rahul-gandhi

ওয়েবডেস্ক: গত বছর পুলিশের গুলিতে নিহত কৃষকের ভাইকে রাহুল গান্ধীর সভায় না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়ার অভিযোগ উঠল মধ্যপ্রদেশের এক সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে। তবে এই পরামর্শ তাঁরা শোনেননি। রাহুলের সভায় যাওয়ার পাশাপাশি তাঁর সঙ্গে দেখাও করেছেন।

গত বছর ৬ জুন মধ্যপ্রদেশের মন্দসৌরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বিক্ষোভরত ছ’জন কৃষক। তার বর্ষপূর্তিতে বুধবার সেখানে সভা করেন রাহুল।

পুলিশের গুলিতে নিহত অভিষেক পাতিদরের ভাই সন্দীপ বলেন, স্থানীয় এক আধিকারিক আরপি বর্মা তাঁর সঙ্গে দেখা করতে চান, এই ব্যাপারে তাঁর কাছে বার্তা আসে। তিনি বলেন, “যখন আমি বর্মার সঙ্গে দেখা করি, উনি আমায় রাহুল গান্ধীর সভায় যেতে নিষেধ করেন। আমি বলেছিলাম, আমি সভায় যাব না, কারণ আমি দূরে কাজ করি, কিন্তু আমার বাবা-মা সভায় যাবেন।”

উল্লেখ্য, অভিষেকের মৃত্যুর পরে এক কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ পেয়েছে সন্দীপের পরিবার। সন্দীপ একটা চাকরিও পেয়েছে। কিন্তু তাতেও রাহুলের সভায় যেতে অনড় ছিলেন তাঁরা।

তবে এ রকম পরামর্শ দেওয়ার কথা স্বীকার করলেও ব্যাপারটাকে হালকা ভাবেই নিয়েছেন বর্মা। তিনি বলেন, “সন্দীপকে আমি বন্ধুর মতো পরামর্শ দিয়েছিলাম। আমি চাইনি ও কোনো বিপদে পড়ুক।” অন্য দিকে বর্মার এই পরামর্শের তীব্র নিন্দা করেছে কংগ্রেস। সরকারি আধিকারিকরা বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে চলছে বলে অভিযোগ করে কংগ্রেস।

কংগ্রেস নেত্রী এবং প্রাক্তন সাংসদ মীনাক্ষী নটরাজন বলেন, “এ ভাবে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কোনো ভাবেই কেড়ে নেওয়া যায় না। সরকারি আধিকারিকরা এখন সরকারের চাপে কাজ করছে। তাই এর দায় সরকারের ওপরেই বর্তায়।”

তবে সন্দীপের বাবা অভিযোগ করেন, রাহুল গান্ধীর সঙ্গে তাঁরা দেখা করলেও পুলিশ তাঁদের ওপরে নজর রাখছিল। তাঁদের ভয়, সন্দীপও না আক্রমণের শিকার হন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here