RBI

ওয়েবডেস্ক: প্রকাশ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের ‘স্বাধিকারে সরকারের হস্তক্ষেপে’র কথা বলে বিতর্কের আগুনে ঘৃতাহুতি করেছিলেন রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (আরবিআই)-এর ডেপুটি গভর্নর বিরল আচার্য। সেই মন্তব্যের সূত্রে ধরেই কেন্দ্র-আরবিআই সংঘাত গড়িয়েছে গভর্নরের পদত্যাগের জল্পনায়। এ বার সোমবার বোর্ড মিটিংয়ের আগেই রয়টার্সের কাছে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই বোর্ড সদস্যের কথায় শোনা গেল সেই সরকারি চাপের কথাই।

আরও পড়ুন: লোকসভা ভোটের আগে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের দখল নিতে পারবে কি কেন্দ্র?

প্রত্যেক মাসেই প্রথামাফিক বৈঠকে বসেন আরবিআইয়ের বোর্ড সদস্যরা। দেশের অর্থনৈতিক গতিপ্রকৃতির নির্ধারক সেই সব বৈঠক নিয়ে অবশ্য আমআদমির ততটা আগ্রহ থাকে না। কিন্তু এ দিনের বৈঠকের গুরুত্ব অন্যত্র। আগামী লোকসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক অনুরোধ জমা পড়েছে আরবাআই কর্তাদের কাছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ঋণনীতি। আরবিআই যখন ব্যাঙ্কগুলির অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ হ্রাস করে দেশের অর্থনীতিকে আরও চাঙ্গা করতে চাইছে, তখন কেন্দ্র চাইছে ঋণের বহরে ছাড় দেওয়ার জন্য আরবিআইয়ের সঞ্চয় ভাণ্ডারে হস্তক্ষেপ করতে।

এমন পরিস্থিতি আরবিআইয়ের এই বৈঠক যে চর্চায় থাকবে, তা বলাই বাহুল্য। যথেষ্ট আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করছে দেশবাসী। আর ততোধিক চাপে রয়েছেন আরবিআইয়ের বোর্ড সদস্যরা। বোর্ডের দুই সদস্য রয়টার্সের কাছে বলেন, “ঋণনীতি সরলীকরণের সরকারি চাপ বৈঠকে স্পষ্ট ভাবে পড়তে চলেছে”। সারা দেশের নজর যে এই বোর্ড মিটিংয়ের উপর থাকছে, সে কথাও মেনে নিয়েছেন তাঁরা।

তবে ওই সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, কেন্দ্র বা আরবিআইয়ের কোনো মুখপাত্র এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here