arrest

কলকাতা: অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে দিনের পর দিন ধর্ষণ করার অভিযোগে গ্রেফতার হয় স্বামী। ঘটনা সিঁথি বরানগর এলাকার। বরানগর থানার পুলিশ গ্রেফতার করে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তিকে। স্ত্রীর সম্মতি ছাড়াই বারংবার জোরজবরদস্তি যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হতো ওই ব্যক্তি। সেই অভিযোগেই স্থানীয় থানায় এফআইআর দায়ের করেন মহিলা। পাশাপাশি পণ চাওয়ার অভিযোগে শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ জানান তিনি।

উল্লেখ্য, বিবাহের পর কোনো ভাবেই স্বামীর অধিকার জন্মায় না স্ত্রীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে তার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে তাকে বলা হয় বৈবাহিক ধর্ষণ।

‘স্বয়ম’ নামের একটি নারী অধিকার সমিতির প্রধান অনুরাধা কাপুর বলেন, এ ক্ষেত্রে ধর্ষণকারীর কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত। সাধারণত এই ধরনের ঘটনায় পারিবারিক হিংসা আইন বা পণ-বিরোধী আইনের অধীনে মামলা দায়ের করা হয়।

মহিলার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, দীর্ঘ দিন ধরেই স্ত্রীর ইচ্ছার বিরুদ্ধেই তাঁকে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হতে বাধ্য করত অভিযুক্ত। এ ভাবেই এক দিন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন ওই মহিলা। তার পরেও মেলেনি নিষ্কৃতি। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পরেও একই ঘটনার লাগাতার পুনরাবৃত্তি চলতে থাকে। তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির কথা জেনেও জোর করে তাঁর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে অভিযুক্ত।

আরও পড়ুন – কোচবিহারে নয়, রাজধানী থেকেই ‘রথ’-বক্তব্য পেশ করবেন অমিত শাহ!

তাঁরা বলেন, বিয়ের সময় মিথ্যা কথা বলে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল, বেসরকারি ব্যাঙ্কের উচ্চপদে কর্মরত পাত্র। কিন্তু বিয়ের পর জানা গিয়েছে সাধারণ অফিসের খুব সাধারণ কর্মীর কাজই করে ওই ব্যক্তি। তা ছাড়াও বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়ির লোকজন মহিলার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতে থাকে। বাড়তে থাকে পণ আনার জন্য বিভিন্ন ভাবে চাপও। এমনকী পরের দিকে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি চাকরি ছেড়ে বাড়িতেই থাকা শুরু করে। তার সঙ্গে বারে এই শারীরিক অত্যাচারের পরিমাণও।

তার পরই সহ্যের সীমা পেরিয়ে যেতে পুলিশের দারস্থ হন ওই মহিলা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ গ্রেফতার করে ওই ব্যক্তিকে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here