২০-২৪ বছর বয়সিদের হাতে কাজ নেই, বেহাল চিত্র উঠে এল সমীক্ষায়

0
unemployed youth in india

ওয়েবডেস্ক: বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক আজিম প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘দ্য সেন্টার ফর সাস্টেইনেবল এমপ্লয়মেন্ট’ বিভাগের প্রকাশিত স্টেট অব ওয়ার্কিং ইন্ডিয়া (এসডব্লিউআই) ২০১৯ শীর্ষক সমীক্ষা রিপোর্টে উঠে এল অসংগঠিত শ্রমিকদের দুর্দশার চিত্র। ওই রিপোর্ট বলছে, নোটবন্দির পর থেকে গত দু’বছরে প্রায় ৫০ লক্ষ পুরুষ চাকরি হারিয়েছেন।মহিলাদের ধরলে স্বাভাবিক ভাবেই এই সংখ্যা আরও অনেকটাই বেড়ে যাবে। একই সঙ্গে জানা গিয়েছে, ২০-২৪ বছর বয়সিদের মধ্যেই বেকারত্বের হার সর্বাধিক।

সেন্টার ফর মনিটরিং দ্য ইন্ডিয়ান ইকনোমির কনজিউমার পিরামিডস সার্ভে বা সিএমআইই-সিপিডিএক্সের ভিত্তিতে এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। মুম্বই-ভিত্তিক এই সংস্থা দেশের ১.৬ লক্ষ পারিবারিক কর্মসংস্থানের তথ্য এবং ৫.২২ লক্ষ ব্যক্তিগত মতামতের উপর নির্ভর করে এই পরিসংখ্যান রচনা করেছে।

রিপোর্টটিতে বলা হয়েছে, দেশে ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কাজ হারানো মানুষের সংখ্যা হবে প্রায় ৫০ লক্ষ। এই সময়ে মোদী সরকারের নোট বাতিল ও পণ্য পরিষেবা কর (জিএসটি) অসংগঠিত শিল্পে চরম আঘাত হেনেছে। এতে বন্ধ হয়েছে ছোট শিল্প ও কারবার। ফলে এই নোট বাতিল ও পণ্যপরিষেবা কর ছাড়া অন্য কোনও কারণ দেখা যাচ্ছে না বিপুল কর্মহানির। ২০১৪ সালে মোদী ক্ষমতায় আসার আগে বছরে ২কোটি চাকরির প্রতিশ্রুতি দেন। সেই প্রতিশ্রুতি পালনের কোনও চিহ্ন এই সময়ে দেখা যায়নি তা স্পষ্ট হয়েছে এই রিপোর্টে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন অধ্যাপক আনন্দ শ্রীবাস্তব, রোসা আব্রাহাম এবং অমিত ভোঁসলে দাবি করেছেন, নোটবন্দির পর পুরুষদের চেয়ে মহিলাদের উপরই চাকরিতে কোপ পড়েছে বেশি। কারণ সাধারণ ভাবে পুরুষদের থেকে মহিলারা বেশি ভুক্তভোগী। মহিলাদের মধ্যে বেকারত্বের সংখ্যা যেমন বেশি, তেমনই চাকরিতে অংশগ্রহণের হারও কম।

[ আরও পড়ুন: যে ৫টি কারণে ভারতের শেয়ার বাজারের সূচকগুলি এখন সর্বকালীন সেরা অবস্থানে ]

একই সঙ্গে ওই সমীক্ষা রিপোর্ট জানিয়েছে, ২০-২৪ বছর বয়সিদের মধ্যে বেকারত্বের হার সর্বাধিক। শহুরে এলাকায় ওই বয়সিদের মাত্র ১৩.৫ শতাংশ কর্মক্ষেত্রে যুক্ত হলেও, ৬০ শতাংশ সম্পূর্ণ বেকার।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here