Connect with us

দেশ

দৈনিক আক্রান্তে রেকর্ড, চিন্তা বাড়াচ্ছে পূর্ব ভারত

Published

on

খবরঅনলাইন ডেস্ক: মৃত্যুহার আরও কিছুটা কমলেও ভারতে করোনায় দৈনিক আক্রান্তে রেকর্ড তৈরি হল বুধবার। এ বার পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিকে নিয়ে ক্রমশ চিন্তা বাড়ছে।

ভারতের করোনা-তথ্য

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) প্রকাশিত তথ্য দেখা যাচ্ছে যে এই মুহূর্তে ভারতে মোট করোনারোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯ লক্ষ ৩৬ হাজার ১৮১ । এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩ লক্ষ ১৯ হাজার ৮৪০। সুস্থ হয়েছেন ৫ লক্ষ ৯২ হাজার ৩২ জন। মৃত্যু হয়েছে ২৪৩০৯ জনের।

Loading videos...

অর্থাৎ, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২৯,৪২৯ জন। সুস্থ হয়েছেন ২০,৫৭২ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫৮২ জনের। দেশে বর্তমানে সুস্থতার হার রয়েছে ৬৩.২৩ শতাংশে। মৃত্যুর হার আরও কিছুটা কমে ২.৫৯ শতাংশে নেমে এসেছে।

বিহার গত তিন দিনে আক্রান্ত ৪০০০

করোনা-পরিস্থিতি যখন সামলে ওঠার ইঙ্গিত দিচ্ছিল বিহার, তখনই হুহু করে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৫০০ জন, গত তিন দিনে চার হাজার।

বিহারে এখন মোট আক্রান্ত ১৯,২৮৪ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১২,৮৪৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৭৪ জনের। বিহারে এখন তিন লক্ষের কিছু বেশি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

সুস্থতা (৬৬.৬৩%) আর মৃত্যুর হারের (০.৯%) দিক থেকে বিহারের অবস্থান অনেকটা ভালো জায়াগায় হলেও গত কয়েক দিনে আক্রান্তের সংখ্যায় এই বাড়বাড়ন্তের জেরে বেশি ঝুঁকি নিতে চাইছে না নীতীশ কুমার সরকার।

১৬ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত গোটা রাজ্যেই লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

অসমে নতুন করে আক্রান্ত ১,০০১

বিহারের পর অসম নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। নতুন করে এই রাজ্যে এক দিনেই আক্রান্ত হয়েছেন ১০০১ জন। এর মধ্যে গুয়াহাটি শহরেই আক্রান্ত হয়েছেন ৫১৩ জন।

অসমে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৭,৮০৭। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১১,৪১৬। মৃত্যু হয়েছে ৪০ জনের। বিহারের মতো সুস্থতা আর মৃত্যুহারে অসমের অবস্থানও যথেষ্ট ভালো।

পরিস্থিতি সুবিধার নয় ওড়িশা, ঝাড়খণ্ডেও

দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা কমে এসেছিল ঝাড়খণ্ডেও। কিন্তু গত কয়েক দিনে সেখানেও বাড়ছে করোনারোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় সে রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় আড়াইশো জন, যা এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ।

এর ফলে ঝাড়খণ্ডে রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪০৯১। ওড়িশার পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক। এই রাজ্যে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৪,২৮০।

নমুনা-পরীক্ষার তথ্য

গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশে ৩ লক্ষ ২০ হাজার ১৬১টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এর ফলে এখনও পর্যন্ত মোট ১ কোটি ২৪ লক্ষ ১২ হাজার ৬৬৪টি নমুনা পরীক্ষা হল। গোটা দেশে নমুনা পজিটিভ হওয়ার হার এখন রয়েছে ৭.৫৪ শতাংশ।

দেশ

বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীতেই মৈত্রী সেতু উদ্বোধনের সম্ভাবনা

২০১৭ সালের ২৭ অক্টোবর থেকে মৈত্রী সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। সেতুর কাজ শেষ হয়েছে, এখন কেবল উদ্বোধনের পালা। সেই প্রতীক্ষায় দিন গুনছেন রামগড় ও সাবরুমবাসী।

