ওয়েবডেস্ক: বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ বলে দিয়েছেন, ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে জেতার জন্য আদর্শ নিয়ে অত ভাবলে চলবে না। তার পরেই পশ্চিমবঙ্গে শাসক এবং অন্যান্য দল থেকে বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক পড়েছে। কিন্তু এর পরেও বলতে হবে, দল ভাঙানোর খেলায় বিজেপির কাছে পশ্চিমবঙ্গ শীর্ষ স্থানে নেই। শীর্ষ স্থানে যে রাজ্যটি রয়েছে সেটা উত্তরপ্রদেশ।

বিভিন্ন জনমত সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, এ বার উত্তরপ্রদেশে বিজেপির দশা বেশ খারাপ। মায়াবতী-অখিলেশ ঝড়ে উড়ে যেতে পারে গেরুয়া শিবির। তার পরেই আসরে নেমে পড়েছে বিজেপি। বিভিন্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, সপা, বসপা, আরএলডি এবং কংগ্রেস থেকে মোট ২৮ জন শীর্ষ স্থানীয় নেতা গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছেন।

দলবদলুদের তালিকায় সব থেকে ওপরে রয়েছে বসপা। দলের ১৫ জন নেতা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন গত কয়েক দিনে। যাঁরা যোগদান করেছেন তাঁরা হয় আগের বারের লোকসভা এবং বিধানসভা নির্বাচনে দলের প্রার্থী ছিলেন, বা মায়াবতীর পূর্বতন সরকারে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রিত্ব সামলেছেন।

আরও পড়ুন নির্বাচনী স্লোগান ঠিক করে ফেলল বিজেপি

এই দলবদলুদের মধ্যেই রয়েছেন বিজয় প্রকাশ জয়সওয়াল। আগের বার মোদীর বিরুদ্ধে বারাণসীতে বসপা প্রার্থী ছিলেন তিনি। ৬০,৫৭৯টা ভোট পেয়েছিলেন তিনি। তবে তাঁর দাবি, “এই ভোট আমি আমার ব্যক্তিগত প্রভাবেই পেয়েছিলাম, বসপার জন্য নয়।”

অন্য দিকে বিজেপিতে যোগদান করা গুটিয়ারি লাল দুওয়েশ ২০১২-তে আগরা ক্যান্টনমেন্ট কেন্দ্র থেকে জিতে বসপা বিধায়ক হয়েছিলেন। ২০১৭-তে দ্বিতীয় হন তিনি।

তবে বিজেপিতে যোগদান করার মূল কারণ যে ভোটে দাঁড়ানোর আশ্বাস পাওয়া, সে কথা কোনো রাখঢাক না রেখেই বলে দিচ্ছেন এই সব নেতা। তেমনই একজন বসপার তিন বারের বিধায়ক ছোটেলাল বর্মা। তিনি বলেন, “ফতেপুর সিকরি কেন্দ্র থেকে ভোটে দাঁড়াব। এই আশ্বাস পেয়েই বিজেপিতে যোগদান করেছি।”

দল ভাঙিয়ে অন্য নেতাদের নিয়ে আসার মধ্যে দিয়েই রাজ্যে নিজেদের ভাগ্য ফেরাতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। সেটা সত্যি হয় কি না, সেটা তো ২৩ মে-ই জানা যাবে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here