Connect with us

দেশ

পুলওয়ামা হামলা: কেন্দ্রের রিপোর্ট পেশ লোকসভায়

Pulwama attack

নয়াদিল্লি: চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় আত্মঘাতী জঙ্গি হামলায় নিহত হয়েছিলেন ৪০ জন জওয়ান। কিছুক্ষণের মধ্যেই জানা যায়, সেনাবাহিনী বাস লক্ষ্য করে ওই হামলা চালায় কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ। একই সঙ্গে ওই ঘটনায় জড়িত পাঁচ জঙ্গির মধ্যে চার জনই যে মারা গিয়েছে, সেই তথ্য মঙ্গলবার লোকসভায় তুলে ধরল কেন্দ্র।

এ দিন লোকসভায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জি কিষান রেড্ডি জানান, ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ)-র তদন্তে জানা গিয়েছে, জইশ-ই-মহম্মদের একটি মডিউল ওই হামলা চালায়। সমগ্র পরিকল্পনা এবং তা কার্যক্ষেত্রে প্রয়োগের ব্যাপারে তারাই ওই জঙ্গিদের পরিচালিত করেছিল।

ওই দিন সিআরপিএফ কনভয়ের উপর হামলা চলে। এ দিন লোকসভায় একটি লিখিত প্রশ্নের উত্তরে রেড্ডি জানান, মোট পাঁচ জন অভিযুক্তের মধ্যে এক জন ছিল আত্মঘাতী বোমা। বাকি দু’জন ঘটনার পর মারা যায়। সেনা বাহিনীর সক্রিয়তায় এক জনকে গ্রেফতার করা হয়। মুদাসির অহমেদ খান ওরফে মহম্মদ ভাই সেনা সক্রিয়তায় ঘটনার পর মারা যায়।

g kishan reddy home minister

স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জি কিষান রেড্ডি

মন্ত্রী বলেন, তদন্ত আদালত এই ধরনের ঘটনায় বিভিন্ন দিক থেকে তদন্তের আদেশ দিয়ে থাকে, এবং এ ক্ষেত্রেও সিআরপিএফের নির্দেশ মতোই ওই তদন্তগুলি চলছে।

প্রসঙ্গত, ঘটনার তিন দিনের মাথায় সেনার কনভয়ে হামলায় ঘটনায় যুক্ত দুই সন্দেহভাজন জঙ্গির মৃত্যু হয়। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, মৃতদের নাম সাজ্জাদ এবং তৌসিফ। এদের মধ্যে সাজ্জাদ ছিল হামলার অন্যতম চক্রী, তৌফিক সহযোগী।

পড়তে থাকুন
Advertisement
মন্তব্যের জন্য ক্লিক করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

দেশ

নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নানা বিষয়ে ফোনে কথা

trump and modi

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ফোনে কথা হল দুই রাষ্ট্রপ্রধানের – ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। চিন-ভারত সীমান্ত সমস্যা-সহ (Indo-China border dispute) নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এল আলাপচারিতায়। মঙ্গলবার সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এই খবর দেওয়া হয়েছে।

পূর্ব লাদাখে দু’ দেশের সৈন্য সমাবেশ নিয়ে দুই নেতার মধ্যে কী আলোচনা হয়েছে, সে সম্পর্কে সরকারি বিবৃতিতে অবশ্য নির্দিষ্ট করে কিছু বলা হয়নি।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেছিলেন, তিনি ভারত-চিনের মধ্যে মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দিয়েছেন। কিন্তু ভারত সরকারের শীর্ষ কর্তারা এই দাবি নস্যাৎ করে দেন। তাঁরা জোর দিয়ে বলেন, সাম্প্রতিক অতীতে দুই নেতার মধ্যে কোনো আলোচনাই হয়নি। চিনও ট্রাম্পের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়। বলে, আলাপআলোচনা ও পরামর্শ আদানপ্রদানের মধ্য দিয়ে সমস্যা যথাযথ ভাবে মিটিয়ে নিতে দুই দেশ যথেষ্ট পারদর্শী।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (USA) সোমবার বলে, ভারতের (India) বিরুদ্ধে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (Line of Actual Control) বরাবর চিনা আগ্রাসনে তারা খুব উদ্বিগ্ন। মার্কিন প্রতিনিধিসভার (US House of Representatives) বিদেশ বিষয়ক কমিটির (Foreign Affairs Committee) প্রধান এলিয়ট এঞ্জেল (Elliot Engel) বলেন, “নিয়ম মেনে চলার জন্য এবং কূটনীতি এবং প্রচলিত পদ্ধতির মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত প্রশ্ন মিটিয়ে নেওয়ার জন্য আমরা চিনকে কড়া ভাবে অনুরোধ করছি।”

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য জি ৭ শীর্ষ সম্মেলনে (G7 Summit) যোগ দেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ভারত-সহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ দেশকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য গ্রুপের সদস্য-পরিধি বাড়ানোর যে ইচ্ছা তাঁর রয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তা ব্যক্ত করেন।”

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যে নাগরিক অশান্তি চলছে সে সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং অশান্ত পরিস্থিতি দ্রুত মিটে যাওয়ার ব্যাপারে ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

দু’ দেশের কোভিড ১৯ (Covid 19) পরিস্থিতি এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (World Health Organisation, হু) সংস্কারের বিষয়টি নিয়েও কথা হয় বলে সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই হু-র সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তাদের অভিযোগ, গোড়ার দিকে করোনাভাইরাস (coronavirus) সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া আটকাতে হু ব্যর্থ হয়েছে। বিশ্বব্যাপী অতিমারি মোকাবিলা করার ব্যাপারে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে মাস খানেক আগে হু-কে অর্থ সাহায্য বন্ধ করে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তাঁর অভিযোগ ছিল, জেনেভা-ভিত্তিক এই সংস্থা আদতে চিনের হাতের পুতুল। তারা যদি কোভিড ১৯-এর বিরুদ্ধে কার্যকর কিছু না করতে পারে তা হলে অর্থ সাহায্য বন্ধই থাকবে।