Published

on

ঋদি হক, রামগড়, খাগড়াছড়ি থেকে:

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং মুজিববর্ষ পালনে ব্যাপক আয়োজন চলছে বাংলাদেশে। সঙ্গে রয়েছে ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পালন। সব কিছু ঠিকঠাক চললে এবং পরিবেশ অনুকূল থাকলে বাংলাদেশের মহোৎসবে শামিল হওয়ার কথা রয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-সহ বিশ্বনেতাদের।

মুজিববর্ষে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নানামুখী প্রকল্প ও কানেক্টিভিটি চলমান রয়েছে। দেশটির বিজয় দিবসের রেশ ধরে ১৭ ডিসেম্বর শুরু হয় চিলাহাটি-হলদিবাড়ি পণ্যবাহী রেলচলাচল। ৫৫ বছর পর। আসছে ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে চালু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ-শিলিগুড়ি যাত্রীবাহী ট্রেন। বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীকে স্মরণীয় করে রাখতে একের পর এক রেলপথ, জলপথ, সড়কপথ চালু হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের ফেণী নদীর ওপরে নির্মিত বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী-১ সেতুটির উদ্বোধনের ঘণ্টায় বেজে যেতে পারে মুজিববর্ষ ও সুবর্ণজয়ন্তীতেই।

Loading videos...

মৈত্রী সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ

মৈত্রী সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ। এখন রংতুলির শেষ আঁচড় পড়ছে। বাংলাদেশের রামগড় পৌরসভার মহামুনি প্রান্ত থেকে ত্রিপুরার সাব্রুমের আনন্দপাড়া যেন আগলে রেখেছে মৈত্রী সেতুকে। অর্থনৈতিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করতে এই সেতুটির মাধ্যমে লালসবুজ ও তেরঙা পতাকার সম্মিলন ঘটতে যাচ্ছে মুজিববর্ষেই।

বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রায় তথা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পালন উৎসবেই বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু-১ দ্বারোদঘাটনের সম্ভাবনার ইঙ্গিত মেলে। মুজিববর্ষেই বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে কানেক্টিভিটি নেটওয়ার্কের আওতায় চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেলপথে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। চালু হয়েছে বাংলাদেশের দাউদকান্দি-ত্রিপুরার সোনামুড়া জলপথ। উত্তরের পথে মেঘনার বুক চিরে অসমের করিমগঞ্জে লালসবুজ-গেরুয়া পতাকা উড়িয়ে পণ্যবাহী জলযান গিয়েছে। চলতি বছরেই আখাউড়া-আগরতলা রেলপথের কাজ সম্পন্ন হবে। জোরকদমে এগিয়ে চলছে কুলাউড়া-শাহবাজপুর রেপথের কাজ। যেটি সরাসরি অসমের মহিষাসনের সঙ্গে যুক্ত হবে।

ভারত বাংলাদেশের পারস্পরিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে এ বার সেতুবন্ধনে আবদ্ধ হতে চলেছে রামগড়-সাবরুম মৈত্রী সেতু। বাংলাদেশের পাঁজরঘেষা উত্তরপূর্ব ভারতের রাজ্যটির নাম ত্রিপুরা। অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে থাকা রাজ্যটির সঙ্গে চলতি বছরেই চালু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু। উভয় দেশের প্রাধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক সেতুর উদ্বোধন করবেন। এ নিয়ে ঊভয়দেশের উচ্চ পর্যায়ে দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়ে গিয়েছে।

রামগড় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কী বলেন

রামগড় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বিশ্বপ্রদীপ কুমার কারবারী ‘খবর অনলাইন’কে বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরত্ব থাকায় পণ্যবাহী লরি ত্রিপুরায় পৌঁছাতে সময় লাগবে সর্বোচ্চ ৫ ঘন্টা। এই সাশ্রয়ী পণ্যপরিবহনের সুযোগ ভোগ করবে উত্তরপূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোর সাধারণ বাসিন্দা। পাশাপাশি দু’ দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক প্রসারও ঘটবে। সুগম হবে দু’দেশের আর্থসামাজিক সম্পর্ক। সেতুটি ঘিরে এরই মধ্যে ত্রিপুরার সাবরুম এলাকায় গড়ে ওঠছে অর্থনৈতিক জোন। সেতুটির ৮০ শতাংশ পড়েছে বাংলাদেশ প্রান্তে।

