minor

লখনউ : সে ধর্ষিত হচ্ছে, এটা বুঝতে বুঝতেই ৭ বছর কেটে গেল ১২ বছরের এক কিশোরীর। অন্য কেউ না, নিজের বাবাই তাকে সাত বছর ধরে ধর্ষণ করছে।

স্কুলের শিক্ষকের কাছে ভালো আর খারাপ স্পর্শ কাকে বলে জানতে পারে উত্তরপ্রদেশের কনৌজের এই কিশোরী। তখনই বুঝতে পারে বাবা তাকে ঠিক কখন কী ভাবে স্পর্শ করেন। বুঝতে পেরে ঘটনাটা জানায় তার এক বন্ধুর কাছে। সেই বন্ধুই স্কুলের প্রিন্সিপ্যালকে বিষয়টা বলে।

কিশোরী তার শিক্ষক আর চাইল্ডলাইনের অধিকারিকদের বলে, আটকাতে গেলে বাবা তার ওপর আরও বেশি অত্যাচার করত, এমনকি মারধরও করত।

হরিয়ানার একটা সেচ্ছাসেবী সংস্থা অস্মিতার প্রধান প্রতিভা দীপক মহেশ্বরী বলেন, কিশোরীর মা বিষয়টি জেনেও চুপ করেছিলেন। প্রিন্সিপ্যাল ঘটনাটা জানলেও কর্তৃপক্ষের কাছে তা জানাননি। প্রতিভাই বাজঘেরা থানায় ওই কিশোরীর বাবার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেন। কিশোরীর নিরাপত্তার জন্য তাকে নিজের কাছে রাখেন। তিনি বলেন, জয়পুর পুলিশ প্রথমে একটা জিরো এফআইআর দায়ের করেছিল।

প্রতিভা বলেন, হরিয়ানার শিশুকল্যাণ কমিটির সঙ্গে কথা বলেছেন। তারাই জয়পুরের চাইল্ডলাইনের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তার পরই জিরো এফআইআর দায়ের করা সম্ভব হয়। সঙ্গে মামলাটি গুরগাঁওয়ে সরিয়ে নেওয়াও সম্ভব হয়।

তিনি বলেন, সে বাড়িতে একা থাকলেই সেই সুযোগটাকে কাজে লাগাত অভিযুক্ত। শুধু কিশোরী নয়, তার দিদিকেও ধর্ষণ করেছে। যদিও তার পর থেকে ওই মেয়েটি নিজেকে বাঁচাতে পেরেছে। এটা একটা জঘন্য অপরাধ। ব্যাপারটা জানতে পেরে তিনি খুবই অবাক হয়েছিলেন। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০৬ নম্বর ধারা ও ২০১২-এর ‘যৌন অপরাধ থেকে শিশুদের রক্ষা’ (পকসো) আইনের ৩৭৬ নম্বর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অবশ্যই অপরাধীর বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাজঘেরা থানার এসএইচও ইন্সপেক্টর সামসুদ্দিন বলেন, একটা ই-মেলের মাধ্যমে অভিযোগ জানানো হয়। তার পরই ধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here