পড়তে থাকুন

দেশ

লকডাউনে পথদুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ২০০ অভিবাসী শ্রমিক

ওয়েবডেস্ক: লকডাউনের সময়কালে সারা দেশে প্রায় ২০০ জন অভিবাসী শ্রমিক (Migrant workers) পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বলে একটি সমীক্ষা রিপোর্টে জানাল সেভলাইফ ফাউন্ডেশন (SaveLIFE Foundation) নামে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

ট্রাকের সঙ্গে ছোটো গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘরে ফেরার তাগিদ নিয়ে অভিবাসী শ্রমিকের মৃত্যুর খবর শিরোনামে উঠে আসে প্রায়শই।

এক নজরে সমীক্ষা রিপোর্ট

১. মোট পথ দুর্ঘটনার ঘটনা ১৪৬১টি।

২. মোট মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৭৫০ জনের।

৩. আহত হয়েছেন: ১৩৯০ জন

৪. অভিবাসী শ্রমিকের মৃত্যু: ১৯৮

৫. উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, বিহার, তেলঙ্গানা এবং মহারাষ্ট্রের মতো পাঁচটি রাজ্য সংখ্যা সব থেকে বেশি।

৬. উত্তরপ্রদেশে অভিবাসী শ্রমিক মৃত: ৯৪ জন

৭. মধ্যপ্রদেশে অভিবাসী শ্রমিক মৃত: ৩৮ জন

৮. বিহারে অভিবাসী শ্রমিক মৃত: ১৬ জন

৯. তেলঙ্গানায় অভিবাসী শ্রমিক মৃত: ১১ জন

১০. মহারাষ্ট্রে অভিবাসী শ্রমিক মৃত: ৯ জন।

১১. ওভার স্পিডিংয়ের জন্য দুর্ঘটনা সব থেকে বেশি।

১২. লকডাউনের তৃতীয় পর্যায়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৬০ শতাংশ, চতুর্থ পর্যায়ে ১৯ শতাংশ।

উপরের পরিসংখ্যানে স্পষ্ট, অধিকাংশ অভিবাসী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে উত্তরপ্রদেশে। এমনকী পথদুর্ঘটনায় মোট মৃত্যুর ৩০ শতাংশই উত্তরপ্রদেশে।

পড়তে থাকুন

দেশ

পরীক্ষার কেন্দ্র পরিবর্তন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ সিবিএসই-র

ওয়েবডেস্ক: কোভিড-১৯ মহামারিতে (Covid-19 pandemic) স্কুল বন্ধ থাকার কারণে অনেকেই নিজের বাসস্থানে ফিরে গিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে বোর্ড পরীক্ষার কেন্দ্র পরিবর্তন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করছে সিবিএসই।

বোর্ড জানিয়েছে, সিবিএসই নির্ধারিত পরীক্ষাকেন্দ্রের পরিবর্তে পড়ুয়ারা নিজের নিজের বিদ্যালয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুবিধা পাবে।

সচরাচর সিবিএসই পড়ুয়াদের নিজের স্কুলে পরীক্ষায় অনুমোদন দেয় না। একই জেলার অন্য কোনো স্কুলে তাদের পরীক্ষায় বসতে হয়।

তবে সমসাময়িক পরিস্থিতিতে নিয়ম শিথিল করা হলেও কেন্দ্র পরিবর্তনের জন্য অনুরোধ বিদ্যালয়ের মাধ্যমে করতে হবে বলে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ, পড়ুয়ারা পরীক্ষার কেন্দ্র পরিবর্তন করার জন্য বোর্ডকে স্বতন্ত্র অনুরোধ জানাবে না।

বোর্ড জানিয়েছে, সিবিএসই নতুন জেলায় বোর্ড নথিভুক্ত কোনো স্কুলকে পরীক্ষাকেন্দ্রের জন্য অনুমোদন দেবে। তবে
একই জেলায় পরীক্ষাকেন্দ্র পরিবর্তন অনুমোদিত নয়।

১৭টি জেলায় সিবিএসই (CBSE)-র কোনো স্কুল নেই। এ বিষয়ে বোর্ড জানিয়েছে, যদি কোনো পড়ুয়ার নিজের জেলায় বোর্ডের কোনো স্কুল না থাকে, তা হলে সে কাছের জেলার কোনো স্কুলকে বেছে নিতে পারে।

তবে পড়ুয়াকে অবশ্যই পছন্দের নিকটবর্তী স্কুলটি বেছে নিয়ে নিজের স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।

অন্য দিকে কোনো পড়ুয়ার পরীক্ষা কেন্দ্রটি যদি করোনাভাইরাস (Coronavirus) সংক্রমিত এলাকায় হয়, তা হলে তাকে অন্য কেন্দ্র বরাদ্দ করা হবে।

ভারতের বাইরে সিবিএসই অনুমোদিত স্কুলের পড়ুয়াদের জন্য বাকি পরীক্ষা বাতিল করেছে বোর্ড।

প্রসঙ্গত, গত ১৬ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে সিবিএসই স্কুলগুলি। একই সঙ্গে স্থগিত হয়েছে দশম এবং দ্বাদশশ্রেণীর পরীক্ষা।

আগামী ১ জুলাই থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত বাকি পরীক্ষাগুলি হওয়ার কথা।

পড়তে থাকুন

নজরে