বিশ্বপ্রদীপবাবু আরও জানালেন, বাংলাদেশের চট্টগ্রাম গড়ে উঠতে যাচ্ছে অর্থনৈতিক হাব হিসেবে। মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর, বে-টার্মিনাল, মেরিন ড্রাইভ মহাসড়ক, এ সব গড়ে ওঠার সুবিধাভোগী হবে উত্তরপূর্ব ভারতের রাজ্যগুলো। কারণ এখান থেকে দিনে দিনে পণ্য পরিবাহিত হতে পারবে রাজ্যগুলোতে। তাতে ভারতের পিছিয়ে পড়া রাজ্যগুলোর অর্থনৈতিক সুবিধা হবে। পাশাপাশি মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর সিঙ্গাপুর থেকে কাছে হওয়ায় তা ব্যবহার করতে পারবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও অন্য রাজ্যগুলো। অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে শেখ হাসিনার হাত ধরেই।

বিশ্বপ্রদীপবাবু জানান, পদ্মাসেতু হওয়ার ফলে বাংলাদেশের মংলা বন্দর ব্যবহার করে উত্তরপূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোতে পণ্যপরিবহনের ক্ষেত্র এখন অনেক সহজ হবে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা না হলে বাংলাদেশে কোনো দিন পদ্মাসেতু হত বলে মনে হয় না।

রামগড় পৌরসভার মেয়র কী বলেন

রামগড় পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ শাহজাহান জানান, রামগড়ে মৈত্রীসেতু ঘিরে এখানে গড়ে উঠছে স্থলবন্দর। এতে করে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়ন ছোঁয়া লাগবে পাহাড়ে। আয় বাড়বে পৌরসভারও। কানেক্টিভিটি হচ্ছে সভ্যতার প্রতীক এ কথা উল্লেখ মেয়র বলেন, বাংলাদেশকে ব্যবহার করলে ভারতের উত্তরপূর্বের রাজ্যগুলোতে পণ্যপরিবহন সাশ্রয়ী হবে। সব মিলিয়ে আগামী দিনে রামগড়কেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক বাণিজ্য যে পাখনা মেলবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এ জন্য রামগড়বাসীর তরফে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে অভিনন্দন জানান।

সরেজমিন রামগড় ঘুরে দেখা গেল সেতুটি চালুর অপেক্ষায় দিন গুণছেন রামগড় তথা পাশ্ববর্তী এলাকার সাধারণ মানুষ। সেতুকে ঘিরে সকলেই আবেগাপ্লুত। এরই মধ্যে গত ৬ জানুয়ারি জাপান উন্নয়ন সংস্থার (জাইকা) প্রতিনিধি দল মৈত্রী সেতুসহ সড়কে নির্মীয়মাণ সেতু-কালভার্ট পরিদর্শন করেন। এর আগে গত ৩০ ডিসেম্বর পরিদর্শন করে গেছেন ত্রিপুরায় নিযুক্ত বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনার মো. জাবেদ হোসেন।

