পরেও দাউদাউ করে জ্বলছে আগুন। পথ যতই সংকীর্ণ হোক, সাধারণ কোনো ভবনে আগুন লাগলেও তা আয়ত্তে নিয়ে আসতে এতটা সময় তো লাগার কথা নয়। এর সব থেকে বড়ো কারণ বিল্ডিংয়ের ভিতরে মজুত দ্রব্য। যেগুলি ভীষণ ভাবে দাহ্য। যে তালিকায় রয়েছে ওষুধ, প্রসাধনী দ্রব্য এবং গয়না।


আরও পড়ুন: বাগরি মার্কেটে আগুন: দেওয়ালে ফাটল, ভেঙে পড়ছে চাঙড়, সেনা নামানোর দাবি

আগুন লাগা বাড়িটিতে ছিল অসংখ্য ওষুধ, কসমেটিক্স এবং জুয়েলারির দোকান। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় শ’চারেক দোকান ছিল ওই বিল্ডিংয়ে। যে দোকানগুলিতে মজুত ছিল প্রচুর পরিমাণে পণ্য। মূলত খুচরো ব্যবসায়ীরা এই দোকানগুলি থেকে পণ্য কিনে নিয়ে যান। ফলে পণ্য মজুতের পরিমাণও ছিল অনেক বেশি।

দমকলকর্তাদের কথায়, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই যে ভিতরের সমস্ত পণ্যই ভস্মীভূত হচ্ছে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন