গুয়াহাটি: গত এক সপ্তাহে কোনো এক অজানা কারণে বেড়েই চলেছে মৃতের সংখ্যা। অ্যাডজুটান্ট স্টরক্স। সারা বিশ্ব জুড়েই বিপন্ন এই অ্যাডজুটান্ট প্রজাতি। গত মাসের ২৩ তারিখ থেকে নজরে আসে এই ঘটনা। শেষ হিসেব অনুযায়ী, ২৬টি পাখি মারা গিয়েছে। আসল সংখ্যাটা হয়তো তার চেয়েও কিছু বেশি। মৃত পাখিদের দেহ পাওয়া গিয়েছে গুয়াহাটির কাছেই এক জলাভূমিতে।

ইতিমধ্যে বিপন্ন হওয়ায়, অ্যাডজুটান্টের এই রহস্যজনক মৃত্যুতে আরও ক্ষতিগ্রস্ত হল বাস্তুতন্ত্র। অথচ ঘটনাটি এখনও স্থানীয় এলাকার মানুষ ছাড়া বাকিদের কাছে অজানাই। দেশ বিদেশের বন দফতর এই বিষয়ে কোনো সতর্ক বার্তা পায়নি এখনও। 

জীববিজ্ঞানী এবং পরিবেশবিদ পূর্ণিমা বর্মণ প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে অ্যাডজুটান্ট সংরক্ষণে কাজ করে চলেছেন। অসমের গ্রামবাসীদের পরিবেশ এবং বাস্তুতন্ত্র নিয়ে সচেতনতা বাড়িয়ে চলেছেন দিনরাত। ঘটনায় শোকাহত পূর্ণিমা বললেন, “লড়াইটা হেরে যেতে বসেছি”। এখন যদিও দলের লোকজন নিয়ে অসুস্থ পাখিদের চিকিৎসায় মন দিয়েছেন পূর্ণিমা।

গুয়াহাটি পৌরসভার বাইরে জমা আবর্জনা খেয়েই পাখিদের মৃত্যু হয়েছে, এমনটা ছিল পরিবেশবিদদের অনুমান। কিন্তু অ্যাডজুটান্টের দেহে বিষক্রিয়ার কোনো প্রমাণ মেলেনি প্রাথমিক তদন্তে। 

 

 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন