সানি চক্রবর্তী:

বড়ো ম্যাচে জিতে আই লিগ জেতার বৃত্তে প্রবল ভাবে ফিরে এসেছে তাঁর দল। একই দিনে আইজল হেরে যাওয়ায় এই মুহূর্তে ফেভারিট তকমাটাও রয়েছে সঙ্গে। তাই শেষ চার ম্যাচের আগে দলের ফোকাস কোনো ভাবেই টলতে দিতে নারাজ সঞ্জয় সেন। বুধবার শিলংয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে লাজংয়ের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলতে নামছে মোহনবাগান। তার আগে সঞ্জয়ের সাফ কথা, “আই লিগটা জিততে না পারলে ডার্বির জয়ের কোনো গুরুত্ব থাকবে না। সমর্থকরা ডার্বি জিতলে খুশি হয়। কিন্তু আমার নজর ট্রফিতে।”

বড়ো ম্যাচের ঠিক পরের খেলায় পা হড়কানোর বাজে ট্র্যাক রেকর্ড রয়েছে দুই প্রধানেরই। চ্যাম্পিয়ন্সশিপের দৌড়ে এগোতে গেলে সেটা যে আটকাতে হবে, তা ভালোমতোই জানেন সঞ্জয়। তাই ফুটবলারদের সতর্ক করে বলে দিচ্ছেন, “লাজং ম্যাচটা ডার্বির থেকেও কঠিন হতে চলেছে।” ঘরের মাঠে থাংবই সিংটোর প্রশিক্ষণাধীন শিলং লাজং দলের পরিসংখ্যান এ বারে বেশ ভালো। আপফ্রন্টে দিপান্ডা ডিকা ৯ গোল করে এখনও পর্যন্ত আই লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে এগিয়ে। তরুণদের নিয়ে গড়া লাজং দল যতটা সম্ভব ভালো স্থানে থেকে লিগ শেষ করার লক্ষ্য নিয়েছে। পাশাপাশি সনি-আজহারদের সম্পর্কে যথেষ্ট সমীহ রেখে সিংটো বলছিলেন, “মোহনবাগান কার্যত আগুনে ফর্মে রয়েছে। বেঙ্গালুরু ও ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে গত দুই ম্যাচে ওদের আক্রমণাত্মক ফুটবলই সেটা বলে দিচ্ছে। তাই ওদের আটকাতে হলে আমাদের দুরন্ত ফুটবল খেলতে হবে। ওরা লড়ছে চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য, আর লিগে যতটা সম্ভব উপরে থেকে শেষ করাটা আমাদের লক্ষ্য।”

লাজং তাদের আগের ম্যাচে শিবাজিয়ান্সকে হারিয়েছে। কিন্তু মোহনবাগান যে তাদের বিরুদ্ধে ফেভারিট হয়েই নামছে, তা নতুন করে বলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। ডার্বির ঠিক পরের ম্যাচে নামার আগে তাই দল যাতে কোনো ভাবেই আত্মতুষ্ঠিতে না ভোগে, তা নিশ্চিত করতে চাইছেন সঞ্জয়। আর ছন্দে থাকা সনিরা চাইছেন লাজংকে হারিয়ে লিগের শীর্ষস্থানটা দখলে নিতে। কারণ, বাগান-জনতার প্রাণভোমরা আগেই জানিয়ে রেখেছেন, “ট্রফিটা আর চারটে ফাইনাল ম্যাচের দূরত্বে।”

মোহনবাগান বনাম শিলং লাজং

দুপুর ২ টো।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here