সেতু নির্মাণের দায়িত্বে এনএইচআইডিসিএল

ভারতের ন্যাশনাল হাইওয়েস অ্যান্ড ইনফ্রাস্টাকচার ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন লিমিটেড (এনএইচআইডিসিএল) এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তানিশ চন্দ্র আগারভাগ ইনপাকন প্রাইভেট লিমিটেডের তত্ত্বাবধানে ৮২.৫৭ কোটি টাকা ব্যয়ে রামগড়ের মহামুনিতে ২৮৬ একর জমির ওপর ৪১২ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১৪.৮০ মিটার প্রস্থের আন্তর্জাতিক মানের মৈত্রী সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ১২টি পিলার সংবলিত সেতুটির বাংলাদেশ অংশে নির্মাণ করা হয়েছে আটটি এবং ভারতের অংশে চারটি পিলার। যাতে স্প্যান রয়েছে ১১টি। এর বাংলাদেশ অংশে সাতটি ও ভারত অংশে চারটি। নদীর অংশে ৮০ মিটারের স্প্যান এবং নদীর দু’পাড়ের ৫০ মিটারের দুটিসহ মোট ১৮০ মিটার দৈর্ঘ্যের এ তিনটি স্প্যানই হচ্ছে সেতুর মেন স্প্যান।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১০ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিল্লি সফরকালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে রামগড়-সাবরুম স্থলবন্দর চালুর যৌথ সিদ্ধান্তের পর বাংলাদেশ-ভারত দু’দেশের মধ্যে ট্রানজিট সুবিধা, যাতায়াত ব্যবস্থা সহজতর করা এবং আমদানি-রফতানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০১৫ সালের ৬ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু-১ নামে ফেনী নদীর ওপর নির্মিত সেতুটির শিলান্যাস করেন। ২০১৭ সালের ২৭ অক্টোবর থেকে মৈত্রী সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। সেতুর কাজ শেষ হয়েছে, এখন কেবল উদ্বোধনের পালা। সেই প্রতীক্ষায় দিন গুনছেন রামগড় ও সাবরুমবাসী।

Continue Reading

দেশ

নবম দফার বৈঠকেও কাটল না জট, ফের কৃষকদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে কেন্দ্র

১৯ জানুয়ারি প্রথম বৈঠক করবে সুপ্রিম কোর্টের গঠিত কমিটি।

Published

on

কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠকে কৃষক প্রতিনিধিরা। ছবি: এএনআই

নয়াদিল্লি: বিতর্কিত তিন কৃষি আইন নিয়ে শুক্রবার কেন্দ্র-কৃষক নবম দফার বৈঠক শেষ হল বিজ্ঞান ভবনে। তবে এ দিনেও কাটল না জট!

কৃষি আইন বাতিলের দাবি অনড় কৃষকরা, কেন্দ্র স্থির রয়েছে নিজের অবস্থানে। কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর একাধিক বার জানিয়েছেন, সংশোধনের প্রস্তুত থাকলেও আইন বাতিলের পথে যাবে না কেন্দ্র।

এ দিন বৈঠক শুরুর আগে মন্ত্রী বলেন, আজকের বৈঠকে তিনটি কৃষি আইন নিয়ে আলোচনা হবে এবং সরকার আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করবে।

Loading videos...

কৃষি আইন খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের কমিটি গঠন করেছে সুপ্রিম কোর্ট (এক জন নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন)। সেই কমিটির প্রথম বৈঠক হবে ১৯ জানুয়ারি। ওই একই দিনে কেন্দ্র এবং কৃষকদের মধ্যে ফের বৈঠক হবে বেলা ১২টায়।

কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী বলেন, “ভারত সরকার সুপ্রিম কোর্টের রায়কে স্বাগত জানিয়েছে। যখন সুপ্রিম কোর্টের গঠিত কমিটি সরকারকে ডাকবে, আমরা তখন আমাদের মতামত তাদের কাছে জানাব”।

বৈঠকে উপস্থিত কৃষক সংগঠনের প্রতিনিধিরা

[এ দিনের বৈঠকে উপস্থিত কৃষক সংগঠনের প্রতিনিধিরা]

আলোচনায় যা উঠে এল

হরিয়ানার করনালের কাছে একটি গ্রামে গত রবিবার কৃষকদের উপর আক্রমণ এবং তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা দায়েরের ঘটনা নিয়ে সরব হলেন কৃষক প্রতিনিধিরা।

বৈঠকে অবধারিত ভাবেই কৃষক ইউনিয়নগুলি কৃষি আইন বাতিল করার জন্য চাপ অব্যাহত রাখে। অন্যদিকে কেন্দ্র জানায়, অচলাবস্থার কাটিয়ে ওঠার জন্য সরকার কৃষকদের কাছ থেকে পরামর্শ চাইছে। তবে ইউনিয়নগুলির নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকলে সরকার “আরও আলোচনার জন্য চাপ দিতে পারে না”।

