নয়াদিল্লি: ক্ষণিকের জন্য ফিরে এসেছিল ভোপাল বিপর্যয়ের স্মৃতি। গ্যাস লিকে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হল প্রায় তিনশো জন। সবাই স্কুলছাত্রী।

শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার ঘটনা। দিল্লির তুঘলকাবাদ এলাকার একটি কন্টেনর ডিপো থেকে রাসায়নিক গ্যাস লিক হওয়া শুরু হয়। ডিপোর পাশেই রয়েছে রানি ঝাঁসি সর্বোদয় কন্যা বিদ্যালয় । সবে দিনের পঠনপাঠন সেখানে শুরু হয়েছে। গ্যাসের ঝাঁজে আক্রান্ত হন পড়ুয়ারা। কেউ কেউ অজ্ঞান হয়ে পড়েন, কারও অস্বস্তি হতে থাকে।

সঙ্গে সঙ্গে ছাত্রীদের হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় পুলিশ, পিসিআর ভ্যান ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে ছুটে আসে। অধিকাংশ ছাত্রীকেই প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হলেও, বাকিদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সবাই বিপন্মুক্ত। এই ঘটনার পর পুরো স্কুল খালি করে দেওয়া হয়। পুলিশ একটি এফআইআর দায়ের করেছে।

অসুস্থ ছাত্রীদের দেখতে হাসপাতালে আসেন দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া। হাসপাতাল থেকে ফিরে টুইট করে তিনি জানান, “ছাত্রীদের সঙ্গে এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। ছাত্রীরা ক্রমশ সুস্থ হয়ে উঠছে।”

এ দিকে ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই দমকলকে খবর দেওয়া হয়। দমকলের মুখ্য আধিকারিক অতুল গর্গ বলেন, “খবর পাওয়ার পরেই আমরা দমকলের দু’টি ইঞ্জিন পাঠিয়েছি। স্কুল থেকে সবাইকে উদ্ধার করা হয়েছে।”

দিল্লির পুলিশ কমিশনার রমিল বানিয়ার মতে, ওই ডিপোয় থাকা একটি ট্রাকের মধ্যে থেকে এই লিক হয়েছে। দমকল এবং পুলিশ আধিকারিকের পাশাপাশি জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকেও খবর দেওয়া হয়। কী ভাবে গ্যাস লিক করল সে ব্যাপারে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here