pneumonia

ওয়েবডেস্ক: আজ বুধবার শিশুদিবস। মহা সমারোহে চলছে শিশুদিবস পালন। আনন্দ, হইচই, গানবাজনা আরও কত কী! কিন্তু এই দিনটির আগে-পরে, এমনকি এই দিনে কতগুলি শিশুর প্রাণ অকালে ঝরে যায় তার খবর ক’ জন রাখে?

যুক্তরাজ্যের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘সেভ দ্য চিলড্রেন’ নামে একটি সমীক্ষা করেছে। সমীক্ষা অনুযায়ী, নিউমোনিয়ায় শিশু মৃত্যুর হারের নিরিখে ভারত ২০৩০ সালের মধ্যে প্রথম চারটির মধ্যে একটি রাষ্ট্র হতে চলেছে। তাতে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের প্রায় ১৭ লক্ষ শিশু কেবল মাত্র নিউমোনিয়াতেই মারা যাবে। ভারত ছাড়া এই ক্ষেত্রে প্রথম দিকের বাকি তিনটি দেশ হল পাকিস্থান, কঙ্গো ও নাইজেরিয়া। সোমবার বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবসে সংস্থাটি এই সমীক্ষা রিপোর্টটি প্রকাশ করে।

রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, পাঁচ বছরের নীচে শিশু মৃত্যুর ১.১ কোটি ঘটনার মধ্যে ৪০ লক্ষ মৃত্যু রোখা সম্ভব। কারণ এটি নিরাময়যোগ্য। তার জন্য দরকার উপযুক্ত টিকাকরণ, চিকিৎসা, ওষুধ। শিশুমৃত্যুর ১৬%-ই হল এই কারণে। উল্লেখ্য ২০১৫ সালে ৯ লক্ষ ২০ হাজার ১৩৬টি শিশু মারা গিয়েছে।

এই সম্পর্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রক বেশ কিছু টুইট করেছে। উদ্দেশ্য সচেতনতা বৃদ্ধি।

 


নিউমোনিয়া আসলে কী?

এটি হল শ্বাসযন্ত্রে সংক্রমণ। এই সংক্রমণ খুব বাড়াবাড়ি পর্যায়ে পৌঁছোলে নিউমোনিয়ায় পরিণত হয়। এতে করে শ্বাসযন্ত্রের ভেতরে পুঁজ আর জল ভরে যায়। শ্বাস নিতে সমস্যা হয়। বুকে ব্যথা করে। অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায়।

তাই শিশুদিবসের সুন্দর মুহূর্তে নিজে সচেতন হন। আর অন্যদের সচেতন করুন। শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন আর উপযুক্ত টিকাকরণের মাধ্যমে সুস্থ আর সুন্দর ভবিষ্যৎ উপহার দিন দেশের ভবিষ্যৎদের। কারণ জওহরলাল নেহরু বলেছেন, আজকের একটি শিশুই তৈরি করবে আগামীকালের ভারতবর্ষ। শিশুদের মধ্যে লুকিয়ে আছে দেশের ভবিষ্যৎ।

৫৮ বছরে প্রথম, কোপা লিবেরতাদোরেস ফাইনালে মুখোমুখি হল বোকা জুনিয়রস ও রিভার প্লেট

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here