কৃষক নেতা রকেশ টিকাইত জানান, কৃষক সংগঠনগুলি এ দিনের বৈঠকে সরকারকে বলেছে, তারা সুপ্রিম কোর্টের গঠিত কমিটিকে গ্রহণ করবে না। এক মাত্র সরকারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব।

আরও পড়তে পারেন: দিল্লি যাচ্ছেন শতাব্দী রায়, জিইয়ে রাখলেন অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাতের সম্ভাবনা

Continue Reading

দেশ

কমল সংক্রমণের হার, বাড়ল সুস্থতা

শেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ হাজার ৫৯০।

Published

on

খবর অনলাইন ডেস্ক: আগের দিনের থেকে প্রায় হাজারখানেক কম কোভিড আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন বৃহস্পতিবার। অন্যদিকে সুস্থতার সংখ্যা ধারাবাহিক ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় কমেছে সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও।

ভারতের করোনা-পরিস্থিতি

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ হাজার ৫৯০, সব মিলিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ঠেকেছে ১ কোটি ৫ লক্ষ ২৭ হাজার ৬৮৩-এ।

অন্যদিকে এ দিন সুস্থ হয়েছেন ১৫ হাজার ৯৭৫ জন কোভিডরোগী। এখনও পর্যন্ত মোট সুস্থ ১ কোটি ১ লক্ষ ৬২ হাজার ৭৩৮ জন। সুস্থতার হার ৯৬.৫৩ শতাংশ। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ২ লক্ষ ১৩ হাজার ২৭। শেষ ২৪ ঘণ্টায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমেছে ৫৭৬।

Loading videos...

টানা তিন দিন দৈনিক মৃতের সংখ্যা ছিল দেড়শোর কাছাকাছি থাকার পর আগের দিনেই তা বেড়ে প্রায় দু’শো হয়েছিল। শেষ ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৯১ জনের, মোট মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৫১ হাজার ৯১৮।

কমল দৈনিক সংক্রমণ

সংক্রমণ কী ভাবে কমছে, সেটা সংক্রমণের হারটা দেখে বুঝতে হয়। আগের দিনেও দেশে দৈনিক সংক্রমণের হার ২ শতাংশের উপরেই, তবে এ দিন তা কিছুটা কমেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৭ লক্ষ ৩০ হাজার ০৯৬টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। ফলে এ দিন দৈনিক সংক্রমণের হার ছিল ২.১৩ শতাংশ।

একই ভাবে সামান্য হলেও কমছে সামগ্রিক সংক্রমণের হারও। ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত ভারতে মোট ১৮ কোটি ৪৯ লক্ষ ৬২ হাজার ৪০১টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এর বিপরীতে এখন মাত্র ৫.৬৯ শতাংশ মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন।

পশ্চিমবঙ্গের করোনা-পরিস্থিতি

রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণ ফের সাতশোর নীচে নেমেছে বৃহস্পতিবার। এক দিনে ৩২ হাজারের বেশি নমুনা পরীক্ষার পরেও দৈনিক আক্রান্তের এই সংখ্যা যথেষ্ট আশাব্যঞ্জক। বিস্তারিত পড়তে পারেন এখানে ক্লিক করে: ৩২ হাজারের বেশি নমুনা পরীক্ষা, রাজ্য়ে দৈনিক আক্রান্ত ফের সাতশোর নীচে

Continue Reading
Advertisement
Advertisement
বিদেশ3 days ago

১৯৫৩ সালের পর থেকে প্রথম কোনো মহিলার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল মার্কিন সরকার

শিল্প-বাণিজ্য3 days ago

ফের বাড়ল পেট্রোল-ডিজেলের দাম!

