দেওঘর (ঝাড়খণ্ড): বৈদ্যনাথধামের কাছে ত্রিকূট পাহাড়ে কেবলকারে এখনও ১৩ জন পর্যটক আটকে রয়েছেন। রাতে অন্ধকার নেমে আসার জন্য সোমবারের মতো উদ্ধারকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আবার মঙ্গলবার ভোর থেকে উদ্ধারকাজ শুরু হবে।

সোমবার রাতটা পর্যটকদের মাটি থেকে ১৫০০ ফুট ওপরে মাঝ-আকাশে কেবলকারেই আটকে থাকতে হবে। রবিবার বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ রোপওয়ে দুর্ঘটনার পর থেকে তাঁরা আটকে রয়েছেন। মঙ্গলবার ভোরে যখন উদ্ধারকাজ ফের শুরু হবে ততক্ষণে তাঁদের ৩৬ ঘণ্টা কাটানো হয়ে যাবে কেবলকারে ঝুলন্ত অবস্থায়।

মাঝে মাঝে ড্রোনে করে আটকে থাকা পর্যটকদের খাবার আর জল সরবরাহ করা হচ্ছে।

ঝাড়খণ্ডের দেওঘর জেলায় ত্রিকূট পাহাড়ে রোপওয়ে দুর্ঘটনায় সোমবার রাত পর্যন্ত ৪ জন মারা গিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গিয়েছে, যদিও জেলা প্রশাসন এ ব্যাপারে কিছু জানায়নি। সর্বশেষ যিনি মারা গিয়েছেন তিনি একজন মধ্যবয়সি মানুষ। জানা গিয়েছে, তাঁকে হেলিকপ্টারে চাপিয়ে উদ্ধার করার সময় হাত ফসকে পড়ে যান।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁর সুরক্ষা-বর্ম খুলে যেতেই তিনি ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। চপারে থাকা এক কমান্ডো তাঁর হাত ধরে তাঁকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন। কিন্তু সব চেষ্টাই ব্যর্থ হয়।

মাঝ-আকাশে রোপওয়েতে ৪৮ জন পর্যটক আটকে পড়েন। তাঁদের মধ্যে ৩৪ জনকে সোমবার রাত পর্যন্ত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। ভারতীয় বিমানবাহিনীর দু’টি হেলিকপ্টার উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। উদ্ধারকাজে ব্যস্ত রয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী, ইন্দ-টেবিটান বর্ডার পুলিশ (আইটিবিপি), ন্যাশনাল ডিজাসস্টার রেসপন্স ফোর্স (এনডিআরএফ) এবং জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন শাখা।

ত্রিকুট পাহাড়ে রোপওয়ে পরিষেবা বেশ জনপ্রিয়। রবিবার বিকেলে শেষ বারের মতো যাত্রী পরিবহণ করার সময় ৮০০ মিটার দীর্ঘ রোপওয়ে-পথের বেশ কিছুটা বিকল হয়ে যায়। এর মাঝে দুটি কেবলকারে সংঘর্ষ ঘটে। তার জেরে ৩ পর্যটকের মৃত্যু হয়। পুরো রোপওয়ে পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। এর জেরে আরও ১২টি কেবলকারে ৪৮ জন পর্যটক আটকে পড়েন।

আরও পড়তে পারেন

ভয়াবহ রোপওয়ে দুর্ঘটনা ঝাড়খণ্ডে, মৃত ২, এখনও আটকে ৪৮ জন

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন