২,০০০ টাকার নোট বাতিলের যুক্তি অর্থ মন্ত্রকের প্রাক্তন আধিকারিকের

0
currency
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: নোটবাতিলের তৃতীয় বার্ষিকীতে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থনীতি বিষয়ক সেক্রেটারি এস সি গর্গ বলেন, নরেন্দ্র মোদী সরকার ৫০০ ও ১,০০০ ট‌াকার পুরনো নোটের বদলে যে নতুন ২,০০০ টাকার নোটটি বাজারে নিয়ে এসেছে, সেটিও বাতিল করা উচিত।

তিন বছর আগে, ৮ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী মোদী ‘কালো টাকা’ কমানোর পাশাপাশি ডিজিটাল মাধ্যমে লেনদেনকে উন্নীত করতে এবং দেশের অর্থনীতিকে ‘ক্যাশলেস’ হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পুরনো ৫০০ ও ১,০০০ টাকার নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছিলেন।

নোটবন্দির পরে গর্গকে আচমকা অর্থ মন্ত্রক থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরে তিনি সরকারি চাকরি থেকে স্বেচ্ছাবসর নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “খোলা বাজারে নগদের পরিমাণ এখনও অনেক বেশি। একই সঙ্গে ২,০০০ টাকার নোটও মজুদ রয়েছে অত্যধিক পরিমাণে। সারা বিশ্ব জুড়ে চলছে ডিজিটাল পেমেন্টের সম্প্রসারণ। লেনদেনের ক্ষেত্রে খুব সুবিধাজনক ডিজিটাল পদ্ধতিগুলি দ্রুত গতিতে নগদ প্রতিস্থাপন করছে। ভারতেও এটি ঘটছে, তবে তা অনেক ধীর গতিতে”।

নতুন ২,০০০ টাকার নোট প্রত্যাহারের যুক্তি হিসাবে গর্গ বলেন, “২,০০০ টাকার নোটের একটি বড়ো অংশ আসলে বাজারে নেই। এগুলি সংগ্রহ করার পর তা গচ্ছিত রাখা হয়েছে। সুতরাং ওই ২,০০০ টাকার নোট বর্তমানে লেনদেনের নোট হিসাবে কাজ করছে না”।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, “এই ধরনের বড়ো নোট বাতিল করা হলে কোনো রকমের বিঘ্ন সৃষ্টি না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবে এই প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য একটি সহজ পদ্ধতি, এই নোটগুলি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করার (কোনও বদল নয়) কৌশল অবলম্বন করা যেতে পারে”।

আরও পড়ুন: নোটবন্দির তৃতীয় বর্ষপূর্তি: মনে পড়ে কি ‘মোদী’ময় সেই ডাক?

গর্গ আরও বলেন, ” কিছু শুল্ক / চার্জের সাপেক্ষে নগদভিত্তিক লেনদেনকে ব্যয়বহুল করা এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে টাকা লেনদেনে উৎসাহ দিতে কিছু সুবিধা দেওয়া যেতে পারে। এ ভাবে সরকারে যদি নগদ লেনদেন পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় তা হলে আমাদের দেশকে ‘ক্যাশলেস’ অর্থনীতির দিকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যাবে”।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here