বিনোদন3 days ago

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘অভিযাত্রিক’, সিনেমার ‘মাস্টার’দের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি

দেশ1 day ago

করোনার টিকা নেওয়ার পর অসুস্থ হলে দায় নেবে না কেন্দ্র

দেশ15 hours ago

নবম দফার বৈঠকেও কাটল না জট, ফের কৃষকদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে কেন্দ্র

দেশ3 days ago

গ্রেফতার অ্যালকেমিস্ট কর্ণধার কেডি সিং!

কলকাতা2 days ago

বাগবাজার ব্রিজের কাছে বস্তিতে বিধ্বংসী আগুন, ছড়াল পার্শ্ববর্তী বহুতলেও

কলকাতা2 days ago

অগ্নিকাণ্ডে গৃহহীনদের ঘর তৈরি করে দেবে পুরসভা, বাগবাজারে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

কেনাকাটা

কেনাকাটা4 days ago

৯৯ টাকার মধ্যে ব্র্যান্ডেড মেকআপের সামগ্রী

খবর অনলাইন ডেস্ক : ব্র্যান্ডেড সামগ্রী যদি নাগালের মধ্যে এসে যায় তা হলে তো কোনো কথাই নেই। তেমনই বেশ কিছু...

কেনাকাটা1 week ago

কয়েকটি ফোল্ডিং আইটেম খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক: এমন অনেক কিছুই থাকে যেগুলি সঙ্গে থাকলে অনেক সুবিধে হত বলে মনে হয়, কিন্তু সব সময় তা পাওয়া...

কেনাকাটা1 week ago

রান্নাঘরের কাজ এগুলি সহজ করে দেবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রান্নাঘরের কাজ অনেক বেশি সহজ করে দিতে পারে যে সমস্ত জিনিস, তারই কয়েকটির খোঁজ রইল অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন...

কেনাকাটা1 week ago

ম্যাক্সিড্রেসের নতুন কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সুন্দর ম্যাক্সিড্রেসের চাহিদা এখন তুঙ্গে। সামনেই কোনো আনন্দ অনুষ্ঠানের নিমন্ত্রণ থাকলে ম্যাক্সি পরতে পারেন। বাছাই করা কয়েকটি ড্রেসের...

কেনাকাটা2 weeks ago

রকমারি ডিজাইনের ৯টি পুঁটলি ব্যাগের কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: বিয়ের মরশুমে নিমন্ত্রণে যেতে সাজের সঙ্গে মিলিয়ে ব্যাগ নেওয়ার চল রয়েছে। অনেকেই ডিজাইনার ব্যাগ পছন্দ করেন। তেমনই কয়েকটি...

কেনাকাটা2 weeks ago

কস্টিউম জুয়েলারির দারুণ কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: বিয়ের মরশুম আসছে। নিমন্ত্রণবাড়ি তো লেগেই থাকে। সেখানে আজকাল সোনার গয়নার থেকে কস্টিউম বা জাঙ্ক জুয়েলারি পরে যাওয়ার...

কেনাকাটা2 weeks ago

রুম হিটারের কালেকশন, ৬৫০ থেকে শুরু

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ভালোই শীত চলছে। এই সময় রুম হিটারের প্রয়োজনীয়তা খুবই। তা সে ঘরের জন্যই হোক বা অফিস, বা কোথাও...

কেনাকাটা3 weeks ago

চোখের যত্ন নিতে কিনুন এগুলি, খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক: অনেকেই আছেন সারা দিনের ব্যস্ততার মাঝে যদিও বা পা, হাত বা মুখের টুকটাক যত্ন নেন, কিন্তু চোখের বিশেষ...

কেনাকাটা4 weeks ago

ফিলগুড প্রোডাক্ট! পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক: দিনের মধ্যে কিছু সময় যদি নিজের মতো করে নিজের জন্য দেওয়া যায় তা হলে মন যেমন ভালো থাকে...

কেনাকাটা4 weeks ago

জায়গা বাঁচানোর জন্য বিভিন্ন রকমের অর্গানাইজার, দেখে নিন খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রোজকার ঘরে ব্যবহারের জন্য এমন অনেক জিনিস আছে যেগুলি থাকলে যেমন জায়গার সাশ্রয় হয় তেমনই সময়েরও। জায়গা বাঁচানোর...

নজরে